ভারত সরকারের পক্ষ থেকে যে পদক্ষেপ করা হচ্ছে, সেটি শেষ দশ বছরে অত্যন্ত বড় এবং চমকপ্রদ বলে মত আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের। ভারত ঘোষণা করেছে, ১ লক্ষ কোটি টাকার অস্ত্র কিনবে। হঠাৎ কেন এই সিদ্ধান্ত, না ঘিরে প্রবলভাবে আলোচনা চলছে। ভারত নাকি নির্দেশ দিয়েছে, এই প্রক্রিয়াটি অতি দ্রুত করতে হবে। এই পরিস্থিতিতে নাকি ডিফেন্স অ্যাকিওজিশিন কাউন্সিলকে নোটিফাই করা হয়েছে। এবং মিনিস্টারি অফ ডিফেন্সকে তৎপরতা শুরু করেছে। ভারত যে যে অস্ত্র নাকি কিনবে, সেগুলি বিদেশি শক্তিদের থেকে আনা হবে না। অর্থাৎ ভারতের সংস্থা থেকে সেগুলি কেনা হবে। যেটা অনেককে চমকে দিয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে একটাই প্রশ্ন। হঠাৎ কি এমন ঘটল, যে কারণে ভারত এত বিপুল অর্থ ব্যয় করে অস্ত্র কিনতে যাচ্ছে? অনেকে আবার প্রশ্ন তুলছেন, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধের পথে ভারত? আসলে সেটি না ঘটলেও পাকিস্তান এবং মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশকে চরম হুশিয়ারি ভারতের।
কেউ কেউ প্রশ্ন তুলছেন, তবে কি পাকিস্তানকে শায়েস্তা করতে, ভারত তৈরি হচ্ছে? নাকি অন্য কোনও কারণ রয়েছে? কেউ কেউ আবার বলছেন, ভারতকে বাদ দিয়ে চীনে পাকিস্তান ও বাংলাদেশ বৈঠক করেছে। সেই কারণেই কি সিদ্ধান্ত নিচ্ছে ভারত? কারণ এই জোট তৈরি হলে সার্ক এর গুরুত্ব থাকবে না, সেটা বলাই বাহুল্য।
ভারত ইতিমধ্যেই ঘোষণা করেছে, ভারত এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম কিনবে। ৩০ হাজার কোটি টাকার বলে জানা যাচ্ছে। এই ডিফেন্স সিস্টেমটি যেকোনো জায়গায় দ্রুত নিয়ে যাওয়া যাবে। যেটি তৈরি করবে ভারতের ডিআরডিও। অর্থাৎ ভারত সরকার ডিফেন্স সিস্টেমকে আরো শক্তিশালী করতে চাইছে।
অন্যদিকে ভারতের নৌ বাহিনীর জন্য, নেভি মাইন কাউন্টার। এই সিস্টেমটি জলের তলায় মাইন কে শেষ করে দিতে সক্ষম। আর একটু অস্ত্রের কথা উঠে আসছে। সেটি হল মুর্ড মাইনস। এটির সাহায্যে শত্রুপক্ষ যেমন সমুদ্রের তলায় মাইন বেছাতে পারবে, তেমন ভারতও এটার সাহায্য করতে পারবে। এছাড়াও জানা গিয়েছে, সাবমার্সেবেল অটোনোমাস ভেসেল। যা সমুদ্রের তলায় একশন নিতে পারবে।
আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্রের কথা উঠে আসছে। সুপার রেপিড গুন মাউন্টস, ইলেট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম। অনেকে বলছেন, ভারতের এই খবরে ঘুম উড়েছে প্রতিবেশী দেশের। বিশেষত পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের। যারা ভারতের বিরুদ্ধে জোট তৈরি করার চেষ্টা করছে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে।












Discussion about this post