ইতিমধ্যেই বেশ কিছু ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে, ঢাকাতে কয়েকটি বড় বড় মিছিল। ওই মিছিল গুলি থেকে বেশ কিছু স্লোগান উঠে এসেছে। যেগুলি দেশের সার্বভৌমত্বের জন্য এবং বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তির জন্য যথেষ্ট আপত্তিকর এবং বিপদজনক। আসলে সেই স্লোগান ছিল, তুমি কে, আমি কে জঙ্গি জঙ্গি। কেন বাংলাদেশের মানুষ এই স্লোগান দিচ্ছে? কি বোঝাতে চাইছে তারা? এরপর সরকারের অবস্থান কি হবে? তারা কি এখনও নিশ্চুপ হয়ে থাকবে? তা ঘিরে তুমুল সমালোচনা তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। সোশ্যাল মিডিয়াতে নিন্দার ঝড় বয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের পরিস্থিতি যে অত্যন্ত ভয়াবহর দিকে যাচ্ছে, সেটার বলার অপেক্ষা রাখে না।
রাজধানীতে যে বড় দুটি মিছিল বেরিয়েছিল, সেখানে স্লোগান উঠেছে, তুমি কে, আমি কে, জঙ্গি জঙ্গি। কে বলেছে, কে বলেছে, স্বৈরাচারী সঙ্গী সঙ্গী। এমনকি ওই মিছিলে আইএসের পতাকা দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। তাহলে কারা মিছিল করল সেটা কি জানে না সরকার? তাদের আসল উদ্দেশ্য কি? তবে কি এটাই প্রমাণ করছে, যে দেশে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ আর নেই। দেশে জঙ্গি গোষ্ঠীরা প্রতিষ্ঠা পাচ্ছে। এই সর্বভৌমত্বের সরকার জানার পরও কেন নিশ্চুপ রয়েছে? প্রশ্ন উঠছে। সরকারের ভিতরে কি কোনও পৃষ্ঠপোষকতা তৈরি হয়েছে? গত এক বছরে বিভিন্ন মিছিল, প্রতিবাদে আইএসের পতাকা দেখা গিয়েছে। কিন্তু কোনও পদক্ষেপ করেনি মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
এই ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন আলজাজিরার সাংবাদিক জুলকারনাইন সাইয়ে। তিনি বলতে চেয়েছেন, এদের কথাতে কি দেশ চলবে? এরা কি দেশের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার করবে? আর সেটা করতে দেবে সরকার? তারা কি বার্তা দিতে চাইছে? তাদের অবস্থান ঠিক আর বাকিদের অবস্থান ভুল? এটা প্রমাণ করার চেষ্টা করছে?
আসলে বাংলাদেশের প্রত্যেকদিন যে যে ঘটনা ঘটছে, তবে দেশের সাধারণ মানুষ আশঙ্কায় থাকছেন। তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। দেশের সরকার বদলে গেলেও নতুন সরকার কোনও ভাবেই তাদের সুরক্ষা দিতে পারছে না বলে অভিযোগ উঠছে। যারা এই ধরনের মিছিল সংগঠিত করেছে এবং এই ধরনের স্লোগান দিয়েছে, তাদের জবাবদিহির আওতায় নিয়ে আসা হোক। কারণ তারা সেই মিছিলে আইএসের পতাকা ব্যবহার করেছে। তাদের সুদূর প্রসারী কোনও লক্ষ্য হয়ে থাকলে, অবশ্যই সরকারের এই মুহূর্তে পদক্ষেপ করা উচিত। নাহলে দেশটাকে রক্ষা করা অনেক বেশি কঠিন হয়ে পড়বে সরকারের। তখন শুধু বাংলাদেশের মানুষ নয়, বা ভারত নয়, গোটা বিশ্বের কাছে জবাব দিতে হবে মহম্মদ ইউনূসকে।












Discussion about this post