১২ ফেব্রুয়ারি উল্লিখিত এই দিনটিতে আদৌ কি বাংলাদেশে নির্বাচন হবে? এখন মনে হয় এটিই দাঁড়িয়েছে কোটি টাকার প্রশ্ন। কারণ শেখ হাসিনার দেশত্যাগের পর পদ্মা পাড়ের পালাবদলের সাথে সাথে ক্ষমতালোভী মৌলবাদী ইউনুস সে দেশের গলিতে বসেই তিনি একের পর এক নিজের ধন দৌলত অর্থ সম্পদ বাড়াতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন এবং বাংলাদেশের আপামর জনগণের উন্নতি তো দূরের কথা তাদের জীবন যাপন হতে সংকটময় হয়ে দাঁড়িয়েছে ইউনূসের রাজত্বে। ২০২৪ থেকে আজ পর্যন্ত ইউনুসের আমলে বারংবার বিভিন্ন কু চক্রকারী কর্মকলাপের জন্য খবরের শিরোনামে উঠে এসেছে দেশটি।২০২৪-এর গণ অভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশ যখন প্রথম সংসদীয় নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন দেশটির অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত সময়সূচি অনুসারে সাধারণ নির্বাচন এবং গণভোট অনুষ্ঠানের জন্য তার সরকারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এরই মধ্যে আসন্ন নির্বাচন পন্ড করতে নিজের ক্ষমতা জাহির রাখতে মঙ্গলবার রাতে ঢাকার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় দুই প্রাক্তন জ্যেষ্ঠ মার্কিন কূটনীতিক অ্যালবার্ট গম্বিস এবং মোর্স ট্যানের সঙ্গে ইউনূসের অতি গোপন একটি সাক্ষাৎ করতে দেখা গেছে। তারপরেই প্রধান উপদেষ্টা আসন্ন বাংলাদেশ নির্বাচন নিয়ে এক সু কৌশলীয় মন্তব্য করে বসেন। ইউনূসের কার্যালয় থেকে এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে বলা হয়েছে জাতীয় নির্বাচন নিয়ে কি রয়েছে মোহাম্মদ ইউনূসের প্ল্যান।বৈঠকে ইউনূস এককদম এগিয়ে উল্লেখ করেন যে ভুয়ো খবরের বন্যা এবং ইচ্ছাকৃতভাবে নির্বাচন সম্পর্কে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা চলছে। তিনি তির্যকভাবে হাসিনা এবং ভারতের দিকে আঙুল তুলেছেন।তিনি জোর দিয়ে বলেন যে তাঁর সরকার ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠান এবং ফলাফল ঘোষণার পর গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কিন্তু আদৌ কি ইউনূসের মুখে বলা কথার দিকেই এগোচ্ছে তার পদক্ষেপ। যা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন রাজনৈতিক মহল। দুই মার্কিন দূতের সাথে গোপন বৈঠক সেরেই এই প্রসঙ্গে আরো চড়া ভাষায় ইউনূস জানান-‘যে যাই বলুক না কেন, নির্বাচন ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবেই একদিন আগেও না,একদিন পরেও না’।তিনি আরও নিশ্চিত করেছেন যে, ২০২৪ সালে দেশে সংঘটিত অস্থিরতার পর প্রথমবারের মতো এই নির্বাচন ‘শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে’ অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু ইউনূসের মুখে বলার কথা আর বর্তমান বাংলাদেশের পরিস্থিতির মধ্যে আকাশ পাতালের পার্থক্য। এখন বাংলাদেশের অশান্তি নিত্য দিনের জলভাত হয়ে দাঁড়িয়েছে সেই অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে দাঁড়িয়ে কিভাবে বাংলাদেশের সুষ্ঠু নির্বাচন হবে এই নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
মহম্মদ ইউনূস জানান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নির্বাচনের সময় সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে, একটি নিরপেক্ষ প্রশাসন এবং সকল রাজনৈতিক দলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করবে স্বয়ং ইউনূস নিজে। বিবৃতিতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে যে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের আগে বাংলাদেশে সরকারি সফরে এসেছেন প্রাক্তন ভারপ্রাপ্ত আন্ডার সেক্রেটারি অফ স্টেট অ্যালবার্ট গম্বিস এবং প্রাক্তন অ্যাম্বাসেডর-অ্যাট-লার্জ মোর্স ট্যান।এক ঘণ্টার উপরে চলা যমুনার বৈঠকে ইউনূস এবং মার্কিন কূটনীতিকরা জুলাই মাসের অস্থিরতা এবং তার পরবর্তী পরিস্থিতি, তরুণ বিক্ষোভকারীদের উত্থান, জুলাই সনদ এবং গণভোট, ভোটকে লক্ষ্য করে ভুয়া খবর এবং ভুল তথ্য, রোহিঙ্গা সংকট এবং জুলাই-পরবর্তী বাংলাদেশে সত্য ও পুনর্মিলনের সম্ভাবনা সম্পর্কিত বিস্তৃত বিষয়ের উপর আলোকপাত করেন। প্রধান উপদেষ্টা মোঃ ইউনূস উল্লেখ করেন যে জুলাই সনদ – যা জনগণের দ্বারা অনুমোদিত হবে – গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার একটি নতুন যুগের সূচনা করবে এবং ভবিষ্যতে স্বৈরতন্ত্রের জন্য কোনও স্থান রাখবে না।
ইউনূস আরও দাবি করেন যে, তিনি যাকে প্রাক্তন স্বৈরাচারী শাসন বলে বর্ণনা করেছেন অর্থাৎ শেখ হাসিনা তার সমর্থকরা নির্বাচন সম্পর্কে ভুল তথ্য ছড়ানোর কাজে লিপ্ত ছিল।কিন্তু মানুষ সতর্ক। ক্রমবর্ধমানভাবে, তারা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-নির্ভর ভুল তথ্যের ভিডিও সনাক্ত করতে পারে।
এখান থেকেই অনেক প্রশ্নের জন্ম দেয় যে ইউনূস সদাই মুজিবুর রহমান ও তার কন্যা শেখ হাসিনা ও তার দল আওয়ামী লীগের চরম বিরোধিতা করে এসেছেন প্রথম থেকেই হঠাৎ নির্বাচনের প্রাক্কালে সেই আওয়ামী লীগ সমর্থক ও শেখ হাসিনাকে নিয়ে এত ভয় কেন পাচ্ছেন তবে কি তিনি বুঝতেই পারছেন সেই সহজ অংকটা যেখানে আওয়ামী লীগের কয়েক কোটি ভোটার যদি হাসিনার ডাকে সাড়া দিয়ে ভোট বয়কট করে তাহলে কি অবস্থা হতে চলেছে বাংলাদেশের ত্রয়োদশ নির্বাচনের?
সকলের নজর এখন সেই দিকেই।
আশঙ্কা ছিলই। আর সেটাই সত্যি হল। এনসিপিতে ভাঙন লক্ষ্য করা গিয়েছিল। এখন সেটা স্পষ্ট। এনসিপি থেকে নতুন রাজনৈতিক দলের জন্ম...
Read more












Discussion about this post