ট্রাম্পকে খুশি করতে গোপন চুক্তিতে উদ্যত মহম্মদ ইউনুস। মার্কিন প্রেসিডেন্টের বাড়তি ৩৭ শতাংশ শুল্ক থেকে রেহাই পেতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। এই চুক্তির খসড়া বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছে ট্রাম্প প্রশাসনের তরফে।ওয়াশিংটনে প্রধান উপদেষ্টার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধির বৈঠক হয়েছে। তবে চূড়ান্ত আলোচনা এখনো বাকি।
দ্বিপাক্ষীক বাণিজ্য বৃদ্ধিতে ও চড়া হারে মার্কিন শুল্ক এর হার হ্রাস করতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শুল্ক চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। চুক্তির খসড়াও তৈরি হলে তার চূড়ান্ত আলোচনা হবে আগামী ৩ ও ৪ জুলাই বলেই সূত্রের খবর। চুক্তি হলে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের বাংলাদেশি পণ্যের ওপর আরোপ করা বাড়তি ৩৭ শতাংশ পাল্টা শুল্ক আরোপের বুঝা কিছুটা কমবে।
সূত্রমতে, যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধির বা ইউএসটিআর সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনায় অংশ নিতে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন ওয়াশিংটন যাবেন। একই বিষয়ে ২৬ জুন যুক্তরাষ্ট্র সফররত জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মো. খলিলুর রহমান ইউএসটিআরের সঙ্গে একটি বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে। ইউএসটিআরের সঙ্গে আগামী বৈঠকেও খলিলুর রহমানের উপস্থিত থাকার এ প্রসঙ্গে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শুল্ক চুক্তির বিষয় বেশ কিছু শর্ত রয়েছে।
উল্লেখ্য, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানাচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র এমন কিছু বিষয় দাবি জানাচ্ছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের আইনে প্রযোজ্য। বাংলাদেশের আইনে প্রযোজ্য নয়, এমন বিষয়ে একমত না হতেই দর-কষাকষি করে যাচ্ছে বাংলাদেশ। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানতে পেরেছে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোর পাশাপাশি ভারত, ভিয়েতনাম, জাপান ইত্যাদি দেশ পাল্টা শুল্কের হার কমানোর বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বি-পক্ষীয় আলোচনা চলমান রেখেছে।
প্রসঙ্গত,গত ২ এপ্রিল বাণিজ্য ঘাটতি হ্রাস করতে বিভিন্ন দেশের ওপর পাল্টা শুল্কারোপ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বাংলাদেশের পণ্যের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক ঘোষণা করা হয় ৩৭ শতাংশ। তবে ৯ এপ্রিল পাল্টা শুল্ক তিন মাসের জন্য স্থগিত করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এর মেয়াদ শেষ হবে আগামী ৮ জুলাই। যদিও সব দেশের ওপর ন্যূনতম ১০ শতাংশ বাড়তি শুল্ক কার্যকর করা হয়েছে। এরপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে খুশি করে, এই বিপুল পরিমান মার্কিন শুল্ক এর হার কমাতেই গোপন চুক্তি তে বাংলাদেশ সরকার।












Discussion about this post