এবার পালা বাংলাদেশের! পালিয়েছে পাকিস্তান, রয়ে গিয়েছে বাংলাদেশ। কিন্তু পাক সেনারা যদি বাংলাদেশকে রক্ষা করতে না পারে কি পরিণতি হবে ইউনুসের বাংলাদেশের? এই প্রশ্নটাই যেন বারে বারে উঠে আসছে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। কারণ এমনিতেই ভারতের সঙ্গে আক্রমণ প্রতি আক্রমণের নেমে কোমর ভেঙে দিয়েছে পাকিস্তানের, সেখানে খুব স্বাভাবিকভাবেই পাকিস্তান কিভাবে বাংলাদেশকে রক্ষা করবে বা আদৌ বাংলাদেশকে রক্ষা করবে কিনা সেই প্রশ্নটা সবচেয়ে প্রাসঙ্গিক।
বিগত বেশ কিছুদিনই আমরা দেখেছি যখন ভারত সন্ত্রাসী হামলার প্রত্যাঘাত করেছে পাকিস্তানের ওপর তারপর থেকে পাকিস্তান ও পাল্টা হামলা চালিয়েছে ভারতের উপর কিন্তু এরপরে থর করি কম্পো পরিস্থিতি পাকস্থানের দিকে দিকে ভূমিকম্পের আবহ। এবং এই হামলার সময় দেখা গিয়েছে ভারতীয় সেনা কিভাবে পাকিস্তানের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম গুলিকে ধ্বংস করে দিয়েছে। একপ্রকার পাকিস্তানের মেরুদন্ড ভেঙে দিয়েছে ভারত। পাক সেনারা যে পরমাণুর জিগির তুলে ছিল। সেই জিগিরও যেন ভেঙে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দিয়েছে ভারতীয় সেনা। ভারতের আক্রমণের তীব্রতা এতটাই জোড়ালো ছিল যে পাকিস্তানের দিকে দিকে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। অর্থাৎ ভারতের এই হামলায় কার্যত ভয়ে কাঁপছে পাকিস্তান। খুব স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠছে যারা নিজেদের দেশের সেনাদের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে প্রস্তুত করতে অক্ষম তারা কিভাবে একটি অন্য দেশ অর্থাৎ বাংলাদেশকে রক্ষা করবে?
প্রসঙ্গত,পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার আবহে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে বর্তমানে। সংঘাতের পরিস্থিতির শুরুর দিকেই অবসরপ্রাপ্ত বাংলাদেশি সেনা কর্তা দাবি করেছিলেন, ভারত যদি পাকিস্তানে হামলা করে, তাহলে বাংলাদেশের উচিত সেভেন সিস্টার্স দখল করে নেওয়া। এই ব্যক্তির আরও দাবি, ভারত নিজেই নাকি পহেলগাঁওতে নিজের নাগরিকদের ওপর হামলা করিয়েছে।
বর্তমানে ভারত পাক সংঘর্ষ বিরতির পর বাংলাদেশের আরো দাবি, সংঘর্ষবিরতির ঘোষণার পর দুই দেশের বেশির ভাগ মানুষ, বিশেষ করে সীমান্তবর্তী অঞ্চলের মানুষ স্বস্তি প্রকাশ করেন। কিন্তু হিন্দুরা যুদ্ধবিরতির ঘোষণায় খুশি হতে পারেননি। এই ঘোষণায় তাঁরা হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। অর্থাৎ,হিন্দুত্ববাদী কর্মী, সরকারপন্থী সংবাদমাধ্যম ব্যক্তিত্ব, এমনকি বিজেপি নেতারাও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের মতে, শক্তিমত্তার দিকে এগিয়ে থেকেও যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে ভারত আত্মসমর্পণ করেছে,এমনই বেশ কিছু দাবি বাংলাদেশের। কিন্তু যেখানে বাংলাদেশ পরোক্ষভাবে পাকিস্তানকে সমর্থন এবং সন্ত্রাসবাদে মদত দিয়ে ভারতের কোপের মুখে পড়েছে সেখানে সত্যিই কি, তাদের মুখে ভারতের মত পরমাণু শক্তিধর দেশের বিরুদ্ধে পরাজয়ের কথা মানায়?
উল্লেখ্য,মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হস্তক্ষেপের পর দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা থেমে যায়।
এরপরে, ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি ঘোষণা করেন যে দুই দেশের ডিজিএমও স্থল, আকাশ এবং সমুদ্রে সমস্ত ধরণের গোলাগুলি এবং সামরিক পদক্ষেপ বন্ধ করতে সম্মত হয়েছেন। তবে কয়েক ঘন্টা পরেই পাকিস্তান যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে। আর এরপরই ভারতীয় সেনা পাকিস্তানের সমস্ত হামলার ছক নস্যাত করে দিয়ে আবারো তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। ভয়ংকর আঘাতে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দিয়েছে পাকিস্তানের ড্রোন হামলা। পাশাপাশি নস্যাৎ করেছে বাংলাদেশের বিভিন্ন দাবি গুলিকেও। সেখানেই স্পষ্ট হচ্ছে যেখানে পাকিস্তান এর মত পরমাণু শক্তিধর দেশকে ভারত প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছে সেখানে বাংলাদেশের মত ছোট রাষ্ট্র কে প্রতিহত করতে সর্বদা প্রস্তুত ভারত।












Discussion about this post