বাংলাদেশ বায়ুসেনার F7-এর বিমান ভেঙে পড়ে উত্তরার মাইলস্টোন কলেজের উপর। জানা গিয়েছে, সোমবার দুপুর দেড়টা নাগাদ ওড়ার ১২ মিনিটের মধ্যেই কলেজ ভবনের উপর বিমানটি ভেঙে পড়ে। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। এখনও পর্যন্ত ২৮ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যাচ্ছে। পাইলটেরও মৃত্যু হয়েছে। তার নাম, তৌকির ইসলাম। এমনকি প্রশিক্ষণের সমস্ত ধাপ শেষে প্রথমবারের মতো একা বিমান চালাবেন এই খবরে পরিবারের সদস্যরা সোমবার সকাল থেকেই উচ্ছসিত ছিলেন। কিন্তু দুপুরেই সব শেষ হয়ে গেল। আর এই দুর্ঘটনা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে। এমনকি এই ঘটনা কেন ঘটল, তেমন নানা প্রশ্নে বিদ্ধ করা হচ্ছে সেনাবাহিনীকে। দুর্ঘটনার দায়ী সরকার এবং সেনাবাহিনীকে নিতে হবে বলে জানাচ্ছেন অনেকে।
জানা যায়, ওই বিমানটি চীনের তৈরি। এটি একটি যুদ্ধ বিমান ছিল। ওই বিমানটি প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহার করা হয় বলে জানিয়েছেন সেনাপ্রধান। এটি ১৯৬০ সালের তৈরি আপগ্রেডেড ভার্সন এই বিমানটি এখনও পর্যন্ত নাইজেরিয়া, উত্তর কোরিয়ার মত কয়েকটি দেশ ব্যবহার করে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তরফে জানানো হয়েছে, পাইলট প্রশিক্ষণের জন্য এই বিমান ব্যবহার করা হত। তবে এই প্রথম নয়। এর আগে দুবার এই সিরিজের বিমান ভূপাতিত হয়েছে। ২০১৮ সালে নভেম্বরে টাঙ্গাইলে মধুপুরে রসুলপুরে প্রশিক্ষণের ফায়ারিং রেঞ্জের সময় এই বিমান বিধ্বস্ত হয়েছিল। তখন একজন কমান্ডার নিহত হয়েছিলেন। এরপর ২০২১ সালে নভেম্বরে বঙ্গোপসাগরে ভূপাতিত হয়েছিল। তখনও একজন নিহত হয়েছিলেন। জানা যায়, বাংলাদেশের যুদ্ধ বিমানে f7 এর 36 টা বিমান রয়েছে। প্রশ্ন উঠে যাচ্ছে, তবে কি এই বিমানগুলি নিরাপদ নয়? প্রশ্ন উঠে আসছে। এমনকি সরকারের দেখা উচিত বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ এতগুলো মৃত্যুর দায় সরকার ও সেনাবাহিনীকে নিতে হবে বলে দাবি তুলছেন অনেকে।
ইতিমধ্যেই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার মঙ্গলবার রাষ্ট্রীয় শোক হিসেবে ঘোষণা করেছেন। তবে সরকার নাকি এখনো আহতদের সংখ্যা নাকি জানাতে পারেনি। তা ঘিরে ছাত্রদের পরিবারের তরফে প্রবল বিক্ষোভ চালানো হচ্ছে। অনেকে বলছেন, যে ছাত্রদের জন্য মোহাম্মদ ইউনুস প্রধান উপদেষ্টা হয়ে সিংহাসনে বসলেন, এবার আসল ছাত্রদের বিক্ষোভে ক্ষমতাচ্যুত হবে তার। এখন দেখার, শেষমেষ কি হয়।












Discussion about this post