বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এখন আলোচিত ও সমালোচিত একটি নাম ওবায়দুল কাদের। গতবছর গণঅভ্যুত্থানের পর দীর্ঘ সময় গাঁ ঢাকা দেওয়ার পর অবশেষে প্রকাশ্যে এসে মুখ খুলেছেন এই আওয়ামী লীগ নেতা। দীর্ঘ এই দশ মাসে তিনি কার্যত নিশ্চিহ্ন ছিল বাংলাদেশের রাজনীতিতে যার ফলে তাকে নানা রকম গল্প আলোচনা সবটাই ছিল অব্যাহত। এবার ভারতের কলকাতার অবস্থান করে কথা বলতে শুরু করেছেন ওবায়দুল।
সরকার পতনের পর দশ মাস কেটে গিয়েছে আর হঠাৎ করেই বর্তমানে এই পরিস্থিতিতে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের তিনি প্রকাশ্যে এসে বিবৃতি দিলেন।
এর পরে দেখা গেল ওবায়দুল কাদের তিনি বিভিন্ন গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতেন এবং অভ্যুত্থান পরবর্তী পরিস্থিতিতে তিনি কি করেছিলেন কিভাবে নিজেকে রক্ষা করেছিলেন সেই সম্বন্ধে বলতে গিয়ে তিনি একটি গল্প সামনে এনেছিলেন। যা নিয়ে শুরু হয়েছিল তুমুল আলোচনা সমালোচনা।
এবার বিবিসি বাংলার সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে ওবায়দুল কাদের এখনও নিজেকে বাংলাদেশে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবেই দাবি করেছেন। এই সাক্ষাৎকারে প্রশ্ন উঠে আসে কখন তারা আঁচ করতে পেরেছিলেন যে পরিস্থিতি সরকার পতনের দিকে এগিয়ে চলেছে?
ওবায়দুল কাদের জানান, “আভাস ইঙ্গিতটা অবশ্যই ছিল। তবে এটা নিয়ে নানা জনের নানা অভিমত ছিল। এটা আসলে কী ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে, সেটা নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সেনাবাহিনী, তারপরে সিভিল ব্যুরোক্রেসি, আমাদের পার্টির এমপি, মিনিস্টার অনেকেই ছিলেন। এ ধরনের বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল।তবে একেবারেই পাঁচই অগাস্টে যেভাবে একটা বিস্ফোরণের মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল, অত্যন্ত অর্গানাইজড ওয়েতে, সেটা সেভাবে চিন্তা করা হয়নি। আমার মনে হয় ইন্টেলিজেন্স এই বাস্তবতাটাকে যথাযথভাবে বোঝাতে সক্ষম হয়নি।” বিবিসি বাংলার সাক্ষাৎকারে
অর্থাৎ,তার কথায় উঠে এসেছে গোয়েন্দাদের ঘাটতির বিষয় এসেছে।
পাশাপাশি ওবায়দুল কাদেরের জবাবে আওয়ামী লীগের এতদিনের ‘ষড়যন্ত্র তত্ত্বের’ অবস্থানই উঠে এসেছে। অর্থাৎ হঠাৎ করেই ওবায়দুল কাদের যখন বারংবার প্রকাশ্যে আসছেন নিজেকে আওয়ামীলীগ এর সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দাবি করে অভ্যুত্থান পরবর্তী ক্ষমতাচ্যুত দলটির মনোভাব নিয়ে আলোচনা করছে তখন স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠছে, আওয়ামী লীগে ওবায়দুল কাদেরের অবস্থান নিয়ে।












Discussion about this post