খুন ধর্ষণ ডাকাতি রাহাজানির স্বর্গরাজ্য হয়ে উঠেছে ইউনুসের বাংলাদেশ। এই কথা গোটা বাংলাদেশের নাগরিক সমাজের ও সংবাদ মাধ্যমের। তবে বর্তমান অন্তরবর্তী কালীন সরকার প্রতিমুহূর্তে সংবাদ মাধ্যমের কণ্ঠ রোধ করে এই ধরনের অনেক খবরই প্রকাশ করতে বাধা সৃষ্টি করেছে। কিন্তু বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দেখা গিয়েছে সংবাদ মাধ্যম তাদের সমস্ত কার্যকলাপে অনর ছিলেন এবং শাসক দল অর্থাৎ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কেউ অনেক প্রচার অনেক খবর তারা প্রকাশ করেছে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার উপর ভিত্তি করে। কারণ সেই সময় আওয়ামী লীগ সরকারের তরফ থেকে সংবাদ মাধ্যমের কণ্ঠ রোধের মত কোন পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি।
কিন্তু বর্তমান সময়ে যদি অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে কোন সমালোচনা বা সমন্বয়কদের কোন নীতি বাচক নীতি যদি প্রকাশ করা হয় সংবাদমাধ্যমের তরফে তাহলে ভয়ংকর আইনি হুমকি পেতে হবে সংবাদমাধ্যমকে।
উল্লেখ্য ৫ই অগাস্টের সরকার পরিবর্তনের পর থেকে প্রায়শই দেখা গিয়েছে সংবাদমাধ্যম হামলা ও হুমকির শিকার হয়েছেন। আর সেই ঘটনা দেখেছে গোটা বাংলাদেশের নাগরিক। এই হামলা হুমকি এখনও পর্যন্ত দেখে চলেছেন গোটা নাগরিক সমাজ, সংবাদমাধ্যমকে প্রতিনিয়ত হুমকি দেওয়া হয়, গণভবনের পরিনিতি হবে সংসদ ভবনের পরিণতি হবে, বলে। এত হুমকির মুখোমুখি হয়ে একটা সংবাদ মাধ্যম কতটুকুই বা সরকারের সমালোচনা করতে পারে বা যারাই হুমকি দিচ্ছে তাদের সমালোচনা করতে পারে? তারপরেও বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম যতোটুকু খবর প্রকাশ করছে ততটুকুই অনেক মূল্যবান সাধারণ মানুষের জন্য।
সম্প্রতি ঘটে গিয়েছে আরও বিভিন্ন হামলার ঘটনা যার ফলেই বর্তমান বাংলাদেশকে অপরাধের স্বর্গরাজ্য বলে আখ্যা দেওয়া হচ্ছে। যেমন চট্টগ্রামে ভাষা দিবসের আবৃতি উৎসব বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছিল, শিল্পীর উপর হামলা । নিরাপত্তা ইস্যুতে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন স্থগিত হয়েছে। সাংবাদিকের উপর হামলা। উত্তরায় চীনের নাগরিক খুন অজ্ঞাত পরিচয় দু তিনজনকে আসামি করে মামলা রুজু করা হয়। এগুলি বলোতো ৩-৪ দিনে সংবাদপত্রের শিরোনামে উঠে আসা হামলার ঘটনা।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি ঘটে গিয়েছে আরও একটি নারকীয় ঘটনা। গত ১৭ই ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকা-রাজশাহী রুটে মধ্যরাতে ডাকাতির শিকার হয় একটি বাস, প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা ধরে ডাকাতদের দখলে ছিল। এ সময় নারী যাত্রীদের শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণের মতো ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ করেন বাসটিতে থাকা যাত্রীরা।
এই ঘটনায় যাত্রীদের অভিযোগের ভিত্তিতে নাটোর পুলিশ ওই বাসের চালক, চালকের সহকারী ও সুপারভাইজারকে আটক করে আদালতে পেশ করেছে। সেখান থেকে তারা জামিনে মুক্তি পেয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে।
যেসকল যাত্রী বাসটিতে ছিলেন, তাদের মধ্যে কয়েকজনের জনের সাথে কথা বলেছিল বিবিসি বাংলা। তারা অভিযোগ করছেন, বাসটিতে অন্তত একজনকে ধর্ষণ করা হয়েছে সেই রাতে।
সংবাদ মাধ্যমের কণ্ঠরোধ করে জাতিসংবঘের পেশ করা রিপোর্টের ৬ অধ্যায় নিষিদ্ধ করা স্বৈরাচারী সরকারের শাসণামলেই এই ঘটনা ঘটে গেল। আর সেদেশের অন্তরবর্তী সরকার নিশ্চুপ। যা নিয়ে আরও চাপে পরতে হবে মহম্মদ ইউনুসকে অভিমত বিশেষজ্ঞ মহলের।












Discussion about this post