যে কোনও মূল্যে ভারতকে অশান্ত করার পরিকল্পনা নিয়েছে বর্তমান বাংলাদেশ। এর পিছন কাজ করছে পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই। আমরা ইতিমধ্যে জেনে গিয়েছি যে ঢাকায় পাকিস্তান হাইকমিশনে তারা একটি দপ্তর খুলেছে। সেখানে বসেই সাউথব্লকের বিরুদ্ধে যাবতীয় ষড়যন্ত্রের নকশা তৈরি চলছে। নির্ভরযোগ্য সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে ভারতের একটি গণমাধ্যম থেকে বলা হয়েছে,সীমান্তে বড় ধরনের অনুপ্রবেশের ছক তৈরি করা হয়েছে। ভারতীয় গোয়েন্দারা পেয়েছে বেশ কিছু অডিও ক্লিপস। সেখানে শোনা গিয়েছে বাংলাদেশের সন্ত্রাসী সংগঠন এবং তাদের ভারতীয় শাখার সদস্য, সন্ত্রাসী সংগঠনগুলিকে অর্থ জোগান দেওয়া প্রতিষ্ঠানের সদস্যদের মধ্যে কথোপকথন। সেই অডিও ক্লিপিংয়ে শোনা গিয়েছে, ওই সব সন্ত্রাসী সংগঠন ভারতের তাদের ‘মহানুভব’, তাদের সহমর্মিতাদের সঙ্গে ক্রমাগত যোগাযোগ রেখে চলেছে। সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে এরা ভারতের বেশ কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে গোপনে ঘুঁটি সাজাচ্ছে। সেই সব রাজ্যের মধ্যে রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, মুর্শিদাবাদ, মালদা এবং বীরভূম। এই চার রাজ্যের মধ্যে গোয়েন্দাদের বিশেষ নজরে রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা। গোয়েন্দারা লক্ষ্য করে দেখেছেন এই জেলায় আচমকাই বেশ কয়েকটি মৌলবাদী শক্তি মাথা চাড়া দিতে শুরু করেছে। গোয়েন্দাদের নজরে রয়েছে বেশ কয়েকজন নিষ্ক্রিয় হয়ে যাওয়া বেশ কয়েকজন নকশাল নেতা। সূত্রের খবর, বাংলাদেশের এই সব মৌলবাদী শক্তি ওই সব নিষ্ক্রিয় নকশাল নেতাদের সঙ্গে গোপনে যোগাযোগ রেখে চলেছে। চাইছে, তাদের আবার মাঠে নামিয়ে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অপরাধ সংগঠিত করার।
উল্লেখ করা যেতে পারে, পশ্চিবঙ্গে নকশাল আন্দোলন দমন করতে তৎকালী সরকার বেশ কিছু কড়া পদক্ষেপ করে। পরবর্তীকালে অবশ্য এই পদক্ষেপ নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছে। হয়েছে তর্কবিতর্ক। পক্ষে-বিপক্ষে যুক্তি পাল্টা যুক্তিতে আলোচনা সরগরম হয়ে ওঠে। গোয়েন্দারা নির্ভরযোগ্য সূত্রে খবর পেয়েছে,সেই সময় যে সব নকশাল নেতা আত্মসমর্পণ করেনি বা রহস্যজনকভাবে উধাও হয়ে যান, ওই সব নকশাল নেতাদের সঙ্গে বাংলাদেশে বেশ কিছু মৌলবাদী শক্তি এবং বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তি যোগাযোগ করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
নির্ভরযোগ্য সূত্রে ভারতের গোয়েন্দারা খবর পেয়েছে বাংলাদেশে বসে আইএসআই য়ের পরিকল্পনা এবার একটু অন্যরকম। প্রথমত তারা পশ্চিমবঙ্গ সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ ঘটাতে চাইছে। প্রাধান্য দিচ্ছে পশ্চিমবঙ্গকে। ভারতীয় সেনা বা সীমান্তরক্ষী বাহিনী যখন এই বিষয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়বে, তখন আইএসআই ভারতে ঢুকিয়ে দেবে তাদের এজেন্ট। সেই সব এজেন্টদের কাজ হবে ভারতের বুকে নাশকতামূলক কাজ সংঘটিত করা। ভারতের একটি সংবাদমাধ্যমে একটি পরিসংখ্যান তুলে ধরে বলা হচ্ছে, গত তিন বছরে ২,৬৮৮ বাংলাদেশি ভারত ভূখণ্ডে ঢোকার চেষ্টা করে। এর মধ্যে শুধু দক্ষিণবঙ্গেই ২৪১০ জন সীমান্ত পেরিয়ে ভারত ভূখণ্ডে ঢোকার চেষ্টা করে। তুলনামূলকভাবে উত্তরবঙ্গ সীমান্ত দিয়ে ২৭৮ জন।
এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউনূস বাংলাদেশের ক্ষমতা দখলের পর সে দেশের বিভিন্ন মৌলবাদী সংগঠনের কাছে হয়ে উঠেছে পৌষমাস। হরকত-উল-জাহিদি ইসলামি, আনসারুল্লাহ বাংলা টিম, জামাত-ই-উল মুজাহিদিন বাংলাদেশ, হিজবুত-তাহরি-রের মতো মৌলবাদী সংগঠনগুলি হাতে হাত মিলিয়েছি। তারা যৌথভাবে ভারতের বুকে বিচ্ছিন্নতাবাদী কার্যকলাপ সংগঠিত করতে চাইছে। আইএসআই মনে করছে, এই সব গোষ্ঠীগুলির একটি মতাদর্শের ভিত্তিতে চলে। ফলে, তাদের মধ্যে মতের অমিল হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তাছাড়া এই সব সংগঠনের শাখা রয়েছে ভারতে তবে অন্যভাবে। এদের এবার কাজে লাগাতে হবে।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post