১৩ ই নভেম্বর কে কেন্দ্র করে আগামী ৩ দিন অর্থাৎ ১০, ১১ ও ১২ তারিখে বাংলাদেশে একটি অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরী হতে চলছে এবং আওয়ামীলীগ সেই পথে হাটছে বলে মনে করছে দেশের জনগণ। আজ অর্থাৎ ১০ ই নভেম্বর ও আগামী ১১ ও ১২ নভেম্বর সারা দেশে আওয়ামীলীগ মিটিং, মিছিল সংঘটিত করবে এ প্রচার সামাজিক মাধ্যমে চলছে। আওয়ামীলীগের কর্মী – সমর্থকদের সামাজিক মাধ্যমে করা নানা পোস্ট ও ভারতে বসে জাহাঙ্গীর কবির নানকের একাধিক সাক্ষাক্ষাৎকারের ফলে সাধারণ জনগণ সহ দেশের পুলিশ বাহিনীর মধ্যে একধরণের আশঙ্কা কাজ করছে। আওয়ামীলীগের কর্মী – সমর্থকরা সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, এই ৩ – ৪ দিনে আওয়ামীলীগের ওপর দায় চাপানোর জন্য সারা দেশে তৃতীয় কোনও একটি মহল বোমাবাজি, আগুন ধরানো, সংঘর্ষ করার চেষ্টা করবে। ফলে দলের লোকজন যেন এবিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করেন।
আগামী ১৩ তারিখ রাজধানীতে আওয়ামীলীগের ডাকে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে একটা উত্তজনার পরিস্থিতি তৈরী হওয়ায় ইতিমধ্যে পুলিশের শীর্ষ কর্তৃপক্ষের তরফে রাজধানী ঢাকার ৫০ টি থানায় বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আওয়ামীলীগের যেকোনো তৎপরতা রুখতে পুলিশকে ২৪ ঘন্টা সদা সতর্ক থাকার নির্দেশ জারি করা হয়েছে। সেনাবাহিনী ৫০ % তুলে নিলেও ইতিমধ্যেই ঢাকায় সেনাবাহিনীর তল্লাশি, টহল বেড়েছে।
কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, হটাৎ কেন সরকারের এই অস্থিরতা ? তাহলে কী আওয়ামীলীগ আগামী ১৩ তারিখের আগের ৩ দিন বিভিন্ন শো ডাউন, মিটিং, মিছিল, বিভিন্ন কর্মকান্ড ও বিভিন্ন ধ্বংসযজ্ঞ চালাবে এ সংক্রান্ত কী কোনও গোয়েন্দা রিপোর্ট পুলিশের হাতে এসেছে ?
বাংলাদেশের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডিএমপির ৫০ টি থানার পুলিশ আগামী ১৩ ই নভেম্বরকে ঘিরে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। গণঅভ্যুত্থানে পালিয়ে যাওয়া আওয়ামীলীগের কর্মীদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে এর পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি মিডিয়া এন্ড পিয়ার এ এইচ এম শাহাদৎ হোসেন সাংবাদিকদের বলেছেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক রাখতে প্রয়োজনীয় নজরদারি এবং আগাম তথ্যের ভিত্তিতে গোয়েন্দা তৎপরতা চলমান রয়েছে। অবৈধ কর্মকান্ড নাশকতা ও সংঘর্ষের চেষ্টা হলে তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাংলাদেশের ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, কয়েকদিন ধরে সামাজিক মাধ্যমে গণঅভ্যুত্থানে পালিয়ে যাওয়া আওয়ামীলীগের শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন নেতা ঢাকায় বিশৃঙ্খলা ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাওয়ার জন্য তাদের দলের কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন। তারা সামাজিক মাধ্যমে ভিডিও বার্তায় সড়কে ব্লকেডের হুমকিও দিচ্ছেন।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেছেন, প্রতিদিনই ঝটিকা মিছিল করার সময় ও প্রস্তুতির সময় ফ্যাসিবাদী লোকজনকে গ্রেফতার করা হচ্ছে, পুলিশ সবসময় তৎপর রয়েছে। নতুন করে কিছু কথা সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো হচ্ছে সেই সামাজিক মাধ্যমের পেজ গুলিকে গোয়েন্দা নজরদারিতে নেওয়া হয়েছে।












Discussion about this post