আরও শক্তিশালী হতে চলেছে ভারতীয় নৌবাহিনী। এক মাসের মধ্যেই নৌসেনা আনতে চলেছে তিনটি নতুন সাবমেরিন এবং একটি ডুবোজাহাজও। নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল দীনেশ কে ত্রিপাঠি জানিয়েছেন, ভারত আগামী মাসে তিনটি অতিরিক্ত স্করপিন যুদ্ধজাহাজ কেনার চুক্তি ইতমধ্যেই চূড়ান্ত করতে চলেছে। ফ্রেঞ্চ নেভাল গ্রুপের সহযোগিতায় মাজাগন ডকইয়ার্ডে নতুন স্করপিন সাবমেরিন নির্মাণ করা হবে। ভারতীয় নৌসেনার পশ্চিমাঞ্চল কমান্ডের ফ্ল্যাগ অফিসার কমান্ডিং-ইন-চিফ ভাইস অ্যাডমিরাল সঞ্জয় জে সিংহ মঙ্গলবার বলেন, ‘আগামী এক মাসের মধ্যে আইএনএস নীলগিরি, আইএনএস সুরাত, আইএনএস তুশিল এবং ডুবোজাহাজ আইএনএস ভ্যাগশির চালু হবে।’ চিন তার নৌবাহিনীতে বেশ কয়েকটি বিমানবাহী রণতরী যুক্ত করেছে। এর সমুদ্রে তিনটি বাহক রয়েছে। তার টার্গেট ৬। আগামী দিনে তাকে ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলেও দেখা যেতে পারে। তবে ভারত এখন উপযুক্ত জবাব দিতে প্রস্তুত। ভারতীয় নৌবাহিনী তার বহরে এয়ারক্রাফ্ট ক্যারিয়ার কিলার নামক সাবমেরিনের সংখ্যাও দ্রুত বৃদ্ধি করছে। একই সিরিজে, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ভারতীয় নৌবাহিনীর বহরে একটি নতুন সাবমেরিন অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এর নাম ভ্যাগশির। ভারত মহাসাগরে পাওয়া বালি মাছের নামানুসারে ভ্যাগশির নামকরণ করা হয়েছে, যা ডিপ সি প্রিডেটর নামেও পরিচিত। প্রসঙ্গত, পশ্চিমাঞ্চলীয় কমান্ডের তত্ত্বাবধানেই সেগুলি নৌসেনার অন্তর্ভুক্ত হবে বলে জানান সঞ্জয় জে সিংহ। নৌবাহিনী সূত্রে খবর, সাবমেরিন বা ডুবোজাহাজটিতে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত দেশীয় সামগ্রী অন্তর্ভুক্ত করা হবে। তিনটি স্করপিন শ্রেণির যুদ্ধজাহাজ নৌবাহিনীতে যুক্ত হলে শক্তি বহুগুণ বেড়ে যাবে। সঞ্জয় আরও জানান, আইএনএস নীলগিরি হল প্রজেক্ট ১৭এ-র প্রথম ফ্রিগেট এবং ২০১৯ সালে এর নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল। তাঁর মতে, চিন সমুদ্রে তার শক্তি খুব দ্রুত বাড়াচ্ছে। এই স্করপিন যুদ্ধজাহাজগুলি ভারতের শক্তি বাড়াবে বলে মনে করা হচ্ছে। সাবমেরিন তৈরিতে আনুমানিক ৪০ হাজার কোটি টাকা খরচ হবে। ‘কলকাতা ক্লাস’ ডেস্ট্রয়ার আইএনএস সুরাত হল প্রজেক্ট ১৫বি চতুর্থ সাবমেরিন। দীনেশ ত্রিপাঠীর মতে, ‘ভারত শীঘ্রই ২৬টি নৌ-রাফালে জেট এবং তিনটি স্করপেন যুদ্ধজাহাজ কেনার জন্য প্রস্তুত রয়েছে। তবে বর্তমানে দেশে ৬২টি যুদ্ধজাহাজ ও একটি সাবমেরিন তৈরি হচ্ছে। এখানেই শেষ নয়, নৌবাহিনীর প্রজেক্ট-৭৫-এর অধীনে ৩১টি শক্তিশালী যুদ্ধজাহাজ এবং ৬টি সাবমেরিন প্রয়োজন। এর সঙ্গে ৬০টি ইউটিলিটি হেলিকপ্টার মেরিনও প্রয়োজন। অনেক জাহাজ প্রস্তুত রয়েছে।’
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post