একটি খবরে বাংলাদেশে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। জানা যাচ্ছে, সারা দেশের জেলা কারাগারগুলোতে আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী, এমপিদের যাদের আটক করেছিল তাদের একসঙ্গে নাকি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আনা হচ্ছে। এবং তাদের একসঙ্গে নাকি হত্যা করা হবে। আসলে ঘটনাটি গুজব নাকি সত্যি? এমন নানা প্রশ্ন উঠে আসছে। এর পাশাপাশি এই খবরও উঠে আসছে, যে এই ষড়যন্ত্রের পিছনে রয়েছে কে? প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস নাকি সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামান?
এই খবরটি এখনো পর্যন্ত বাংলাদেশের মেন স্ট্রিম মিডিয়া প্রকাশ্যে আনেনি। তবে ভারতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমে এই খবর চাউর হয়ে যায়। শুধু তাই নয়, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এই খবরের ওপর ভিত্তি করে নানা বক্তব্য রাখছেন। কোনও কোনও আওয়ামীলীগ নেতা জানাচ্ছেন, এই খবর তারা পেয়েছেন এবং সরকারের উদ্দেশ্য নিয়ে তারা শঙ্কা প্রকাশ করছেন। বাংলাদেশের ৫ই আগস্টের পর প্রায় ৩০ জন আওয়ামীলীগ নেতা খুন হয়েছেন। এর আগে গাজীপুরে কেন্দ্রীয় কারাগারে জেল হত্যার চেষ্টা হয়েছিল। সেই পরিকল্পনা ফাঁস হয়ে যাওয়ায় হত্যা করা সম্ভব হয়নি। আরও বলা হয়, বাংলাদেশের ৫ই আগস্ট এর পর যত অঘটন এবং হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, সেটা প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূসের প্রত্যক্ষ মদতে হয়েছে।
আসলে বাংলাদেশে চলছে টা কি,? সত্যিই কি জেলা আদালত থেকে আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের কেন্দ্রীয় কারাগারে জড়ো করা হচ্ছে? অনেকে বলছেন, সেটি যদি হয়ে থাকে তবে অস্বাভাবিক কিছু নয়। দেশের জেলা কারাগারগুলোতে যথেষ্ট অরক্ষিত। আগামী ৫ই অগাষ্ট আওয়ামী লীগের পতনের এক বছর। এই উপলক্ষে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাজ সাজ রব। এটা যখন সরকার উদযাপন করবে, তখন সরকারের মধ্যে চাপা আতঙ্ক কাজ করছে। কারণ অনেকে বলছেন, ৫ই অগাস্টকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ কিছু একটা করতে চলেছে। অনেকে আবার বলছে, ৫ই অগাস্টের আগেই মহম্মদ ইউনূস সরকারের পতন ঘটে যেতে পারে। তবে এখনও পর্যন্ত তেমন কোনও নমুনা দেখা যায়নি। তবে আওয়ামী লীগের নেতা, এমপি বা মন্ত্রীদের একসঙ্গে নিয়ে এসে হত্যা করা হতে পারে, এই বিষয়টি অত্যন্ত গুজব বলে উড়িয়ে দিচ্ছে ওয়াকিবহাল মহল। যদিও এই সরকার সাধারণ মানুষের চিন্তা ভাবনার বাইরে কাজ করে যাচ্ছে। তবে এই ধরনের ঘটনা না ঘটার সম্ভাবনা বেশি, বলছে ওয়াকিবহাল মহল। কারণ বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বিচার প্রক্রিয়ার বিতর্কে জন্ম দিলেও সেটার উপরে আস্থা রাখছেন অনেকে। এখন দেখার, আসলে কি হতে চলেছে বাংলাদেশে।












Discussion about this post