বাংলাদেশের তরফে সেভেন সিস্টার্স নিয়ে এত মন্তব্য। ভারত সে তার পরিপ্রেক্ষিতে চুপ করে বসে থাকবে না,
সেটা বলাই বাহুল্য। ভারত একাধিক পরিকল্পনা করছে। এমনকি তারা জাপানকে এই পরিকল্পনায় যুক্ত করছে, সেটাও বলা হয়েছিল আগেই। এক্ষেত্রে বোঝাই যাচ্ছে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মোহাম্মদ ইউনূসের একাধিক কার্যকলাপ ভারতকে ভাবিয়ে তুলেছিল। আর তারই পরিপ্রেক্ষিতে ভারত একাধিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করছে। বাংলাদেশ চেয়েছিল, ভারতের বিরুদ্ধে সেভেন সিস্টার্সকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ আরও শক্তিশালী হোক বিশ্ব দরবারে। এর জন্য তারা চীনকে কাজে লাগাতে চেয়েছিলেন। এর মধ্যে একটি খবর উঠে এসেছিল, বাংলাদেশের সীমান্তে এয়ার বেস তৈরি করছিল। এক্ষেত্রে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর একটি বিবৃতি দিয়েছিলেন। তিনি স্পষ্ট করে উল্লেখ করেছিলেন, চিনে গিয়ে সেভেন সিস্টার্স নিয়ে ইউনূসের করা মন্তব্যের বিরোধিতা। উল্টে চাপে পড়ল বাংলাদেশের সরকার। অর্থাৎ মোহাম্মদ ইউনূসের করা একটি ভুল মন্তব্যে ট্রান্সশিপমেন্ট চুক্তি যে শুধু বাতিল করল তাই নয়, এইবার ৫০০০ কোটি টাকার রেল প্রজেক্ট বাতিল করার সঙ্গে সঙ্গে বিকল্প একটি পথের কথা তৃণমূল স্তরে জানিয়ে দিল জানিয়ে দেওয়া হল। যা নিঃসন্দেহে মোহাম্মদ ইউনুসকে বিপদে ফেলল। বাংলাদেশ এর আগে তিনটি রেল প্রজেক্ট শুরু করার কথা বলেছিল এবং শুরু করেছিল। বাংলাদেশ হয়ে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোর সঙ্গে রেল সংযোগ স্থাপনের যে প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল, তা স্থগিত করেছে ভারত। প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে এই প্রকল্প বাতিলের কারণ হিসেবে ভারত রাজনৈতিক অস্থিরতা ও শ্রমিকদের নিরাপত্তার ঝুঁকির কারণের কথা উল্লেখ করেছে।
স্থগিত হওয়া প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে আখাউড়া-আগরতলা সীমান্ত রেল সংযোগ ও কুলাউড়া-শাহবাজপুর রেলপথ নির্মাণ, খুলনা-মোংলা বন্দর রেল সংযোগ এবং ঢাকা-টঙ্গী-জয়দেবপুর রেল প্রকল্পটি ভারতের প্রায় ৪০০ কোটি টাকার সাহায্যে বাস্তবায়নের কথা ছিল। এই রেল প্রজেক্টগুলো বাতিলের ফলে যোগাযোগ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ চাপে পড়ল, সেটা বলাই বাহুল্য।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post