২৪ শের পালাবদলের সাথে সাথে হাসিনার দেশত্যাগ ও বাংলাদেশের সিংহাসনে ইউনূসের আগমন যেন বাংলাদেশের ইতিহাসের এক কালোতম অধ্যায়ের সূচনা। গত দেড় বছরে ইউনূস শাসন হারে হারে টের পাচ্ছে পদ্মাপাড়ের দেশটি। খুন রাহাজানি ধর্ষণ সরকারি জিনিসপত্র লুটপাট মবের নামে লুটপাট ছিনতাই ও সর্বশেষ সংযোজন বাংলাদেশের সনাতনী হিন্দুদের উপর লাগাতার অত্যাচার আজ যেন বাংলাদেশের জলভাত হয়ে দাঁড়িয়েছে।ইউনূস সরকারের জমানায় হাসিনার দল আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ ঘোষিত হয়েছে। দেশত্যাগী সাবেক প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে হয়েছে তাঁর ফাঁসির সাজা। যদিও সেই ক্যাঙ্গারু কোটের অর্থাৎ ট্রাইবুনাল কোর্টের বিচার নিয়ে প্রশ্ন থেকেই গেছে বারংবার।এই আবহে আওয়ামী লীগের তরফে আবেদনপত্র প্রকাশ করে ভোট বয়কটের ডাক দেওয়া হয়েছে। ‘নো বোট নো ভোট’। আর যা নিয়েই বাংলাদেশের আওয়ামী লীগ সমর্থকরা পালে হাওয়া পেয়েছে। এবং বাংলাদেশের নির্বাচন সমীকরণ দাঁড়িয়ে রয়েছে সেই আওয়ামী লীগ ভোটারের ভোট কোন দিকে যায় তার দিকে তাকিয়ে। এরই মধ্যে হাসিনার দলের অর্থাৎ আওয়ামী লীগের ‘নো বোট নো ভোট’বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক যুগান্তকারী ঘটনার সমীক্ষণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। এই ইংরেজি শব্দের বঙ্গানুবাদ করলে দাঁড়ায়, নৌকা যেটি আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রতীক না থাকলে ভোট নয়। মঙ্গলবার এই স্লোগান দিয়েই বাংলাদেশবাসীর কাছে মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী তত্ত্বাবধানে আয়োজিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বয়কটের ডাক দিলেন ক্ষমতাচ্যুত বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
ইউনূস সরকারের জমানায় হাসিনার দল আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ ঘোষিত হয়েছে। দেশত্যাগী প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে হয়েছে তাঁর ফাঁসির সাজা। এই আবহে আওয়ামী লীগের তরফে প্রকাশিত দেড় পাতার আবেদনপত্রের গোড়ায় জাতির উদ্দেশে হাসিনার আর্জি-ফ্যাসিস্ট ইউনূস জঙ্গি পাহারায় ভোট করাতে চায়। সেই ভোট দিতে যাবেন না। যে ব্যালটে নৌকা প্রতীক থাকবে না, যে নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশগ্রহণ করতে পারবে না, সেখানে আমাদের সমর্থক কোনও ভোটারেরা কেউ ভোটকেন্দ্রে যাবেন না। বাংলাদেশে অবস্থিত কয়েক কোটি আওয়ামী লীগ সমর্থক যদি নেত্রী হাসিনার ডাকে সাড়া দিয়ে ভোট বয়কট করে বসে তাহলে বাংলাদেশের নির্বাচন ভারের মা ভবানী হয়ে দাঁড়াবেসেটি আজ ৮ থেকে ৮০ সবারই জানা। তা হারে হারে টের পাচ্ছেন মোল্লা ইউনূস সাহেব নিজেও।
উল্লেখিত এই আবেদনপত্রে হাসিনার বার্তায় গণতন্ত্রপ্রিয় দেশবাসীর উদ্দেশে বলা হয়েছে-ভয়-ভীতি, হত্যা, সন্ত্রাস, গ্রেফতার, হুমকি, অত্যাচার, দমন-পীড়ন, অপহরণ, নিষ্ঠুর মবসন্ত্রাসের নামে গণপিটুনি যাই করুক না কেন হাসিনা প্রিয় আওয়ামী লীগ সমর্থকরা ভোট দিতে যাবেন না।প্রসঙ্গত, মাস তিনেক আগে রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ভোট বয়কটের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন হাসিনা। তিনি বলেছিলেন, ‘বাংলাদেশের পরবর্তী সরকারের নির্বাচনী বৈধতা থাকা উচিত। লক্ষ লক্ষ মানুষ আওয়ামী লীগকে সমর্থন করেন। এখন যা পরিস্থিতি, তাতে তাঁরা ভোট দেবেন না। আপনি একটি কার্যকরী রাজনৈতিক ব্যবস্থায় লক্ষ লক্ষ মানুষের ভোটাধিকার কাড়তে পারেন না।’প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের নির্বাচন হবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি। ওই দিন একই সঙ্গে হবে জুলাই সনদ নিয়ে গণভোটও। গত ১২ ডিসেম্বর থেকেই মনোনয়ন জমা নেওয়া হয়েছে। চলেছে ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত। ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি হয়েছে মনোনয়ন পরীক্ষার কাজ। মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্তগুলির বিরুদ্ধে ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত আপিল করেছেন বাদ পড়া প্রার্থীরা। ১২ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে সেই আপিলগুলির যথার্থতা যাচাইয়ের কাজ শুরু হয়েছে। চলবে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। চূড়ান্ত প্রার্থিতালিকা প্রকাশ এবং নির্বাচনী প্রতীক নির্ধারণ করা হবে ২১ জানুয়ারি। আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারের পালা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি। চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত।
এই অবস্থায় যদি দলনেত্রী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী হাসিনার ডাকে সাড়া দিয়ে আওয়ামী লীগ সমর্থকরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করেন অর্থাৎ ভোট বয়কট করে বসেন তাহলে বাংলাদেশের নির্বাচনী উৎসব কোন দিকে গড়ায় সেটিই এখন দেখার বিষয়।
আশঙ্কা ছিলই। আর সেটাই সত্যি হল। এনসিপিতে ভাঙন লক্ষ্য করা গিয়েছিল। এখন সেটা স্পষ্ট। এনসিপি থেকে নতুন রাজনৈতিক দলের জন্ম...
Read more












Discussion about this post