সাড়াশির চাপে ইউনুস সরকার। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদিকে পাশে বসিয়ে ট্রাম্প বললেন বাংলাদেশের বিষয়টি মোদিই দেখবেন। পাশাপাশি এও জানালেন মুম্বাই হামলার মূল চক্রী তাহাউর রানাকে ভারতের হাতে তুলে দেবে আমেরিকা। ট্রাম্পের পর পর সব হুঁশিয়ারিতে চাপে ইউনুস প্রশাসন।
ট্রাম্পের মন জয় করতে ট্রাম্প ঘনিষ্ঠ ইলন মাস্ককে বাংলাদেশের বাণিজ্যের প্রস্তাব মোঃ ইউনুসের।
শেখ হাসিনার পতনের পর থেকে উত্তপ্ত হয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। এই অস্থির ভারত বিদ্বেষী পরিস্থিতিতে বন্ধু আমেরিকাকে পাশে পেল ভারত। সরাসরি ভারতের পাশে দাঁড়াতে দেখা গেল আমেরিকা কে। বাংলাদেশের বিষয়টি দেখাশুনার ভার পুরোপুরি ভারতের উপর ছাড়লেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
৫ই আগস্ট বাংলাদেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর থেকে পদ্মা পারে অস্থিরতা অব্যাহত। কট্টরপন্থীরা প্রতিমুহূর্তে অত্যাচার চালিয়েছে সংখ্যালঘু ও হিন্দুদের উপরে। ভারতবিদ্বেষী মনোভাব এবং ভারতের বিরুদ্ধে ও সুর ছড়িয়েছে বাংলাদেশ। সীমান্ত উত্তেজনা থেকে শুরু করে হামলা সবকিছুই চলেছে সেদেশের তরফে। আর বাংলাদেশের উত্তপ্ত পরিস্থিতির ভারই এবার ভারতের হাতে ছেড়ে দিল আমেরিকা। এবার কি করা পদক্ষেপ নিতে চলেছে ভারত সরকার? যে পদক্ষেপে ঘুম উড়তে চলেছে ইউনুস সরকারের।
মুম্বাই হামলার মূল চক্রী তাহাউর রানার জন্ম পাকিস্তানের পাঞ্জাবে। পাক সেনাবাহিনীতে ডাক্তার হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন তিনি। এরপর তিনি কানাডায় চলে যান। সেখানে নাগরিকত্ব অর্জন করেন তিনি। মুম্বাই হামলার ২ মূল মাথা,ডেভিড হেডলি ও তাহাউর রানা। দুজনে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বন্ধু। দুজনেই পাকিস্তানের লস্কর ই তোইবার ক্যাম্পে প্রশিক্ষণ নেয়।
২০১৮ সালে ২৬/১১ ঘটনা মুম্বাই হামলা চালায় জঙ্গিরা। হামলার আগে ২১ নভেম্বর পর্যন্ত মুম্বাই তাজ হোটেল ছিল তাহাউর রানা। এরপরে আমেরিকার শিকাগো থেকে তাদের দুজনকে গ্রেফতার করা হয়। জঙ্গি যোগ ও ডেনমার্কের সংবাদপত্রের অফিসে হামলার ছক কষায় ২০১৩ তে তাহাউর রানার ১৪ বছরের জেল হয়। এবার সেই ব্যক্তিকেই ভারতের হাতে তুলে দিচ্ছে আমেরিকা ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে।
পাশাপাশি চরম হুঁশিয়ারি পাকিস্তানকে। যে পাকিস্তানের সঙ্গে এখন বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বাংলাদেশের। যার ফলে এই হুশিয়ারিতে বেজায় চাপে ঢাকা। আর এই আতঙকে এখন তৎপরতার সঙ্গে ট্রাম্পের মন জয় করতে চাইছে বাংলাদেশ সরকার। সম্প্রতি মোহাম্মদ ইউনুসকে ফোন করতে হয়েছে ট্রাম্প ঘনিষ্ঠ ইলন মাস্ককে। মাস্কের সংস্থা স্টার লিঙ্কের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করতে চায় বাংলাদেশের গ্রামীণ ব্যাংক, এই প্রস্তাবই উঠে এসেছে মোহাম্মদ ইউনুসের থেকে। মোহাম্মদ ইউনুসের সঙ্গে ফোন আলাপের পরই ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে বসেন ইলন মাস্ক। শাড়ির পরে হোয়াইট হাউসে নরেন্দ্র মোদী ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক। বৈঠকের পরেই নরেন্দ্র মোদিকে পাশে বসিয়েই ট্রাম্পের বার্তা, এখন মোদির হাতেই ত্রাস।












Discussion about this post