বাংলাদেশের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির জন্য সরাসরি ভারতকে নিশানা মহম্মদ ইউনুসের। ফের সেদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের তরফে উঠে এলো ভারত বিরোধিতা। যা নিয়ে বিতর্ক দানা বাঁধছে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে। সর্বদলীয় বৈঠক শেষে ইউনূসের দাবি,ভারতীয় আধিপত্যের কারণে বাংলাদেশ বিরাট সংকটে।
ভারতের বিরুদ্ধে সরকারের অব্যাহত শত্রুতা এবং বাকযুদ্ধের পেছনের যুক্তি খুঁজতে ব্যস্ত বিভিন্ন মহল।
সম্প্রতি শেখ হাসিনার ভাইরাল অডিও বার্তায় তিনি বলেন, কখনোই তার দল বা সরকার আমেরিকার হাতে তুলে দিতে চায়নি। কিন্তু বর্তমান প্রধান উপদেষ্টা মোহাম্মদ ইউনুস তিনি সরাসরি বাংলাদেশকে বিদেশি অর্থাৎ আমেরিকানদের হাতে বিক্রি করে দিতে চাইছেন। তিনি আরো বলেন ক্ষমতা রক্ষার জন্য ইউনুস সন্ত্রাসবাদের আশ্রয় নিয়েছে, বাংলাদেশের জেল গুলি এখন সন্ত্রাসী মুক্ত। এখন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত সন্ত্রাসবাদীদের মুক্তাঞ্চল হয়ে উঠেছে। সদ্য ভাইরাল অডিওতে কি দাবি করেছেন শেখ হাসিনা শুনুন,,,
সম্প্রতি মোহাম্মদ ইউনুস তার পদত্যাগের ইচ্ছা প্রকাশ করেন , যদিও বিরোধীরা তাদের ইচ্ছা কে নাটক হিসেবে অভিহিত করছে। কারণ তারা বলছেন মোহাম্মদ ইউনুস এই পদত্যাগের জল্পনাটিকে উসকে দিয়ে দেশে তার জনপ্রিয়তা গুরুত্ব বোঝার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু এই নাটকের পর্দ দেখা গেল বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলি মহম্মদ ইউনুসের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে। সাধারণ মানুষ তারাও আস্থা হারিয়েছে ইউনুসের উপর থেকে। এক কথায় মোহাম্মদ ইউনুসের দিন শেষ হতে চলেছে বাংলাদেশে। আর নিজের ক্ষমতা হারানোর আতঙ্কে আতঙ্কিত হয়ে তিনজন উপদেষ্টা কে এবার মাঠে নামিয়েছেন মোহাম্মদ ইউনুস। তারা মাঠে নেমে সাধারণ মানুষকে বোঝানোর চেষ্টা করছে অন্তর্ভুক্তির সরকারের এখন তিনটি লক্ষ্য, দেশের সংস্কার, গণহত্যার বিচার ও দেশের নির্বাচন। কিন্তু সরকারের শাসনকালের দশ মাস কেটে যাওয়ার পরও দেখা যাচ্ছে মোহাম্মদ ইউনুস এই লক্ষ্যগুলিতে নজর না রেখে, একের পর এক দুর্নীতি ও প্রতিহিংসার সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছেন। বারে বারে প্রশ্ন উঠেছে দেশের সংস্কার বিচার ও নির্বাচন নিয়ে। সেখানে যখন সরকারের তরফ থেকে জানানো হচ্ছে নির্বাচন ডিসেম্বরের বদলে আগামী বছর জুনের মধ্যে সম্পন্ন হবে তখন মনে করা হচ্ছে এই সিদ্ধান্ত ছাত্র নেতাদের দ্বারা গঠিত রাজনৈতিক দল এনসিপিকে সংগঠন করার উদ্দেশ্যে। অর্থাৎ ছাত্র নেতারা চাইছেন মোঃ ইউনুস এর ওপর ভর করে এই ছয় মাসেই নিজেদেরকে রাজনৈতিক দল হিসেবে শক্তিশালী করে তুলে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ফের একবার ক্ষমতায় আসতে। কোটা বিরোধী আন্দোলন থেকে দেশে ক্ষমতা দখলের প্রচেষ্টা ছাত্রনেতাদের এই পরবর্তন টা সত্যিই অবাক করে সাধারণ জনগণকে।
সম্প্রতি এবার সেদেশের রাজনৈতিক দল গুলিকে নিয়ে একটি সর্বদলীয় বৈঠক করেন অন্তরবর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা। এই সর্বদলীয় বৈঠকের একমাত্র উদ্দেশ্য হলো, প্রতিটি রাজনৈতিক দলের তরফ থেকে সমর্থন আদায় করা আর সেই সমর্থন নিয়ে নির্বাচনটিকে বিলম্বিত করে আগামী বছর জুন পর্যন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। কিন্তু এই সর্বদলীয় বৈঠকে থেকে বড় ভুল করে বসবেন মুহাম্মদ জানিয়ে নিজের দেশের অভ্যন্তরে তাকে চাপের মুখে পড়তে হলো।
মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও নির্বাচনী সংস্কারে তার অযোগ্যতা এবং ব্যর্থতা থেকে জনসাধারণের মনোযোগ ঘোরানোর জন্য দেশে ভারতবিরোধী মনোভাব উস্কে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন।
ওইদিনের বৈঠক শেষ হয়ে বেরিযয়ে নাগরিক ঐক্য পাঠের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বেশ কিছু কথা জানিয়েছিলেন। বলেন ইউনূস একটি বার্তা পাঠিয়েছিলেন যেখানে বলা হয়েছে ‘ভারতের আধিপত্যের কারণে বাংলাদেশ একটি বড় সংকটের মুখোমুখি’।
অর্থাৎ,প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন যে ভারতীয় আধিপত্যের কারণে দেশ বিরাট সংকটে পড়েছে। দেশকে বাঁচাতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে, সংকট বলতে ইউনুস ভারতীয় আধিপত্যের ষড়যন্ত্র বোঝাতে চেয়েছেন। ভারতীয় আধিপত্য বাংলাদেশে এই পরিবর্তনকে মেনে নিতে চায় না। পারলে একদিনেই বাংলাদেশ ধ্বংস করে দিত, এবং তারা সেই লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সবকিছুই করছে ভারত। আর দেশের এই পরিস্থিতিতে ভারতকে নিশানা করে দেশে নিজের ক্ষমতা বিস্তারের বদলে এখন যেন দেশের অভ্যন্তরে নিজেই কোণঠাসা মোহাম্মদ ইউনুস।












Discussion about this post