মৌলবাদে ভর করে চলা মোহাম্মদ ইউনুস বরাবর বলে এসেছেন সমুদ্রের রাজা বাংলাদেশ। এবার সেই ইউনূসের কথা ধার করেই সমুদ্রের রাজা বাংলাদেশকে সমুদ্রপথেই ঘিরে নিল ভারত। মোদির ক্ষমতা দেখালো ভারত। ভারতের নৌবাহিনী মুকুটে নতুন পালক। ভারতের এই একটি সিদ্ধান্তেই ভয়ে কাঁপছে ভারতের শত্রু দেশগুলি এই ভারত ছেড়ে দেওয়ার ভারত নয়। অ্যাকশনের বদলে একশান ভারতে ঢুকে কেউ মারবে আর ভারত তা সহ্য করে নেবে মোদির ভারত সেই ভারত নয়। আপনাদের মনে থাকবে। পাকিস্তানের জঙ্গিরা ভারতের পুলয়ামায় ঢুকে হামলা করার পর তৎক্ষণাৎ ভারত অ্যাকশন নিয়েছিল এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জনসমক্ষে বক্তব্য দিয়ে জানিয়েছিলেন শত্রুরা ভারতের দিকে চোখ তুলে তাকালে ভারত সেই শত্রু দেশের ঢুকে আক্রমণ করে আসবে। ভারতের ডিফেন্স সিস্টেম সেই ভাবেই তৈরি আছে এখন। এবার আরও এককদম এগিয়ে বঙ্গোপসাগর ঘিরে ভারতের নৌ বাহিনীর নয়া সিদ্ধান্তে আতঙ্কে কাঁপছে বাংলাদেশ পাকিস্তান চিন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে বঙ্গোপসাগর ঘিরে ভারতের এই নতুন সিদ্ধান্তে মোঃ ইউনুস সহ তথাকথিত তার বাবা পাকিস্তানের রাতের ঘুম উড়ে গেছে। এই প্রতিবেদনে সেই বিষয়েই পুঙ্খানুপুঙ্খ আলোচনায় যাব। তবে বিস্তারিত আলোচনার আগে আপনাদের কাছে অনুরোধ প্রতিবেদনটি শেষ পর্যন্ত দেখবেন।
ভারত বাংলাদেশের উত্তপ্ত সম্পর্কের মধ্যেই নিঃশব্দে বিপ্লব ঘটিয়ে ফেলল ভারতের নৌ বাহিনী।দিল্লির সিদ্ধান্তে একযোগে জব্দ হতে চলেছে তথাকথিত ভারতের শত্রুদের চিন পাকিস্তান বাংলাদেশ। মোল্লা ইউনুসের এবার বলতি বন্ধ হতে চলেছে।ভারতীয় নৌবাহিনীর টিম পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব মেদিনীপুর জেলার হলদিয়ায় নতুন নৌঘাঁটি তৈরি করতে চলেছে। চীন-পাকিস্তান-বাংলাদেশ এই তিন শত্রু দেশের ওপর কড়া নজর রাখতেই নতুন নৌঘাঁটি স্থাপন করছে। এর উদ্দেশ্য হল বঙ্গোপসাগরে ভারতের উপস্থিতি আরও জোরদার করা। বঙ্গোপসাগর সমুদ্রের উপর নজরদারি বাড়ানো এবং চীন-পাকিস্তানের পাশাপাশি বাংলাদেশ সংলগ্ন অঞ্চলের পরিবর্তিত সামুদ্রিক গতিবিধির উপর কড়া নজর রাখাই হলো ভারতের প্রধান উদ্দেশ্য।হলদিয়া হুগলি নদীর তীরে অবস্থিত এবং বঙ্গোপসাগর থেকে প্রায় ১৩০ কিলোমিটার দূরে স্যান্ডহেডস ডিপ-সি এলাকার কাছে এই ঘাঁটি গড়তে চলেছে ভারত। এখানে আগে থেকেই থাকা হলদিয়া ডক কমপ্লেক্স যা বড় সাইজের জাহাজ চলাচলে সক্ষম, ফলে নৌবাহিনীকে প্রাথমিক অবকাঠামো প্রস্তুত অবস্থায় পাওয়া যাচ্ছে।
নতুন নৌঘাঁটিতে মূলত ফাস্ট ইন্টারসেপ্টর ক্রাফট এবং নিউ ওয়াটার জেট ফাস্ট অ্যাটাক ক্রাফট মোতায়েন করা হবে। এই জাহাজগুলি উপকূলীয় নিরাপত্তা, জলদস্যু বিরোধী অভিযান এবং দ্রুত টহলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর ফলে সামুদ্রিক নজরদারি, শত্রু দেশের আক্রমণ হলে তৎক্ষণাৎ ভারতের অ্যাকশন নেওয়ার মতন ক্ষমতা তৈরি হবে।সাম্প্রতিক সময়ে বঙ্গোপসাগরে চিনের দাদাগিরি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বাংলাদেশে চট্টগ্রাম ও পায়রা বন্দরের মতো অবকাঠামো প্রকল্পে চিন বড় বিনিয়োগ করেছে। এর পাশাপাশি বাংলাদেশি নৌবাহিনীও চিনা যুদ্ধজাহাজ ও সাবমেরিন পাচ্ছে। অন্যদিকে পাকিস্তান আগেই চিনা নৌ-প্ল্যাটফর্ম, সাবমেরিন ও নজরদারি ব্যবস্থার সাহায্যে নিজের সামুদ্রিক সক্ষমতা বাড়িয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে ভারতের অবস্থিত পশ্চিমবঙ্গের হলদিয়ার ঘাঁটি পূর্ব দিকে গড়ে ওঠা চিন-পাকিস্তান-বাংলাদেশ এই শত্রুর ত্রিশক্তির সামুদ্রিক সমীকরণের উপর নজর রাখার জন্য ভারতের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠবে।
হলদিয়ার কৌশলগত অবস্থান ভারতীয় নৌবাহিনীকে বঙ্গোপসাগর থেকে মালাক্কা প্রণালীর দিকে যাওয়া সামুদ্রিক যাতায়াতের উপর নজরদারি বাড়াতে সাহায্য করবে। এটি বিশ্ব বাণিজ্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পথ, যেখানে চিনের সার্বিকভাবে তৎপরতা ক্রমশ বাড়ছে যা আগে থেকেই নজরে রেখে চলেছিল নয়া দিল্লি। এবার ভারতের এই সিদ্ধান্তে কাঁপতে চলেছে চিন সহ গোটা পাকিস্তান ও বাংলাদেশ। অন্যদিকে এই নতুন ঘাঁটি আন্দামান-নিকোবার কমান্ডের সঙ্গে সমন্বয় বাড়াতে সাহায্য করবে এবং পূর্ব সামুদ্রিক ফ্রন্টে ভারতের প্রতিক্রিয়া ক্ষমতা আরও দ্রুত করবে। প্রয়োজন হলে যে কোন জরুরি পরিস্থিতিতে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় এই ঘাঁটি ফরোয়ার্ড ডিপ্লয়মেন্টের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে ভারতের কাছে। INS চিলকা-সহ পূর্ব উপকূলের অন্যান্য ঘাঁটিও এর ফলে আরও শক্তিশালী হবে ভারতের। এতে পূর্ব সামুদ্রিক ফ্রন্টে ভারতের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে।
হলদিয়ায় অবস্থিত এই ঘাঁটি শুধু সামরিক উদ্দেশ্যেই নয়, বরং দুর্যোগ মোকাবিলা, শত্রু মোকাবিলা,ঘূর্ণিঝড় ও বন্যার সময় ত্রাণ ও উদ্ধার কাজ, এবং নন-কমব্যাট্যান্ট ইভাকুয়েশন অপারেশনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।বঙ্গোপসাগরে পরিবর্তিত চিন-পাকিস্তান-বাংলাদেশ সামুদ্রিক সমীকরণের মধ্যে ভারত তার সামুদ্রিক নিরাপত্তা রক্ষা কোনমতেই আপস করবে না নয়া দিল্লি। হলদিয়ায় নতুন নৌঘাঁটি স্থাপনের মাধ্যমে ভারতের স্পষ্ট বার্তা বঙ্গোপসাগরে কোনও বাহ্যিক চাপের জবাব দিতে দেশ সম্পূর্ণ প্রস্তুত। বাংলাদেশের নিকট সীমান্তে পশ্চিমবঙ্গের হলদিয়ায় ভারতের এই নতুন নৌঘাঁটি পাকিস্তান চিনের পাশাপাশি যে মুহাম্মদ ইউনূসের বাংলাদেশের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।
আশঙ্কা ছিলই। আর সেটাই সত্যি হল। এনসিপিতে ভাঙন লক্ষ্য করা গিয়েছিল। এখন সেটা স্পষ্ট। এনসিপি থেকে নতুন রাজনৈতিক দলের জন্ম...
Read more












Discussion about this post