ভারত এবার নতুন খেলা শুরু করেছে। আসলে এটি যুদ্ধ, একদিকে এটি দেশ ভাঙার যুদ্ধ,আবার অন্য দিকে বহু মানুষের বহুদিনের স্বাধীনতার আকাঙ্খ্যা এবং বহু বলিদানের বিনিময়ে সেই স্বাধীনতাকে ছুঁতে চাওয়ার সময়ে, ভারত এবং ভারতবাসীর শুভেচ্ছা।যারা এর মধ্যেই বুঝে গেছেন কি বলতে চাইছি, তাদেরও অনুরোধ করবো পুরো ভিডিওটি দেখতে। কারণ বর্তমান পরিস্থিতিতে ভারত আর কোন যুদ্ধ অস্ত্র দিয়ে হয়তো করছে না। তবুও যুদ্ধ হচ্ছে।যেহেতু ভারত খেলার ছলে চালাচ্ছে এই যুদ্ধ। তাই এখন আমরা এটিকে খেলাই বলব। কারণ এখানে কোন মিশাইল লাগবে না, কোন যুদ্ধ জাহাজ লাগবে না।লাগবে শুধু অজিত ডোভালের মত ঠান্ডা মাথার খেলোয়াড় থাকলেই হবে । যার বুদ্ধির কাছে ট্রাম্পের দাদাগিরি, পাকিস্তানের পরমানু হুমকি সব বেকার। এটিকে ছায়া যুদ্ধ অথবা মায়া যুদ্ধ যা বললে ভালো হয় বলতে পারেন। কারণ এখানে অস্ত্রও আপনার, আর সেই অস্ত্রের লক্ষ্যও আপনি। এবার ডোভাল স্যারের যুদ্ধ যুদ্ধ খেলার গল্পে আসি। অনেকেই হয়তো দেখেছেন মুম্বাই হামলার পর ডোভাল স্যারের সেই ভ্যাইরাল ভিডিও, যেখানে তিনি বলছেন পাকিস্তান আর একটা মুম্বাই ঘটালে বালুচিস্তান হারাবে।। তিনি এখন এনএসএ অর্থাৎ ভারতের ন্যাশানাল সিকিউরিটি এডভাইজার। তাই যুদ্ধ অস্ত্রের থেকে বুদ্ধি দিয়েই বেশী হবে তা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা। এবার আসি পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের সঙ্গে কোন ধরনের যুদ্ধ চালাচ্ছেন ডোভাল স্যার। যেখানে ট্রাম্পের দাদাগিরি করার কোন জায়গাই নেই। এখানে অনেকেই বলবেন আমেরিকার কাছে ভারত নত হয়েছে তাহলে। আমরা রাজনৈতিক ব্যক্তি নই, কিন্তু এটুকু বুঝি যে, যে যুদ্ধ দীর্ঘমেয়াদি সেই যুদ্ধে হঠকারীতা ঠিক নয়।আর দীর্ঘমেয়াদী এই কারণে যে, ম্যাপে যতদিন পাকিস্তান থাকবে, ততদিন ভারতকে যুদ্ধ নিয়েই বাঁচতে হবে। তাই বুদ্ধি করে যুদ্ধের কৌশল পাল্টে দেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। যুদ্ধের শেষে যদি জিততে পারি তাহলে, কার কাছে নত হতে হয়েছে সেটি নিয়ে আর কেউ কোন কথা বলার সূযোগ যেমন পাবে না, তেমন দেশও অন্য কোন শক্তিশালী দেশের সঙ্গে অযথা বিবাদে জড়াবে না। এবার আসা যাক ক্রমাগত চলতে থাকা যুদ্ধের বিষয়ে। পাকিস্তানের সঙ্গে যেহেতু যুদ্ধ চলছে তাই বাংলাদেশের আগে পাকিস্তান নিয়েই শুরু করা যাক। বালুচিস্তানের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শহর সুরাব, সেটি বালুচিস্তান লিবারেশন আর্মি দখল করে নিয়েছে। অনেকেই বলছে এতে নাকি ডোভাল স্যারের হাত আছে। বলা কথা তো, কতটা সত্যি মিথ্যে বলতে পারব না। অন্যদিকে ভারতের এলাকা যেটি পাকিস্তান অবৈধভাবে দখল করে রেখেছে সেই পিওকে। যেখানে সাধারণ মানুষের মধ্যে ভয়ঙ্কর পাকিস্তান বিরোধী আন্দোলোন শুরু হয়ে গেছে। তারা কি করছেন জানা যাক।তারা আইন অমান্য আন্দোলোন শুরু করেছেন। তাদের বক্তব্য হচ্ছে আমরা পাকিস্তানের কোন আইন মানবো না।ফলে কারাকোরাম হাইওয়ে লাস্ট তিন থেকে চার দিন বন্ধ হয়েছিল একটি গাড়ীও যাওয়া আসা করতে পারেনি। কেন এই আন্দোলোন, কারণ তারা দেখছে তাদের কে ধর্মের নামে – তাদের পাপ্য সুযোগ থেকে বঞ্চিত করে রাখা হচ্ছে। এখন তারা আর এই বঞ্চনা আর মানবে না। কারন তাদের এলাকাতে জলবিদ্যুৎ তৈরী হলেও তাদেরকে ২৪ ঘন্টায় মাত্র এক ঘন্টাও বিদ্যুৎ দেয় না পাকিস্তান সরাকার। তাদের শিক্ষার ব্যবস্থা নেই স্বাস্থ্য নেই,কিছুই নেই। তারা দেখতে পাচ্ছে ভারতের ইসলামিক পরিবার থেকে জন্ম নেয় এপিজে আব্দুল কালাম আর পাকিস্তানের থেকে জন্ম নেয় আজমল কাশাপ। তবে অনেকেই বলেন যে পিওকের সাধারণ মানুষের এই জাগরনের পিছনে নাকি অজিত ডোভালের হাত আছে, তবে সবই শোনা কথা। এবার আসা যাক সুরাবে কি হচ্ছে সেই বিষয়ে। সুরাব হল পাকিস্তানের একটি গুরুত্বপূর্ণ শহর, যেখানে ৪০ থেকে ৫০ হাজার মানুষ বাস করেন। সেখানে হাইওয়েতে পেট্রোলিং করছে বালুলিচিস্তান লিবারেশন আর্মি। তারা ঠিক করেছে যে সেখানে পাকিস্তানের কোন আর্মিকেই ঢুকতে দেবে না। সেই সঙ্গে তারা সেখানকার পুলিশ স্টেশন, ব্যাঙ্ক, এবং সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ সরকারী অফিসগুলির দখল নিয়েছে। অনেকে এখানেও অজিত ডোভালের হাত দেখছেন। এবার ছোট করে আসি বাংলাদেশের সঙ্গে ভারত কি করছে, সেই বিষয়ে। ইউনূস সাহেব এবং তোহিদ হোসেন বারবার বলছেন ভারত থেকে পুশিং হচ্ছে। তোহিদ হোসেন বার বার ভারতকে চিঠি লিখেছেন আবারও লিখবেন,এই বিষয়ে আলোচনা পরামর্শ করতে, কিন্তু ভারত তার কোন জবাব দিচ্ছে না। তোহিদ সাহেবের কাকুতি মিনতিতে কোন কাজ হচ্ছে না। তাই বিএনপির থেকে মজা করে বলা হচ্ছে আপনাদের হেডম থাকলে ভারতের সঙ্গে যুদ্ধ করুন। অনেকেরই হয়তো জানা আছে সম্প্রতি অমিত শা পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে জানিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তের মধ্যে যে ১৫ শতাংশ ফেনসিং বাকি আছে তা দ্রুততার সঙ্গে সম্পন্ন করার ব্যবস্থা করতে এবং পশ্চিমবঙ্গে যেন অবৈধ কোন ব্যক্তি না থাকে,তার ব্যবস্থা করতে। বিমান মহড়া হয়ে গেছে, ৮ তারিখ থেকে ১১ তারিখ আছে নৌমহড়া, তাই ভারত বুদ্ধি এবং অস্ত্র সব কিছু নিয়েই প্রস্তুত আছে।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post