বাংলাদেশের পালাবদলের পর অন্তর্বর্তী সরকার ডক্টর মহম্মদ ইউনুস ক্ষমতায় আসার পর পাকিস্তানের সাথে সক্ষতা বাড়িয়েছে। হাসিনা সরকার থাকা অবস্থায় যে পাকিস্তান বাংলাদেশের ছায়া পেরাত না সেই পাকিস্তানই এখন বাংলাদেশের সাথে গলায় গলায়। ইউনুস ক্ষমতায় আসার আগেই একের পর এক ভারত বিরোধী কথা বলেছে। এমনকি এর ব্যাতিক্রম হয়নি ক্ষমতায় আসার পরেও। বাংলাদেশে বর্তমানে পাকিস্তানের জঙ্গি সংগঠনের নেতারাও সফর করে ভারত – বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকা পরিদর্শন করেছে। পাশাপাশি ভারত – বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকায় গজিয়ে উঠেছে নানান জঙ্গি ঘাঁটি। এই জঙ্গি সংগঠনের প্রশিক্ষণের দায়িত্বে রয়েছে পাকিস্তানের দুটি জঙ্গি সংগঠন। বাংলাদেশে দেখা যাচ্ছে পাকিস্তানের একাধিক সামুদ্রিক জাহাজ। সাথে পাকিস্তানী নেভির অফিসাররা বাংলাদেশে অবস্থান করছে। চট্টগ্রাম বন্দরে অবস্থান করছে পাকিস্তানের যুদ্ধ জাহাজ। ভারতের তরফে ইউনুসকে হুঁশিয়ারি দিয়ে ভারত – বাংলাদেশ সীমান্তে নোটাম জারি করেছে রাজনাথ সিং। ফলে সহ্যের বাঁধ ভাঙলে ভারতের তরফে পাকিস্তানের স্মৃতি মনে করিয়ে বাংলাদেশকে সাবধান বাণী দেওয়া হয়। পাশাপাশি ভারত পাকিস্তানকেও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলে অপারেশন সিঁদুর ২ হলে ভারত এক চুল ও ছাড় দেবে না।
দিল্লির বিস্ফোরণে কলকাতা সহ একাধিক জায়গায় ইতিমধ্যেই চলছে নাক চেকিং এবং জারি করা হয়েছে রেড এলার্ট। কিন্তু দিল্লির বিস্ফোরণে ভারতের সন্দেহের তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশ। কারণ, পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর এক পদস্থ কর্মকর্তা কিছুদিন আগে বলেছিল পাকিস্তান বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করে ভারতকে আক্রমন করবে। ভারতের পূর্ব দিক দিয়ে হামলা করবে পাকিস্তান যা বাংলাদেশের ভূখণ্ড। সাথে পাকিস্তানের লস্কর – ই – তৈবার একাধিক জঙ্গি বাংলাদেশ হয়ে নেপাল হয়ে ভারতে প্রবেশ করেছে। ফলে উক্ত সকল কারণের জন্য মনে করা হচ্ছে দিল্লির এই বিস্ফোরণে বাংলাদেশের হাত থাকতে পারে। গোয়েন্দা রিপোর্টে যদি ধরা পরে এই ভয়াবহ বিস্ফোরণে বাংলাদেশেরও হাত আছে তবে অপারেশন সিঁদুরের থেকেও বেশি ঝড় বইতে চলেছে বাংলাদেশের ওপর। বাংলাদেশের থেকে পাকিস্তান শক্তিশালী হওয়ার পরেও ভারত অপারেশন সিঁদুরে পাকিস্তানের কি অবস্থা করেছিল তা সকলেরই জানা। কিন্তু ভারত ক্ষিপ্ত হলে ক্ষুদ্র রাষ্ট্র বাংলাদেশের যে কি পরিণতি হতে পারে তা কল্পনাও করা যাচ্ছে না।
বাংলাদেশে ইউনূসের আমলে পাকিস্তানি দৌড়াত্ব বেড়েছে আকাশ ছোয়া। মহম্মদ ইউনুস বাংলাদেশকে বানিয়ে ফেলেছে এক জঙ্গি রাষ্ট্র। পাকিস্তানের তরফে বলা হয়েছে বাংলাদেশ তাদের ভাই। সাথে বাংলাদেশকে ব্যবহার করে তারা ভারতের সাথে যুদ্ধ করার ইচ্ছা বারবার প্রকাশ করেছে। ফলে ইউনূসের এ সকল কারণে ভারত পদ্দক্ষেপ নিলে বাংলাদেশের সীমান্ত লাগোয়া মানুষদের জীবন সবচেয়ে বেশি বিপন্ন হয়ে যাবে। ফলে ইউনূসের এই পাকিস্তান প্রীতি ও ভারতের বিস্ফোরণে সন্দেহের তালিকায় থাকা বাংলাদেশের আগামীতে বিপদ আসন্ন।












Discussion about this post