অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে অবৈধ ভাবে সমস্ত ভারতীয় নাগরিকত্ব জোগাড় করছেন অনুপ্রবেশকারীরা। কে বা কারা এভাবে অবৈধ ভারতীয় নাগরিকত্বের প্রমাণ পত্র দিচ্ছেন তার তল্লাশি চালাচ্ছেন প্রশাসনের কর্তারা। ভারত বাংলাদেশ সীমান্তের মালদা জেলায় জালে আধার কার্ড তৈরির অভিযোগে পুলিশের জালে ২ অবৈধ কারবারী। যা নিয়ে মালদা জেলা জুড়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানোতোর।
রাজ্য সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার করার প্রক্রিয়া চলছে দেড় জুড়ে। অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে আধার কার্ড ভোটার কার্ড সহ সমস্ত ভারতীয় নাগরিকত্ব জোগাড় করছেন অনুপ্রবেশকারীরা। কে বা কারা এভাবে অবৈধ আধার কার্ড ভোটার কার্ড সহ ভারতীয় নাগরিকত্বের প্রমাণ পত্র দিচ্ছেন তারপর তল্লাশি চালাচ্ছেন প্রশাসনের কর্তারা। এই আবহে এবার ভারত বাংলাদেশ সীমান্তের মালদা জেলায় জাল আধার কার্ড তৈরির অভিযোগে পুলিশের জালে ২ অবৈধ কারবারী। সিএস পি এবং কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের আড়ালেই চলছিল এই জাল আধার কার্ড তৈরির কাজ। উত্তর রামপুর এলাকায় একটি সিএসপি এবং কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র চালাত ধৃতরা। কিন্তু তার আড়ালে চলত জাল আধার কার্ড তৈরির কাজ। দীর্ঘদিন ধরেই খোঁজ চালাছিল পুলিশ। তারপর নির্দিষ্ট সূত্র মারফত খবর পেতেই জালে আসে দুই ব্যক্তি। ধৃতদের মধ্যে প্রথমে চাঁচল থানার সতী এলাকা থেকে মোস্তফা আব্দুল ওয়াহেদকে গ্রেফতার করে চাঁচল থানার পুলিশ। পরবর্তীতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে এই জাল আধার কার্ড চক্রের অন্যতম মূল মাস্টারমাইন্ড মহম্মদ আজমকে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার কুশিদার উত্তর রামপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। মালদা জেলার একদিকে বিহার ঝাড়খন্ড সীমান্ত, আবার আরেকটা বড় অংশ জুড়ে বাংলাদেশ সীমান্ত। যেখানে নদীপথে অনেকটাই অংশ অরক্ষিত। থাকে অনুপ্রবেশের আশঙ্কা। প্রশ্ন উঠছে তবে এদের কাছে কারা জাল আধার তৈরি করেছে। কি উদ্দেশ্যে করেছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের পুলিশি হেফাজতের আবেদন জানিয়ে চাঁচল মহকুমা আদালতে পেশ করেছে পুলিশ। যা নিয়ে মালদা জেলা জুড়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানোতোর।
বিজেপির অভিযোগ বাংলাদেশী রোহিঙ্গারা অনুপ্রবেশ করে জাল আধার কার্ড তৈরি করে ঘাটি গাড়ছে। এতে মদত রয়েছে তৃণমূলের।
বিজেপির অভিযোগ উড়িয়ে তৃণমূলের দাবি রাজ্য পুলিশ সক্রিয় বলে ধরা পড়ছে। অনুপ্রবেশ হলে সেটা কেন্দ্র সরকারের ব্যর্থতা।












Discussion about this post