সামনেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন, তারই আগে কার্যত উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজ্যের রাজনৈতিক মহল। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর উপর হামলা নিয়ে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। এর মধ্যেই বিজেপির মণ্ডল সভাপতির বাড়িতে হামলা, বৃদ্ধ মা ও ছেলেকে মারধরের অভিযোগ তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে।
ব্যবসার কাজে বাড়ির বাইরে থাকার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বিজেপির মণ্ডল সভাপতির বাড়িতে হামলা। বৃদ্ধ মা ও ছেলে কে মারধরের অভিযোগ তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে। ঘটনার বিচার চেয়ে থানার দারস্থ বিজেপির ওই মণ্ডল সভাপতি সুমন অধিকারী। আহত অবস্থায় বনগাঁ মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি সুমনের মা ও তার ছেলে। বুধবার বিকেলে ঘটনাটি ঘটেছে বনগাঁ থানার গোবড়াপুর এলাকায়।
বিজেপির মণ্ডল সভাপতি সুমন অধিকারীর অভিযোগ, তিনি ব্যবসায়ীক কাজে বাড়ির বাইরে ছিলেন সে সময় ৩-৪ জন তৃণমূল কর্মী তার বাড়িতে এসে চড়াও হয় এবং তার বৃদ্ধ মা বেলা রানী অধিকারী ও তার ছেলে কে মারধর করে। পাশাপাশি হামলকারীরা সুমনকে খুনের ও হুমকি দেয় বলে অভিযোগ। সুমনের অনুমান পুরনো কোন আক্রোশ ও বিজেপি করার কারণে তারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে।
এ প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা দেবদাস মণ্ডল জানিয়েছেন, এরা তৃণমূলের দুষ্কৃতী। কতটা বেহায়া নির্লজ্জ না হলে একজন বৃদ্ধ মা ও বাচ্চা ছেলে কে মারধর করছে। এর জবাব মানুষ ২৬ শে দিয়ে দেবে
অন্যদিকে এই অভিযোগ উড়িয়ে বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার তৃণমূলের সভাপতি বিশ্বজিৎ দাস বলেন, এটা পাশের বাড়ির সঙ্গে গন্ডগোল এখানে রাজনৈতিক কোন যোগ নেই।
সামনেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। তারই আগে কার্যত উতপ্ত হয়ে উঠেছিল রাজনৈতিক মহল। একদিকে কোচবিহার ও বারাসাত রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্ধু অধিকারীর উপর হামলা নিয়ে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। তার মধ্যেই বনগাঁতে বিজেপি নেতার বাড়িতে হামলার ঘটনায় প্রশ্ন উঠছে তাহলে কি এ রাজ্যে বিরোধী দলের নেতা কর্মীরা সুরক্ষিত নন??
বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে খুন হয়ে যেতে হয় ওসমান হাদিকে। তিনি ঢাকা ৮ আসনের প্রার্থী ছিলেন হত্যাকাণ্ডে তেতে...
Read more












Discussion about this post