৪ আগস্ট থেকে ৭ ই আগস্ট প্রতিদিনই শুনানি চলছে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সঞ্জয় কারোল এবং বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্রার বেঞ্চে ।সোমবার সুপ্রিম কোর্টে শেষ হলো, ডিএ মামলার শুনানি। বিচারপতি সঞ্জয় কারোল এবং বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্রার বেঞ্চ থেকে রায় স্থগিত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি শীর্ষ আদালত থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে কারো কোন বক্তব্য থাকলে তা লিখিত আকারে জমা দেওয়া হোক।
এর আগে শীর্ষ আদালত থেকে রাজ্যকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল বিয়ের ২৫ শতাংশ মিটিয়ে দেওয়া হোক আর তার জন্য সময় দেওয়া হয়েছিল ছয় সপ্তাহ। কিন্তু সঠিক সময়সীমার মধ্যে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ডিএ দিতে পারেননি। উল্টে আদালত থেকে আরো ছয় মাস সময় চাওয়া হয়েছে।
গত ১২ ই আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের ডিএ মামলায় শুনানি পিছিয়ে গিয়েছিল।
বকেয়া ডিএ পাওয়ার লড়াই শুরু হয়েছিল ২০১৬ সাল থেকে। আর সেই মামলা হয়েছিল এডমিনেস্টিটিভ ট্রাইভুনালে । এবং রাজ্য সরকারি কর্মচারী সেই মামলায় হেরে গিয়েছিল।
কেন্দ্রীয় হাড়ে ডিএর দাবিতে আন্দোলনের কথা বুঝিয়েছেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক।
আজ শুনানি হয়েছে তাতে নিশ্চিন্ত যে বকেয়ার ডিএ মামলায় রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জয় হবে। সুতরাং কলকাতা হাইকোর্টের রায় বহাল রাতে সুপ্রিম কোর্ট। ফলে পঞ্চম বেতন কমিশনের আবেদন রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া দিয়ে মিটিয়ে দেওয়া হবে।
২০২২ সালে কলকাতা হাইকোর্ট সরকারি কর্মীদের পক্ষে রায় দেন এবং ডিএ রাজ্য সরকারের কর্মীদের অধিকার বলে উচ্চ আদালত থেকে জানানো হয়। এবং কেন্দ্রীয় হারের কর্মীদের তা প্রাপ্য। কিন্তু রাজ্য এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে দারস্থ হয়। রাজ্যকে ডিএর ২৫ শতাংশ মিটিয়ে দিতে নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। কিন্তু আর্থিক সংকটের কারণে রাজ্য থেকে শীর্ষ আদালতে আবেদন করা হয় আরো সময়ের প্রয়োজন আছে বলে। ২০২৫ থেকে ২০২৬ অর্ধ বর্ষের বাজেটে বকেয়া ডিএ সংক্রান্ত কোনো কিছু বরাদ্দ ছিল না। তারা সুপ্রিম কোর্টের অন্তর্বর্তী নির্দেশ নিয়ে পুনরায় বিবেচনার করার আর্জি জানান।
রাজ্যের তরফ থেকে যুক্তি দেওয়া হয়েছিল যে মহার্ঘভাতা বাধ্যতামূলক নয় তাছাড়া ডিএ কর্মীদের মৌলিক অধিকার নয়। এছাড়াও কেন্দ্র এবং রাজ্যের আর্থিক পরিকাঠামো একরকম নয় কেন্দ্র থেকে যে হারে ডিএ দেওয়া হয় তার সঙ্গে রাজ্যের কোন তুলনা করা চলে না। পাশাপাশি মামলাকারির পক্ষে যুক্তি ছিল নির্দিষ্ট সময়মতো ডিএ দেওয়া সরকারি নীতির মধ্যে পড়ে এবং খেয়াল খুশিমতো ডিএ দেওয়া যায় না।
এবং তাদের দাবি ছিল বেতন কমিশনের সুপারিশ মেনে নির্দিষ্ট সময় অন্তর ডিএ দিতে হবে। যদি প্রয়োজন হয় তবে সেটা কিস্তিতে দেওয়া হোক । শেষমেষ সেই মামলারই শুনানি শেষ হলো সোমবার সুপ্রিম কোর্টে এবং রায়দান স্থগিত রাখল বিচারপতির বেঞ্চ।
আমেরিকা কি ভারতের বন্ধু? মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক একটি মন্তব্যের নিরিখে বিচার করলে অবশ্যই বলতে হবে তিনি এবং তাঁর...
Read more












Discussion about this post