আসলে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ভয় পাচ্ছেন কাকে? মব কালচার নাকি হাসিনার প্রত্যাবর্তনকে? মব কালচার থামাতে না পারলেও আওয়ামী লীগ নিধনে ক্লান্তি নেই অন্তর্বর্তী প্রশাসন এবং সেনাবাহিনীর। বলছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা।
জানা গিয়েছে, ক্যাপিটাল কলেজ ময়মনসিংহের অধ্যক্ষ মনোয়ার হোসেন খান মিনারকে যৌথ বাহিনীর তিন ঘণ্টা অভিযানের পর তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জানা যায়, তিনি ২০২০ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগের সঙ্গে জড়িত ছিলেন সক্রিয়ভাবে। তবে তার কোনও পদ ছিল না। তিনি সদস্য ছিলেন। বুধবার বিকেল ৪টার দিকে কলেজ ক্যাম্পাস থেকে তাকে পুলিশ ও সেনাবাহিনী যৌথ অভিযান চালিয়ে আটক করে বলে জানান সেনাবাহিনীর ১৩ ব্যাটালিয়ানের অধীন ময়মনসিংহ সদর ক্যাম্পের কমান্ডার মেজর জায়েদ। তিনি জানান, সোশ্যাল মিডিয়াকে ব্যবহার করে পলাতক আওয়ামীলীগ নেতা কর্মীদের সংগঠিত করে সহিংসতামূলক কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করেছেন। তাই তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুনুন তার বক্তব্য
তার মোবাইল ফোন এবং বিভিন্ন অ্যাপস ব্যবহার থেকে বেশ কিছু নাকি রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। এমনটাই অভিযোগ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বাংলাদেশে মব ঠেকানো যাচ্ছে না। এদিকে জেনারেল ওয়াকার উজ জামানের সেনাবাহিনী আওয়ামী লীগ নিধনে কোনও ক্লান্তি নেই। মেজর জায়েদ বলছেন, দেশের সর্বভৌমত্ব নষ্ট হয় এমন কাজ তারা সহ্য করবেন না। এখানে প্রশ্ন হচ্ছে, আওয়ামী লীগ কি সার্বভৌমত্ব নষ্টের বড় কোনও হুমকি দেশের জন্য? যে দলটি এত বছর ধরে ক্ষমতায় ছিল? এদিকে বাংলাদেশে মব ভায়োলেন্স অব্যাহত রয়েছে। সরকারি বিজ্ঞপ্তি, সেনাবাহিনীর গ্রেফতারির পরও থামান যাচ্ছে না। সাবেক নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদার উপর মবের জন্য তিনজনকে গ্রেফতার করা হলেও আদালতে তারা জামিন পেয়ে যায়। তাহলে কিভাবে ভয় পাবে মব বাহিনী? উঠছে প্রশ্ন। অনেকে বলছেন, আসলে মব ভায়োলেন্স নিয়ে মাথা ব্যথা নেই ইউনূসের। তিনি আওয়ামী লীগের কার্যক্রম এবং সেই দলের সঙ্গে জড়িত সবাইকে আটকাতে ব্যস্ত। আসলে হাসিনার প্রত্যাবর্তনের ভয় পাচ্ছেন ইউনূস। এমনকি সেনাপ্রধানের ভূমিকা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।












Discussion about this post