নরেন্দ্র মোদির মার্কিন সফর আতঙ্ক বাড়িয়েছে বাংলাদেশের অন্তরবর্তী সরকারের অন্দরে। দুই রাষ্ট্রনেতার বৈঠকে চাপে ইউনুস। এবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ডোনাল্ড লু এর জায়গায় অর্থাৎ দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে ভারতীয় বংশদ্ভুত পল কাপুরকে মনোনয়ন দিয়েছেন।
ভারত আমেরিকার দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই সিদ্ধান্ত আরও ভাবিয়ে তুলছে বাংলাদেশ সরকারকে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে ডোনাল্ড লুর স্থলাভিষিক্ত হতে যাচ্ছেন এই ভারতীয় বংশোদ্ভূত। মার্কিন সিনেটের চূড়ান্ত অনুমোদনের পর তিনি ওই পদে যোগ দেবেন।
সংবাদ সংস্থা পিটিআই এ কথা জানায়।
উল্লেখ্য,মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর গত ১৭ জানুয়ারি দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে ডোনাল্ড লুর মেয়াদ শেষ হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিভাগ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশ, আফগানিস্তান, ভুটান, ভারত, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, মালদ্বীপ, নেপাল, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, তাজিকিস্তান, তুর্কমেনিস্তান ও উজবেকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক বিষয়ক কাজ করে।
এবার জেনে নেওয়া যাক, কে এই ভারতীয় বংশদ্ভুত, পল কাপুর..
পল কাপুর, যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাফেয়ার্সের নেভাল পোস্ট গ্র্যাজুয়েট স্কুলের অধ্যাপক যিনি দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতি, নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক হিসেবে পরিচিত। তিনি ২০২০ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করেছেন। ওই সময়ে তিনি মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়া, ভারত–প্রশান্ত মহাসাগরীয় কৌশল, যুক্তরাষ্ট্র–ভারত সম্পর্কের বিষয়ে নীতি প্রণয়ন বিভাগের কাজে নিযুক্ত ছিলেন।
স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির হুভার ইনস্টিটিউশনে অতিথি ফেলো হিসেবে যুক্ত আছেন পল কাপুর। এ পর্যন্ত তাঁর নিরাপত্তা, জিহাদ ও দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক অন্তত চারটি বই প্রকাশিত হয়েছে।
তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে, জিহাদ অ্যাজ গ্রান্ড স্ট্রাটেজি: ইসলামিস্ট মিলিট্যান্সি, ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যান্ড দ্য পাকিস্তানি স্টেট ও ডেঞ্জারাস ডিটারেন্ট: নিউক্লিয়ার উইপনস প্রলিফারেশন অ্যান্ড কনফ্লিক্ট ইন সাউথ এশিয়া।
উল্লেখ্য, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এরই মধ্যে প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে বেশ কয়েকজন ভারতীয় বংশোদ্ভূতকে নিয়োগ দিয়েছেন। এর মধ্যে এফবিআই পরিচালক হিসেবে কাশ প্যাটেল ও হোয়াইট হাউসের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নীতিবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে শ্রীরাম কৃষ্ণন রয়েছেন, ও জাতীয় গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান তুলসী গ্যাবার্ড ও রয়েছেন।












Discussion about this post