রাষ্ট্রীয় সংসেবক সংঘের প্রধান মোহন ভগবত দলীয় সভায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে কড়া দাবি তুললেন। বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন মোহন ভগবত। তার প্রতিটি কথায় উঠে এসেছে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দু নির্যাতনের প্রসঙ্গ। যেভাবে সে দেশে খুন,ডাকাতী, নারী নির্যাতন বেছে বেছে হিন্দুদের অত্যাচার করা হচ্ছে, এই সমস্ত কিছুর জন্য তিনি সরাসরি দায়ী করেছে বাংলাদেশের অনির্বাচিত সরকারের প্রধান মোহাম্মদ ইউনুসকে। এই সরকার যে লক্ষ্য নিয়ে দেশের ক্ষমতায় এসেছে তাহলে হিন্দু নিধন। আর এটা মানবে না গোটা ভারত তথা সংঘ পরিবার।
ভারত একটি হিন্দু রাষ্ট্র সেই দেশে হিন্দুরা বাস করবে আর অবিলম্বে সেই ব্যবস্থা করতে হবে ভারতের প্রধানমন্ত্রী কে এমনটাই দাবি রাষ্ট্র স্বয়ংসেবক সংঘের প্রধানের। পাশাপাশি তিনি আরো দাবি করেছেন বাংলাদেশের অন্তবর্তী সরকারের প্রধান মোহাম্মদ ইউনুস কে সন্ত্রাসবাদী ঘোষণা করতে হবে ভারত সরকারকে। অর্থাৎ যে দেশের রাষ্ট্রপ্রধান সন্ত্রাসবাদী হিসেবে ঘোষিত হন সেই দেশটি কেউ সন্ত্রাসবাদী রাষ্ট্র হিসেবে বিবেচিত করা হবে পাকিস্তানের মতো। কারণ বাংলাদেশকে এখন পাকিস্তানের প্রতিচ্ছবি হিসেবে দেখা যাচ্ছে। যেখানে ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধের আগে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ছিল সেই পরিস্থিতি যেন আবার উন্মাদন সৃষ্টি করেছে। অর্থাৎ অন্যান্য সংখ্যালঘুড়া নির্যাতিত হচ্ছে সে দেশে কিন্তু বেছে বেছে যেন হিন্দু নারীদের ওপর পাশবিক অত্যাচারের ঘটনা দেখা যাচ্ছে। এবং পাকিস্তানে যেভাবে জাকির বসেছে সন্ত্রাসবাদ ঠিক একইভাবে বাংলাদেশের সন্ত্রাসবাদ মাথা চারা দিয়ে উঠেছে। এক কথায় মহান ভগবতের দাবি দেশটি এখন আর বাংলাদেশ এটি পূর্ব পাকিস্তানে পরিণত হয়েছে। অর্থাৎ বাংলাদেশে যে বিষ ফোঁড়া তৈরি হয়েছে তা এখনই নির্মূল না করা যাবে তা কঠিন ব্যাধির আকার ধারণ করবে। সীমান্তে যেভাবে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে সেটিও উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ভারতের।
তিনি আরও বলেন, ” বাংলাদেশে কী হচ্ছে তা আমরা দেখছি। এই প্রথম হিন্দুরা নিজেদের রক্ষা করতে ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন ৷ যতক্ষণ দিন পর্যন্ত এই চরমপন্থী হিংসা জারি থাকবে, ততদিন পর্যন্ত সব সংখ্যালঘুরাই বিপদের মধ্যে রয়েছেন ৷ সারা বিশ্বের হিন্দুদের তাঁদের সমর্থন করা উচিত ৷ ভারত সরকারেরও পদক্ষেপ করা উচিত ৷আমরা দুর্বল হয়ে পড়লে অত্যাচারের ঘটনাগুলিকেই আমন্ত্রণ জানানো হবে ৷ আমরা যেখানেই থাকি না কেন, আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে ৷”
উল্লেখ্য শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পদত্যাগ করার পর বাংলাদেশে বিপুল রাজনৈতিক পরিবর্তন হয়েছে বলেও দাবি করেছেন মোহন ভাগবত। সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার সেই সরকার প্রসঙ্গে মোহন ভাগবতের বক্তব্য, “বাংলাদেশে ভারত বিরোধীতা ছড়িয়ে পড়েছে সেই পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের সঙ্গে তারা জোট বাঁধার কথা ভাবছে ৷ মনে করছে, তাহলেই ভারতকে থামাতে পারবে ৷” কিন্তু সন্ত্রাসবাদ্ দমনে যেভাবে পাকিস্তানকে পরাজিত করেছে ভারত সরকার তেমনই বাংলাদেশ কেও প্রতিহত করতে আরও কঠোর হবে ভারত সরকার।












Discussion about this post