আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় উত্তাল দেশ। প্রতিবাদের আগুন ছড়িয়ে পড়েছে বিদেশের মাটিতেও। সেই আবহে এই মামলার দ্বিতীয় শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টে ৯ দিনের তদন্তে কতদূর অগ্রগতি হল তদন্তে সেই স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা দিল সিবিআই। পাশাপাশি আরজি কর মেডিক্যালে ভাঙচুরের ঘটনায় কী পদক্ষেপ? রিপোর্ট দিল রাজ্য।শুনানির শুরুতেই বিচারপতিরা জানান, ডাক্তারদের কাজে ফিরতে হবে। সাধারণ মানুষকে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। সাধারণ মানুষ পথ চেয়ে বসে আছে। এতে চিকিৎসা ব্যবস্থা প্রভাবিত হতে পারে। সুপ্রিম কোর্ট সিবিআইয়ের কাছে ধর্ষণের ঘটনার রিপোর্ট চেয়েছিল। বৃহস্পতিবার সেই রিপোর্ট জমা দিয়ে সিবিআই আদালতকে বলে, ‘‘ঘটনার পাঁচ দিন পরে তদন্ত করতে নেমেছে তারা। তবে তত দিনে সব কিছু বদলে গিয়েছে।’’ যদিও রাজ্য সিবিআইয়ের দাবিকে নস্যাৎ করে জানিয়েছে তাদের কাছে ঘটনার সম্পূর্ণ ‘টাইমলাইন’ এবং ভিডিওগ্রাফি রয়েছে। যদি সেই টাইমলাইনে সন্তুষ্ট নয় সুপ্রিম কোর্ট।
বিচারপতি পারদিওয়ালা শুনানির এক পর্যায়ে বলেন, ‘‘অবাক হচ্ছি, ময়নাতদন্তের আগেই বলে দেওয়া হল অস্বাভাবিক মৃত্যু? এটা কী ভাবে সম্ভব? তা হলে ময়না তদন্তের প্রয়োজনই কী ছিল? ময়নাতদন্তের পরই বা অস্বাভাবিক মৃত্যু বলা হয় কী করে? তখন তো মৃত্যুর কারণ জেনেই গিয়েছে পুলিশ!’’ শুনানি শেষে স্ট্যাটাস রিপোর্ট আবার সিল করার নির্দেশ দেয় আদালত। চিকিৎসকদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে রাজ্যকে। তার জন্য কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের সচিব রাজ্যগুলির মুখ্যসচিবদের সঙ্গে কথা বলবেন। প্রয়োজনে রাজ্য পুলিশের ডিজির সঙ্গে কথা বলে চিকিৎসদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করবে। ১ সপ্তাহের মধ্যে এই কাজ শেষ করতে হবে। রাজ্যকে সর্বোচ্চ ২ সপ্তাহ সময় দেওয়া যেতে পারে, পর্যবেক্ষণ আদালতের।












Discussion about this post