বাংলাদেশে সেনাবাহিনীর মধ্যে কিছু একটা চলছে। এটা এর আগেই বারবার প্রকাশ পেয়েছে। নানা মন্তব্য ধেয়ে এসেছে বিভিন্ন মহল থেকে। এইবার সেনাপ্রধান দেশের বাইরে। কাজেই সেই সময়টাকে কাজে লাগিয়ে সেনাপ্রধানের বিরোধীরা নিজেদের কার্যসিদ্ধি করছেন বলে অনুমান। কিন্তু কি কার্যসিদ্ধি করছেন তারা? পাশাপাশি তারা কে? সেই নিয়ে নানারকম বিষয় উঠে আসছে।
আসলে হাসিনা পরবর্তী বাংলাদেশে মৌলবাদীদের বাড়বাড়ন্ত। সম্প্রতি বাংলাদেশের এই পরিস্থিতিতে সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন বাংলাদেশের সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ জামান। যার জেরে জিহাদিদের রোষানলে পড়েছেন তিনি। অনুমান রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের। এই আবহে বাংলাদেশ ছাড়লেন ওয়াকার উজ জামান। তিনদিনের সরকারি সফরে সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকে গিয়েছেন। আগামী ৭ মার্চ তিনি দেশে ফিরবেন।
এই পরিস্থিতিতে পথ থেকে সরাতে সেনাপ্রধানের বিরুদ্ধে মাহফুজ আলম সহ ইউনূসের বেশ কিছু সিন্ডিকেটের সদস্য গোপন বৈঠক করে। জানা গিয়েছে, ২০০৯ সালে পিলখানার ঘটনায় ভারতকে অভিযুক্ত করতে চেয়েছিল জামাতসহ বেশ কিছু মৌলবাদী। কিন্তু তাদের এই চক্রান্তের সঙ্গে সেনাপ্রধান মাথা নোয়ানি। তাই তাই তিনি রোষানলে পড়েছেন।
সূত্র মারফত খবর আসছে, সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক থেকে বাংলাদেশের আকাশ সীমায় ওয়াকার উজ জামানের বিমান প্রবেশ করলেই তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতা সহ একাধিক অভিযোগ আনা হবে। এরপরে ঢাকার বিমানবন্দরে সেনাপ্রধানের বিমান অবতরণ করলেই তাকে গ্রেপ্তার করা হবে। এমনটাই অনুমান করা হচ্ছে। তার জায়গাতে ফয়জুর রহমান কিংবা কামরুল হাসান কে সেনাকর্তা হিসাবে বসানো হবে।
অর্থাৎ ভয়ংকর পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে চলেছে বাংলাদেশ। কিছুদিন আগে অনেকে বলছিলেন
বাংলাদেশে সেনাপ্রধান মোটেই নিরাপদে নেই। আবার কেউ বলছেন, সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ জামান নিজের বিপদ নিজেই ডেকে নিয়ে এসেছেন। আবার কেউ কেউ বলছেন, সেনাপ্রধান মস্ত বড় ভুল করেছেন। অর্থাৎ বাংলাদেশে এখন যাবতীয় চর্চার কেন্দ্রবিন্দু সেনাপ্রধান।
৫ই অগাস্টের পর সেনাপ্রধান এমন কিছু মন্তব্য বা কার্যকলাপ করছেন, তাতে তিনি কাকে সমর্থন করছেন বা কাকে করছেন না, সেই নিয়ে বিভ্রান্ত তৈরি হচ্ছে।
বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়েছে ছয় মাস কেটে গিয়েছে। এখন সে দেশের সেনাপ্রধান কি এই সরকার পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিতে চলেছেন? নাকি তিনি এই সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রধান পদগুলিতে পরিবর্তন আনতে চাইছেন? বর্তমান বাংলাদেশে যেভাবে সংঘর্ষ, খুন, হানাহানি, ধর্ষণ বেড়েই চলেছে…সেই আবহে এই ধরনের প্রশ্ন ওঠাটা খুবই স্বাভাবিক।
এদিকে সম্প্রতি, সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ জামান বলেছেন, আমি সতর্ক করে দিচ্ছি। নিজেদের মধ্যে কাদা ছোড়াছুড়ি করে লাভ নেই। এতে অপরাধীরা সুযোগ নেবে।
আর যখন সেনাকর্তা এগুলো নিয়ে সরাসরি কথা বলতে শুরু করলেন, তখনই তিনি ইউনুসের রোষানলে পড়লেন। তার বিরুদ্ধে চলছে গভীর ষড়যন্ত্র চক্রান্ত। এখন দেখার, ৭ই মার্চ আসলে কি হতে চলেছে।












Discussion about this post