পহেলগাঁওয়ের ঘটনায় ভারত যেভাবে ফুঁসছে, তাতে যে কোনও মুহূর্তে পাকিস্তানে হামলা চালাতে পারে ভারত। যে ঘটনা ঘটেছে, তাতে এত সহজে ভারত প্রশমিত হবে না। এটা বোঝে পাকিস্তানও। তাই তারা ভয়ে কাঁপছে। এইবার এক চাঞ্চল্যকর খবর সামনে এসেছে। সেটা হল পাকিস্তানের সেনাপ্রধান অসীম মুনির নিখোঁজ। তাকে নাকি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
কোথায় অসীম মুনির? তিনি কি পাকিস্তান ছেড়ে পালিয়ে গেলেন?
কাশ্মীরে ভয়াবহ ঘটনার পর প্রকাশ্যে দেখা যাচ্ছে না পাক সেনাপ্রধানকে। সূত্রের খবর, মনে করা হচ্ছে রওয়ালপিন্ডিতে কোনও ব্যাংকারে লুকিয়ে রয়েছেন অসীম মুনির। অন্য সূত্র থেকে জানা যাচ্ছে, হয়তো পাকিস্তানেছেড়ে পালিয়ে গিয়েছেন পাক সেনাপ্রধান। শুধুমাত্র নাকি তিনিই নন, তার পরিবারও নাকি দেশ ছেড়েছে। তবে কি হবে পাকিস্তানের? ভারতের সঙ্গে লড়াই কে লড়াই করবে? নাকি বিনা যুদ্ধেই হার স্বীকার করে নেবে পাকিস্তান? উঠছে প্রশ্ন।
উল্লেখযোগ্যভাবে, কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে যে ভয়াবহ জঙ্গি হামলা ঘটেছে, তাতে পাকিস্তানকে দুষছে ভারত। বেছে বেছে যে ২৬ জন পর্যটককে খুন করেছে জঙ্গিরা। সেই জঙ্গিদের লাগাতার মদত যুগিয়ে এসেছে পাকিস্তান। সেটা আগেই স্পষ্ট ছিল। কাশ্মীরের ঘটনার পর আরও পরিষ্কার। কারণ পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও পাক উপ প্রধানমন্ত্রী কয়েকটি মন্তব্য করেছেন। তারা বলছেন, আমরা সন্ত্রাসকে দীর্ঘদিন ধরে লালন করছি। এমনকি হামলাকারীদের স্বাধীনতা সংগ্রামী বলে অভিহিত করতে চেয়েছেন উপ প্রধানমন্ত্রী। ফলে কতটা নির্লজ্জ, অমানবিক দেশ হলে এটা করতে পারে, সেটা পরিষ্কার।
খবর পাওয়া যাচ্ছে, পাক অধিকৃত কাশ্মীরে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে দেওয়া হয়েছে। ছুটি বাতিল করা হয়েছে বিভিন্ন দফতরের সরকারি কর্মী ও স্বাস্থ্য কর্মীদের। গত ২৫ এপ্রিল যে নির্দেশিকা জারি করেছে ঝিলম ভ্যালির হেলথ ডাইরেক্টরেট, তাতে বলা হয়েছে, জরুরি ভিত্তিতে কাজ হবে। যে কোনও পরিস্থিতিতে হাসপাতাল এবং স্বাস্থ্য কর্মী, চিকিৎসকদের তৈরি থাকতে হবে। এতে যদি কোনওরকম গাফিলতি থাকে তবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কাশ্মীরের জঙ্গি হামলাতে পাকিস্তানের দিকেই ইঙ্গিত করেছে ভারত। তারপরই বেশ কয়েকটি করা পদক্ষেপ করেছে ভারত সরকার। সিন্ধু জলচুক্তি বাতিল থেকে পাকিস্তানিদের ভিসা বাতিলের নির্দেশ দিয়েছে নয়াদিল্লি। অন্যদিকে সীমান্তে কড়া প্রহরায় ভারতীয় সেনাবাহিনী। আর তাতেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে সীমান্তের ওপারে। সেই কারণেই কি পালিয়ে গেলেন পাক সেনাপ্রধান? শুরু হয়েছে নানা জল্পনা।












Discussion about this post