২০১৬ নিয়োগ দুর্নীতির কারণে এসএসসি পুরো প্যানেল বাতিল হয়ে যাওয়ার পর থেকে চলছে একের পর এক মামলা, আন্দোলন ও মামলার পাহাড়। সুপ্রিম রায়ে প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষাকর্মী চাকরি হারিয়েছিলেন। আবার নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরুও হয়েছে। আবার সেই সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনেই পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশন সম্প্রতি ১৮০৬ জন অযোগ্য প্রার্থীর নামের তালিকা প্রকাশ করেছে। দেশের সর্বোচ্চ আদালত স্পষ্ট করে দিয়েছে, এই তালিকায় থাকা প্রার্থীদের চাকরির আবেদন গ্রহণযোগ্য নয়। প্রকাশিত তালিকায় মোট ১৮০৬ জনের নাম এবং রোল নাম্বার উল্লেখ করা হয়েছে ,তবে নবম দশম এবং একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর জন্য কতজন অযোগ্য নিয়োগ হয়েছিল তা আলাদাভাবে উল্লেখ করা হয়নি। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সঞ্চয় কুমার এবং বিচারপতি সতীশ চন্দ্র শর্মার বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছিল অযোগ্য প্রার্থীদের নামের তালিকা ৭ দিনের মধ্যে প্রকাশ করতে হবে। এসএসসি একদিনের মধ্যেই তা করে। আদালত এই প্রশ্নও তুলেছিল কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও কেন এতদিনে তালিকা প্রকাশ করা হয়নি।
এসএসসির চেয়ার ম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার কমিশনের দফতরে এসে আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করেন এবং আইনি পরামর্শ নেন। দীর্ঘ আলোচনা পর শেষে সন্ধ্যায় আনুষ্ঠানিকভাবে এই তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে অযোগ্যদের তালিকা প্রকাশ করে অযোগ্যদের নাম বাদ দেওয়ার পর ,স্কুল সার্ভিস কমিশনের নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় আবেদনকারীর সংখ্যা নেমে এল এক ধাক্কায়। সুপ্রিম কোর্ট ও কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে নতুন করে তৈরি করা হল আবেদনকারীর তালিকা।
যদি ও অযোগ্যদের তালিকায় যেসব অযোগ্য প্রার্থীদের নাম রয়েছে সেই রকম অনেকেই পাল্টা মামলা করেছে এ বিষয়ে তাদের দাবি যোগ্যতা বিচারের জন্য তাদের পরীক্ষায় বসার সুযোগ দিতে হবে বর্তমানে এই মামলাটি শীর্ষ আদালতে বিচারাধীন হয়েছে।
এসএসসি সূত্র অনুযায়ী জানা গেছে, প্রথমে এই আবেদনকারীর সংখ্যা ছিল ৫ লক্ষ ৮৪ হাজার, কিন্তু অযোগ্যদের আবেদন বাতিল হওয়ার পর সেই সংখ্যা কমে দাঁড়ায় ৫ লক্ষ ৬৫ হাজার অর্থাৎ বাদ পড়েছে কুঁড়ি হাজার আবেদনকারীর আবেদন পত্র।
আদালতের নির্দেশে অযোগ্যদের নাম বাদ দিয়ে কমিশনের তালিকা আরও স্বচ্ছ হয়েছে বলে মনে করছেন অনেকেই। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য মন্তব্য করেছেন যে ,যোগ্য প্রার্থীদের আবেদন পত্র বাতিল করা একেবারেই যুক্তিযুক্ত না। পাশাপাশি দাগি প্রার্থীদের আচরণকে ভর্ৎসনা করেছেন আদালত।
যোগ্য -অযোগ্য তালিকা প্রকাশ হওয়ার পর নতুন করে পরীক্ষা দিতে নারাজ ছিল যোগ্য চাকরি প্রার্থীরা। যোগ্য চাকরিপ্রার্থীরা দাবি করেছিলো অযোগ্যের লিস্ট যখন বেরিয়ে গিয়েছে তখন আবার নতুন করে পরীক্ষা দেওয়ার কোন মানে হয় না।
আদালতের নির্দেশে আগামী রবিবার আবার নতুন করে পরীক্ষা দিতে হচ্ছে চাকরি হারানো যোগ্য প্রার্থীদের সঙ্গে নতুন প্রার্থীরাও পরীক্ষা দিচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।
সন্তান বিপদে পড়লে সে তো বাবার কাছে যাবেই এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু যে সন্তানের জন্ম আটকাতে বাবার বড় ভূমিকা থাকে পরবর্তীতে...
Read more












Discussion about this post