বাংলাদেশের আওয়ামী লীগ সরকারের পর দেশজুড়ে অরাজকতার পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তবে আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ ১৫ বছরের শাসন কালে একাধিক অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করতে দেখা গিয়েছে। সেই সমস্ত দুর্নীতির দায়ে মামলাও হয়েছে নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে। কিন্তু এবার বর্তমানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা এবং ছাত্র সমন্বয়করা যে অপকর্ম গুলি সামনে আনছে তাতে আওয়ামী লীগ সরকারের সমস্ত দুর্নীতি সাফ হয়ে যাচ্ছে। অর্থাৎ দেখা যাচ্ছে সরকারের উপদেষ্টারা যেভাবে অযাচিত মন্তব্য করছে বা নিজেদের অপকর্ম ঢাকতে একাধিক মন্তব্য করছে সেই কারণেই, পথ পরিষ্কার হচ্ছে আওয়ামী লীগের। তেমনি বুধবার একটি অনুষ্ঠানে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল আরও এক মন্তব্য করলেন।
২৬ জুন রাজধানীর একটি হোটেলে গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের বিশেষ সংলাপে অংশ নিয়ে সরকারের উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে বারবার মিথ্যাচার করা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। তার দাবি, সরকার নিয়ে, এমনকি তাকে নিয়েও ভয়ংকর মিথ্যাচার চলছে। অথচ সরকার সেসব বিষয়ে প্রতিবাদও করে না, মামলা তো নয়ই।’ এই বিষয়ে তার অভিযোগ, অনেক সময় অন্যায় দাবি আসে, সেগুলোর প্রতি কোনো গুরুত্ব না দিলেই তাকে নিয়ে গালাগালি শুরু হয়। তিনি আরও বলেন, ‘আমাকে কখনো ভারতের দালাল বানানো হয়, কখনো গুজবের মাধ্যমে চরিত্র হনন করা হয়। এই সব কিছুই এখন জনগণের বিবেকের ওপর ছেড়ে দিয়েছি।’
উল্লেখ্য,দেশে বিচার বিভাগ ও পুলিশের ক্ষেত্রে বড় ধরনের সংস্কার প্রয়োজন। বিচার ব্যবস্থার উন্নয়নে সরকার কাজ করছে। আদালতগুলো ধাপে ধাপে ডিজিটালাইজ করা হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে ঢাকা ও চট্টগ্রামের দুটি আদালতে ইতোমধ্যে সেই প্রক্রিয়া চালু হওয়ার কোথাও এই অনুষ্ঠানে তুলে ধরেন আসিফ নজরুল। এরপরই তিনি স্বীকার করে নেন বাংলাদেশে অনেক মিথ্যা মামলা হয় এবং অনেককে অন্যায়ভাবে আটক করা হয়। এক্ষেত্রে সরকার এসব মামলার খতিয়ে দেখছে । অর্থাৎ তিনি বলছেন অনেকেই ব্যক্তিগত স্বার্থে মিথ্যা মামলা করে থাকেন। গণমাধ্যম প্রসঙ্গে তার বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘২৯টি আইনের সংস্কারের সুপারিশ করা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত ২৬৬ জন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে, কিন্তু গ্রেফতার হয়েছেন মাত্র ১৫ জন। সরকার এসব মামলার নেপথ্যে নেই । যারা মামলা করছে, তাদের মধ্যে অনেকেই হয়তো মিথ্যা মামলায় জড়াচ্ছেন।












Discussion about this post