বাংলাদেশি বিশেষজ্ঞরা দাবি করছেন, বাংলাদেশের মানচিত্রে নজর রয়েছে ভারতের। এমনকি মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি তাদেরও নজর রয়েছে বাংলাদেশের উপর। পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তারাও দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের উপর নজরদারী চালাচ্ছে। সোনা কিছু চীন তারাও নিজেদের বাণিজ্যিক প্রসারের সম্ভাবনাকে তারা সাম্রাজ্যবাদী নীতিতে পরিবর্তিত করবে কিনা সেই সংশয় রয়েছে। তবে কি মোহাম্মদ ইউনুস এর শাসনামলেই ভেঙে টুকরো টুকরো হতে চলেছে বাংলাদেশ?
সাম্প্রতিককালে বাংলাদেশের সঙ্গে পাকিস্তানের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক সর্বজনবিহিত। কিন্তু পাকিস্তানও নিজেদের স্বার্থ নিয়েই বাংলাদেশের উপর উৎসাহ দেখাচ্ছে। তবে এটুকু বলা যায় যে পাকিস্তান হয়তো বাংলাদেশকে ভেঙে টুকরো টুকরো করতে চাইছে না বা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব কোন আঘাত হানতে চাইবে না।তবে বাংলাদেশকে ব্যবহার করে তারা ভারতকে নাস্তানাবোধ করার পরিকল্পনা সাজাচ্ছে। কিন্তু ভারতের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের যে প্রচেষ্টা সেটাকেও বাংলাদেশের মানচিত্রে পাকিস্তানের কোন অঞ্চল হিসেবেই গণ্য করা হচ্ছে।
গোয়েন্দা সূত্রে খবর, বেশ কিছুদিন আগেই বাংলাদেশে এসে ভারতের সীমান্ত লাগোয়া উত্তরের ‘চিকেনস নেক’ সংলগ্ন এলাকাতে ঢোকে পাক গোয়েন্দারা। তাদের সঙ্গে বাংলাদেশের আধিকারিকরা ছিলেন। হঠাৎ পাকিস্তানের ‘চিকেনস নেক’ ঘুরে দেখার কী প্রয়োজন পড়ল, তা নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে।
তবে,এই প্রসঙ্গে ভারতীয় সেনা প্রধান উপেন্দ্র দ্বিবেদীকে প্রশ্ন করা হলে, তিনি জানিয়েছিলেন, “আমরা কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী। এটা উভয় পক্ষই বুঝবে। আমরাও আগ্রাসী হতে পারি”।
বাংলাদেশ পাকিস্তানের যৌথ পরিকল্পনা ভারতের সামনে স্পষ্ট হওয়ার পরই এবার বাণিজ্যিক দিক থেকেও বাংলাদেশকে চাপে ফেলতে চাইছে ভারত। এতদিন বাংলাদেশ বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে যে সুবিধা পাচ্ছিল, সেটা বন্ধ করে দিল ভারত। বুধবার ভারত সরকারের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, বাংলাদেশ যে ট্রান্স-শিপমেন্ট সুবিধা পেত, সেটা বাতিল করে দেওয়া হচ্ছে। অর্থাৎ এবার থেকে আর ভারতের স্থলবন্দর ব্যবহার করে তৃতীয় কোনও দেশে নিজেদের পণ্য পাঠাতে পারবে না বাংলাদেশ। আর সেই সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশের অর্থনীতি বিপর্যয়ের মধ্যে পড়েছে, তবে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা লাভবান হবেন বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞমহল। ভারতীয় ব্যবসায়ী মহলের মতে, কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্তের ফলে পোশাক, জুতো, গয়না, রত্নের মতো ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত থাকা ভারতীয় ব্যবসায়ীরা লাভবান হবেন। বিশেষত বাংলাদেশের সঙ্গে পোশাক ক্ষেত্রে ভারতের সরাসরি প্রতিযোগিতা ছিল। ফলে লাভবান হবেন ভারতীয় ব্যবসায়ীরা। সেখানে বাংলাদেশ যে সিঁদুরে মেঘ দেখছে তা বলাই বাহুল্য।












Discussion about this post