ইউনূস জমানায় পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের আচমকা প্রেম-ভালোবাসার সম্পর্ক তৈরি হওয়ার পর থেকে ভারত সতর্ক হতে শুরু করে। সীমান্তে বাড়িয়ে তোলা হয় নজরদারি। সেনাগোয়েন্দারা এমন কিছু গোপন তথ্য হাতে পেয়েছেন যে তথ্য বলছে, আইএসআই এবং বাংলাদেশের বেশ কিছু মৌলবাদী শক্তির নিশানা হয়ে উঠেছে ভারত। তারা যে কোনও উপায়ে এ দেশ করে অস্থির করে তোলার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। হাসিনার সময়ে যে পাকিস্তান বাংলাদেশের দরজায় পা রাখার সাহস দেখায়নি, সেই আইএসআই এখন ইউনূস জমানায় বাংলাদেশ হয়ে উঠেছে স্বর্গরাজ্য। আমরা ইতিমধ্যে জেনে গিয়েছিল যে ঢাকায় পাকিস্তান হাইকমিশনে খোলা হয়েছে আইএসআই-য়ের একটি দপ্তর। ফলে, ভারতের বিরুদ্ধে আগে যত ধরনের নাশকতার কাজ হত পশ্চিম দিক থেকে এখন সেই কাজটা পাকিস্তান করছে পূর্বদিক থেকে। আমরা এটাও জেনেছি, যে সম্প্রতি পাকিস্তান সেনার দ্বিতীয় সর্বোচ্চকর্তা সাহির সামসাদ মির্জা বাংলাদেশ যান। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সে দেশের সেনার বেশ কয়েকজন সদস্য। তদারকি সরকার প্রধানের সঙ্গে মির্জা বৈঠক করেন। সূত্রের খবর, তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি, যা এতোদিন পর্যন্ত পাকিস্তানের হাতের নাগালের বাইরে ছিল। সেনাসূত্রে পাওয়া খবর উদ্ধৃত করে ভারতের একটি গণমাধ্যম বলছে, আগামী ৪৮ ঘণ্টা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। ইতিমধ্যে ভারত নোটাম জারি করেছে।
ভারতের একটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তান তাদের সীমান্তে সেনা মোতায়েন করেছে। সীমান্তে মোতায়েন করা হয়েছে অস্ত্রশস্ত্র গোলাবারুদ। তাদের এই তৎপরতার কারণ, সে দেশের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার জোরের সঙ্গে দাবি করেন যে তিনি নির্ভরযোগ্য সূত্রে খবর পেয়েছে, যে আগামী ২৪ থেকে ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে ভারত তাদের ওপর হামলা চালাবে। ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সেনাবাহিনীর তিন শাখার প্রধানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বাহিনীকে তিনি ‘চূড়ান্ত স্বাধীনতা’ দিয়েছেন। অপর দিকে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ডিজি দলজীৎ সিং চৌধুরী বর্তমানে কলকাতায় বাহিনীর সদর দফতরে রয়েছেন। সেখানে থেকে তিনি পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছেন।
ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর তরফ থেকেও কড়া পদক্ষেপ করা হয়েছে। বিএসএফের এক পদস্থ কর্তা ওই ভারতীয় গণমাধ্যমকে জানিয়েছে, বাংলাদেশের তৈরি হওয়া পরিস্থিতির নিরিখেই এই পদক্ষেপ। সে দেশের মাটিতে পাকিস্তান সেনার আনাগোনা অস্বাভাবিক হারে বেড়ে গিয়েছে। সেই সঙ্গে ওপার থেকে বহু লোক সীমান্ত পেরিয়ে এ দেশে আসতে শুরু করেছে। দুইটি বিষয় মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ওই ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসলামাবাদ সে দেশের বেশ কয়েকটি মৌলবাদী শক্তির সঙ্গে হাত মিলিয়েছে। সেই সব মৌলবাদী গোষ্ঠীর শাখা ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তেও রয়েছে। তাদের নিশ্চিহ্ন করতে সীমান্তে সেনাবাহিনী শুরু করেছে অপারেশেন।
ওয়াকফ সম্পত্তি নিয়ে সম্প্রতি মুর্শিদাবাদে তৈরি হয় অস্থিরতা। ঘটনায় মৃত্যু হয় তিনজনের। গোয়েন্দারা রিপোর্ট পেয়েছে, সেই ঘটনার পিছনে হাত রয়েছে বাংলাদেশের বেশ কিছু মৌলবাদী গোষ্ঠীর। পরিস্থিতি একেবারেই যে ভারতের অনুকূলে নয়, সেটা টের পেয়ে গিয়েছে সেনাসদর। তাই, তারা আর চুপচাপ বসে থাকতে নারাজ। ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’ একটি রিপোর্ট জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের হাতে তুলে দিয়েছেন। সেই রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে তিনি বাহিনী সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে রাখতে বলেছেন।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post