ভারতের স্পষ্ট ভাষা। সন্ত্রাসবাদকে কোনওভাবে সহ্য করবে না। প্রয়োজনে সমস্ত একশন নেবে। সেটা নিয়েছে। শত্রুকে যোগ্য জবাব দিয়েছে ভারত। নিমেষে ভেঙ্গে গুড়িয়ে ধ্বংস করে দিয়েছে গুপ্ত ঘাটি। এবার আরও শক্তিশালী ভারত। কারণ চিন পাকিস্তানের পাতালপুরীর পরমাণু গুপ্ত ঘাটি থেকে শুরু করে আমেরিকার ধাঁচে এবার ব্যাংকার বাস্টার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে নাকি এগিয়ে যাচ্ছে ভারতবর্ষ। সেই কারণেই ঘুম ছুটেছে বেজিং এবং ইসলামাবাদের। তার সঙ্গে বাংলাদেশেরও। আন্তর্জাতিক সামরিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কয়েক মাসের মধ্যে ভারতের হাতে এমন শক্তিশালী অস্ত্র এলে, চিন এবং আমেরিকার মত শক্তিশালী দেশের সমান সমান যাবে ভারত। তখন আর শত্রুরা পার পাবে না। অনেকে বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের তালে তাল মেলাচ্ছে ভারত।
দেশের সেনাকে নতুন এবং নয়া প্রজন্মের হাতিয়ারের সাজিয়ে তুলতে ব্যাংকার বাস্টার নিমানে প্রস্তুত নিচ্ছে দেশীয় প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা ডিআরডিও। অগ্নি ফাইট। অর্থাৎ আন্ত মহাদেশীয় বাস্টার ক্ষেপণাস্ত্র। এটি একটি নতুন সংস্করণ। যেটা তৈরি করেছে তারা। এটি নাকি ভূ গর্ভের গভীরে ঢুকে হামলা করতে সক্ষম হবে বলে জানা যাচ্ছে। এটি কয়েক বছর আগে এটি পরীক্ষা করে ভারত। সেটি সফল হয়। এটি পরমাণু বহনকারী ক্ষেপণাস্ত্র। এমনকি জানা যাচ্ছে, মাটির গভীরে থাকা কংক্রিটের চাদর সেটি কেটে প্রায় ১০০ মিটার গভীরে ঢুকে যাবে। এরপর ঘটবে বিস্ফোরণ। এরকম একটি ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে ভারত নজর দেওয়ার হইচই শুরু হয়েছে গোটা বিশ্ব জুড়ে।
অন্যদিকে কেউ কেউ আবার অগ্নি ৫ এর নতুন সংস্করণের সঙ্গে আমেরিকার ব্যাংকার বাস্টার বোমার সঙ্গে তুলনা টানছেন। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হয়, চলতি বছরের ২২ জুন ইসরায়েলের পক্ষে দাঁড়িয়ে সংশ্লিষ্ট বোমাটি ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবহার করে আমেরিকা বিমান বাহিনী। তারপরই নাকি যুদ্ধ বিরতিতে রাজি নয় জুজুধান দুই পক্ষ। তবে আমেরিকার ব্যাংকার বাস্টার বোমার সঙ্গে ভারতের অগ্নি ৫ এর মধ্যে বেশ কিছু পার্থক্য রয়েছে। আমেরিকার ব্যাংকার বাস্টার বোমা বা জিবিইউ 57 আমেরিকার কৌশলগত স্টেলথ বোমারু বিমান বি 2 স্পিরিট থেকে নিক্ষেপ করতে হয়। অন্যদিকে অগ্নি ৫ ভূমিতে বসানো লঞ্চারের মধ্যেমে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারবে। এদিকে আমেরিকার জিবিইউ 57 ২০০ মিটার গভীরে মাটির নিচে থাকা বস্তুকে আঘাত হানতে পারে। এমনকি ধুলিস্যাৎ করে দিতে পারে। যার ওজন ১৩ হাজার ৬০৭ কিলোগ্রাম। সেদিক থেকে অগ্নি 5 অনেকটা হালকা। জানা যাচ্ছে, আমেরিকার জিবিইউ 57 মোড়া থাকে শক্তিশালী এবং অতি সহনশীল ইস্পাতের আবরণে। এদিকে ভারতের অগ্নি 5 এর যে প্রচলিত বিস্ফোরকগুলি থাকবে , সেগুলির ওজন ৮ টন পর্যন্ত। এছাড়াও আসল অগ্নি 5 এর রেঞ্জ ৫০০০ কিলোমিটার এবং মূলত পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম। কিন্তু অগ্নি-৫ এর নয়া সংস্করণটি কনভেনশনাল অস্ত্র বহন করবে। এছাড়াও জানা গিয়েছে, ৭৫০০ কিলোগ্রাম ওজনের বিস্ফোরক বহন করতে পারবে এই ক্ষেপণাস্ত্র। ফলে এই শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্রটি আসার খবরে ঘুম উড়েছে শত্রু দেশগুলির।












Discussion about this post