ফের আরও একটি বৈঠক।
হয়ে গেল সিসিএসের বৈঠক। সভাপতিত্ব করলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন তিন বাহিনীর প্রধান, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং, নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল ও সিডিএস প্রধান জেনারেল অনিল চৌহান। কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার পর এটি দ্বিতীয় সিসিএস বৈঠক। তবে কি এই বৈঠকেই চরম সিদ্ধান্ত নেওয়া হল? উঠে আসছে প্রশ্ন। যখন এপারে একের পর এক বৈঠক চলছে, তখন পাকিস্তানের মাটিতে কখনো জলশূন্য হয়ে যাচ্ছে, আবার কখনো জলে পরিপূর্ণ হয়ে বন্যায় ভাসছে। আসলে কাশ্মীরের এই জঙ্গি হামলার ঘটনায় ভারত পাকিস্তানকে নিশানা করবে, সেটা জানত তারা। কাজেই একের পর মন্তব্য ধেয়ে আসে পাকিস্তান থেকে। যদিও এখন তাদের সুর নরম। ভারত শুধু রণ সজ্জায় সজ্জিত তাই নয়, রীতিমতো গুটি সাজিয়ে ফেলেছে। তবে ভারত বোধ হয় এত সহজে যুদ্ধ করবে না। তবে কড়া পদক্ষেপ করবে সরকার, সেটা পরিষ্কার। গতকালই দেখা গিয়েছে, পাল্টা প্রত্যাঘাত হানতে মঙ্গলবার লোক কল্যাণ মার্গের বাসভবনে উচ্চস্তরীয় বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ৷ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল, চিফ ইফ ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল অনিল চৌহান এবং সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী, বায়ুসেনা প্রধান অমরপ্রীত সিং ও নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল দীনেশ কে ত্রিপাঠী ৷ জানা যাচ্ছে, এই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, পাকিস্তানকে কিভাবে প্রত্যাঘাত করা হবে! এমনকি জানা যাচ্ছে, পুরো বিষয়টি দেশের তিন বাহিনীর উপর ছেড়ে দিয়েছেন তিনি ৷ তিনি স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন, আমাদের বাহিনীর সম্পূর্ণ স্বাধীনতা রয়েছে। তারা কি সিদ্ধান্ত নেবে, কখন নেবে, ভারত কাকে নিশানা করবে। পূর্ণ স্বাধীনতা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, সন্ত্রাসবাদকে ধ্বংস করে দেওয়া এখন আমাদের জাতীয় সংকল্প।এখনও পর্যন্ত যে যে বৈঠক হয়েছে, তারমধ্যে আজকের বৈঠক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সন্ত্রাসবাদীর বিরুদ্ধে ভারতের সংকল্প। তিনি সশস্ত্র বাহিনীর উপর আস্থা রাখেন। পাকিস্তানের উপর চাপ সৃষ্টি করছে ভারত। আর তার সমস্ত গুটি সাজানো হয়ে গেছে। যদি কয়েক দিনের বৈঠকে দেখা যায়, তাতে স্পষ্ট বোঝা যায়, প্রত্যাঘাতের কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে। ভারত এতটাই ক্ষিপ্ত হয়েছে, সেখানে দেখা যাচ্ছে সেখানকার পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ একটি টুইট করেছিলেন। যেটি ভারত বিরোধী হওয়ার ফলে তার একাউন্টকে পুরো ব্যান্ড করে দিয়েছে। অর্থাৎ পাকিস্তান এমন ইমেজ তৈরি করেছে, তাতে যেখানেই যাচ্ছে সেখানেই হার মানছে। এখন দেখার, শেষমেশ কি পরিণতি হয় পাকিস্তানের।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post