সামনেই জম্মু-কাশ্মীরে নির্বাচন। জম্মু ও কাশ্মীর পৌঁছেছেন রাহুল গান্ধী। পৌঁছেছেন মল্লিকার্জুন খর্গেও। বুধবার রাতে প্রাক নির্বাচনী জোট, প্রার্থী বাছাই এবং প্রচার কৌশল নিয়ে আলোচনার জন্য শ্রীনগরে পৌঁছেছেন রাহুল ও খড়্গে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে তাঁরা কাশ্মীর উপত্যকার ১০টি জেলার কংগ্রেস নেতা-কর্মীদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক শুরু করেছেন। দু’দিনের সফরে এর পরে জম্মু যাবেন তাঁরা। সেখানে পৌঁছে রাহুল বলেন, “জম্মু-কাশ্মীরে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে তা জানার সাথে সাথে আমরাই প্রথম এখানে এসেছি। আমরা জনগণকে এই বার্তা দিতে চাই যে জম্মুর মানুষ যে ভয়ের বাতাবরণের মধ্যে বসবাস করছেন তা দূর করাই আমাদের লক্ষ্য। রাহুল গান্ধী বলেন, আমি জম্মু ও কাশ্মীরের মানুষকে ভালোবাসি। এখানকার মানুষের সঙ্গে আমার এই সম্পর্ক অনেক পুরনো”।
রাহুল আশ্বস্ত করেছেন যে তাঁদের সমস্যার সমাধান করা হবে। তাঁদের পাশে রয়েছে কংগ্রেস। রাহুলের এই সফর বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। কংগ্রেসও ইঙ্গিত দিয়েছে যে আসন্ন নির্বাচনে জম্মু ও কাশ্মীরের পরিস্থিতিকে গুরুত্ব দেবে তারা। দলীয় কর্মীদের কঠোর পরিশ্রম ও সম্মানকে ব্যর্থ হতে দেবে না। পাশাপাশি এদিন মোদি সরকারকেও একহাত নেন বিরোধী দলনেতা। রাহুল বলেন, লোকসভা নির্বাচনে নরেন্দ্র মোদির আত্মবিশ্বাসকে নষ্ট করে দিয়েছে ইন্ডিয়া জোট।
এবার জম্মু-কাশ্মীরকে রাজ্যের মর্যাদা পুনরায় ফিরিয়ে দেওয়াই কংগ্রেস এবং ইন্ডিয়া জোটের একমাত্র লক্ষ্য। একইসঙ্গে উপত্যকার মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকারও ফের পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেন কংগ্রেস নেতা।
প্রসঙ্গত, ৩৭০ ধারা রদের পর জম্মু-কাশ্মীরে এই প্রথম বিধানসভা নির্বাচন। ভোটযুদ্ধে বিজেপিকে পরাস্ত করতে এবারও জোট বাঁধতে যে আপত্তি নেই কংগ্রেসের। সেকথা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিলেও জোট গড়তে শর্ত রাখলেন কংগ্রেস সাংসদও। জম্মু ও কাশ্মীরে বিধানসভা ভোট হবে তিন দফায় ১৮ সেপ্টেম্বর, ২৫ সেপ্টেম্বর এবং ১ অক্টোবর। গণনা ৪ অক্টোবর।












Discussion about this post