ঘটনা বহুল পরিস্থিতির সম্মুখীন বাংলাদেশ সীমান্ত। ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জিগির তুলে ত্রিশক্তির চাপের মুখে পড়েছে বাংলাদেশ। আর এতেই গৃহযুদ্ধ বেঁধে গেল বাংলাদেশ বাহিনীর মধ্যে।গৃহযুদ্ধের প্রভাবে উত্তাল হয়ে পড়েছে বাংলাদেশ সীমান্ত। লাগাতার গুলির লড়াইয়ে প্রাণ যাচ্ছে মুহুর মুহুর পাশের দেশের ত্রিমুখী সংঘর্ষ গিলে খাচ্ছে পদ্মাপাড়ের সাধারণ মানুষকে। অশান্ত হয়েছে মায়ানমার। সেখানকার রাখাইন রাজ্যের জুন্টা বাহিনী, আরাকান আর্মি এবং রোহিঙ্গা সশস্ত্র সংগঠনগুলির মধ্যে চলছে ত্রিমুখী গুলির সংঘর্ষ।যার জেরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে বাংলাদেশেও। সীমান্তের ওপার থেকে আসা গুলি এবং গোলায় বাংলাদেশ-মায়ানমার সীমান্তের টেকনাফ এলাকায় গুরুতর আহত হয়েছেন একাধিক বাংলাদেশি, সেই সংঘর্ষের প্রভাবে আহত হয়ে পড়েছে বাংলাদেশী বহু শিশু। বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবার সীমান্ত এলাকায় মাথায় গুলিবিদ্ধ হয় ন’বছরের এক বাংলাদেশি শিশু। আপাতত আশঙ্কাজনক অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিক্যালের আইসিইউ থেকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে তাঁকে। এই ঘটনার কিছুদিন আগেই সীমান্ত এলাকায় মাইন বিস্ফোরণের পা হারিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মহম্মদ হানিফ নামে আরও এক বাংলাদেশি। বাংলাদেশ ঘেঁষা মায়ানমারের এই রাখাইন এখন উত্তেজনার কেন্দ্র। জুন্টা বাহিনীর সঙ্গে আরাকান আর্মির লড়াই একেবারে চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে।বাংলাদেশের টেকনাফ ও সেন্ট মার্টিনের ঠিক উল্টো দিকে মংডু শহর দখলের জন্য চলছে লড়াই। তার মধ্যে আবার জুন্টা বাহিনী বনাম আরাকান আর্মির মাঝে ঢুকে পড়েছে একাধিক রোহিঙ্গা সশস্ত্র সংগঠন। এবার এই আবহেই মঙ্গলবার মায়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে তলব করে বাংলাদেশের উপদেষ্টা মহলের বিদেশ মন্ত্রক। সীমান্ত পেরিয়ে আসা গোলা-গুলি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিদেশমন্ত্রকের উপদেষ্টা। এমনকি, সীমন্তে নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বা বিজিবিকেও নির্দেশ দিয়েছে তারা। এদিন আবার বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর কমান্ডর কর্নেল মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘ওপারে যে সকল গোষ্ঠী সংঘর্ষে লিপ্ত রয়েছে, আমরা তাদের ব্যাপারে অবগত। আমরাও অপারেশন শুরু করেছি। সীমান্ত এলাকা থেকে মোট ৫২ জন রোহিঙ্গাকে আটক করে বাংলাদেশের আদালতে পাঠানো হয়েছে। আর একজন অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গা আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি। এই ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে পড়ে বাংলাদেশের পরিস্থিতি। ক্যান্টনমেন্ট থেকে গভীর বৈঠক করে তড়িঘড়ি সেনাবাহিনীর উদ্দেশ্যে ছুটে যান সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামান। যদিও এই প্রসঙ্গ নিয়ে সেনাপ্রধান এবং প্রধান উপদেষ্টা মোঃ ইউনূসের মধ্যে কোনরকম কোন বৈঠকের প্রসঙ্গ সামনে আসেনি। একদিকে যখন বঙ্গোপসাগরের উপর ভারতের নৌ বাহিনীর সর্বশক্তি প্রভাব অন্যদিকে পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্রের হামলায় তোর আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে বাংলাদেশ। সে দেশের সেনাবাহিনী সেনাপ্রধানের তৎপরতা ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার বক্তব্য থেকেই তা প্রকাশ্য পাচ্ছে।
আশঙ্কা ছিলই। আর সেটাই সত্যি হল। এনসিপিতে ভাঙন লক্ষ্য করা গিয়েছিল। এখন সেটা স্পষ্ট। এনসিপি থেকে নতুন রাজনৈতিক দলের জন্ম...
Read more












Discussion about this post