আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের জুনিয়ক চিকিৎসককে মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তাল রাজ্য। তাঁদের আন্দোলন ও অনশনের জেরে সোমবার নবান্নে ফের তাঁদের বৈঠকের জন্য ডেকেছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর মাঝেই রবিবার আন্দোলনরত জুনিয়র চিকিৎসকদের একাংশের বিরুদ্ধে ফের একবার তোপ দাগলেন তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। কুণালের কথায়, ‘‘মুখ্যমন্ত্রীর ডাকা বৈঠক সফল হোক। যদি জেদ করে বৈঠক ভেস্তে কাল স্বাস্থ্য ধর্মঘট হয়, তাহলে যদি বাংলার কোনও রোগীর ক্ষতি হয়, নিকটবর্তী থানায় ডাঃ দেবাশিস হালদার, ডাঃ অনিকেত মাহাতোর নামে FIR করুন। কারণ এরাই মূল প্ররোচক। সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সংস্থা ও ডাক্তার। তবে ডাঃ কিঞ্জল নন্দর নাম দেবেন না। কারণ ও ওদের সঙ্গে থাকলেও, সূত্রের খবর, বিশৃঙ্খলায় একমত নয়। আগামীকাল রোগীর ক্ষতি হলে দেবাশিষ, অনিকেতের নামে স্থানীয় থানায় এফআইআর করুন। চিকিৎসা পাওয়া সাংবিধানিক অধিকার। কিঞ্জল নন্দ মন থেকে নেই। তাই ওর নামে এফআইআর করবেন না।’’ এই বিষয় জুনিয়র চিকিৎসক দেবাশীষ হালদার বলেন, “কুণাল ঘোষের মতো অভদ্র লোকের বিষয়ে কথা বলা বা ওঁকে ফুটেজ দেওয়ার দরকার আছে বলে আমাদের মনে হয় না। তাই ওঁর বিষয়ে আমরা কিছু কথা বলব না।” যদিও এই বিষয় কুণাল ঘোষ পাল্টা বলেন, “উত্তর না দিলে আমাদের কিছু যায় আসে না। কারণ ওঁদের কোনও উত্তর নেই আসলে।” প্রসঙ্গত, তৃণমূল সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অনেক দিন আগেই দলের কর্মীদের উদ্দেশ্যে কড়া ভাষায় জানিয়েছিলেন, ডাক্তাদের উদ্দেশে কোনও খারাপ মন্তব্য নয়। কিন্তু এরপরও দেখা গিয়েছে তৃণমূলের বড়-মেজ-ছোট সব নেতারাই কটাক্ষ করতে ভোলেননি এই আন্দোলনকে। তার মধ্যে অন্যতম কুণাল ঘোষ এবং দেবাংশু ভট্টাচার্য।
বাংলাদেশের সেনাপ্রধানকে নিয়ে ভারতের সেনাপ্রধান মুখ খুলতেই কি নড়েচড়ে বসল, ইউনূসের জামাতী সরকার। ভারতের সেনাপ্রধানের আশ্বাস এবং বিশ্বাস ছিল দুই...
Read more












Discussion about this post