বাংলাদেশে মব কালচার অব্যাহত। হিন্দু সংখ্যালঘুরা আক্রান্ত হচ্ছেন। সাধারণ মানুষ নিস্তার পাচ্ছেন না। অথচ সরকারের তরফে বলা হচ্ছে, মবের অস্তিত্ব নেই। কখনও মবের অন্য ব্যাখা করা হচ্ছে। আর ঠিক সেই সময় দাঁড়িয়ে মব নিয়ে অকপট স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। যদিও তিনি দাবি করলেন, মব নিয়ন্ত্রণে সরকার কাজ করছে। আসলে কি বলতে চাইলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা? তবে কি বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে যাচ্ছে পরিস্থিতি?
যত দিন এগোচ্ছে বাংলদেশে মব চরম আকার ধারণ করছে। এদিকে সরকারের বিভিন্ন উপদেষ্টারা মব নিয়ে অস্বীকার করছেন। এমনকি যারা এর বিরুদ্ধে কথা বলছেন, তাদের শাসাচ্ছেন পর্যন্ত। ঠিক সেই মুহূর্তেই মব ভায়োলেন্স নিয়ে স্বীকার করে নিলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি বললেন, যারা এর সঙ্গে জড়িত তাদের ছাড় দেওয়া হবে না। অপরাধী যতই শক্তিশালী হোক না কেন, তাদের খুঁজে বের করে নিয়ে আসা হবে বলে জানান তিনি।
কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, কার্যকর কোথায়? আদেও যেটা বলা হচ্ছে, সরকারের পক্ষ থেকে, সেটার বিরুদ্ধে বাস্তবিক অর্থে কি কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে? আসলে তো সেই ছবি নজরে আসছে না। বরং উল্টোটাই নজরে আসছে। সম্প্রতি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি কে মব করা হয়েছে। সেক্ষেত্রে কি মব বাহিনীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে? চট্টগ্রাম ক্লাবে বিয়ের গেটে যারা মব করলো তাদের বিরুদ্ধেও কোনও একশন নেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়নি। পোটিয়া থানায় যারা পুলিশের উপর মব চালালো তাদের বিরুদ্ধে কি কোনও একশন নেওয়া হয়েছে?উল্টে দেখা গেল সরকার সেই থানার ওসিকে সরিয়ে দিল। অথচ যারা অন্যায় করেছে তাদের গ্রেফতার করা হয়নি।
শেষ দেখা গিয়েছে সাবেক নির্বাচন কমিশনারের উপর মবের ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তারপর আর সেরকম কোনও একশন নেয়নি পুলিশ। অনেকে বলছে, এতেই উৎসাহ পাচ্ছে মব বাহিনী। সরকারের তরফে আবার বলা হচ্ছে, এগুলি আসলে প্রেসার। ১৭ বছর ধরে জমে রাখা মানুষের ক্ষোভ। এখানেই রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরকারের তরফে এমন কথা বলে কি মবকে উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে? এমনকি যারা এর বিরুদ্ধে কথা বলছে, তাদের বিরুদ্ধেও অ্যাকশন নেওয়া হচ্ছে।












Discussion about this post