যুদ্ধের হুংকার ভারতের। ফের কি তবে যুদ্ধ করতে চলেছে ভারত? লক্ষ্য কি পাকিস্তান? নাকি বাংলাদেশও রয়েছে টার্গেটে? আসলে কি বলতে চাইলেন ভারতের সেনাপ্রধান উপেন্দ্র দ্বিবেদী এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী?
কিছুদিন আগেই গোটা বিশ্ব দেখেছে ভারতের অপারেশন সিঁদুর। যার লক্ষ্য ছিল পাকিস্তান। পাকিস্তানের জঙ্গিরা। কিন্তু এবার যে বিষয় সামনে এসেছে তাতে কি ফের টার্গেট পাকিস্তান? কারণ বারবার ভারতের তরফে বলা হয়েছে, অপারেশন সিঁদুর শেষ হয়নি। নতুন করে কি অপারেশন সিঁদুরই করা হবে? নাকি বহু বিশ্লেষক যেমন বলছেন, এই লড়াই ত্রিমুখী হতে চলেছে? যেখানে রয়েছে বাংলাদেশ? সম্প্রতি বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে ভারতের। যেটা বহুবার স্বীকার করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। সম্পর্ক উন্নত করা হচ্ছে বলে জানান তিনি। এমনকি ভারতের তরফে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে, দেশের স্বার্থে আঘাত লাগে এমন কোনও কাজ যেন না করে প্রতিবেশী দেশ। এদিকে সম্প্রতি আমেরিকার সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে ভারতের। অতিরিক্ত শুল্ক চাপিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু অবস্থা পরিবর্তন করেননি নরেন্দ্র মোদী। বরং চিন ও রাশিয়াকে বন্ধু করতে চাইছে ভারত।
অন্যদিকে বাংলাদেশ আমেরিকাকে তুষ্ট করতে করিডোর, বন্দর দেওয়ার কথা জানিয়েছে। যেটা দিলে সবথেকে ক্ষতিগ্রস্ত হবে চীন এবং ভারতও। রাশিয়া চীন বা ভারত কেউই চাইবে না, এই উপমহাদেশে আমেরিকার আধিপত্য বিস্তার হোক। কিন্তু যদি সেই সুযোগ বাংলাদেশ করে দেয়, তবে চিন, রাশিয়া ও ভারতের টার্গেট হবে বাংলাদেশ। সেটাই কি ইঙ্গিত দিলেন ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী? আসলে কি বলেছেন সেনাপ্রধান শুনুনআবার কেউ কেউ বলছেন, যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হলে যুদ্ধটা দ্বিমাত্রিক দিকে এগোবে। ভারতের টার্গেটে থাকবে পাকিস্তান। তার সঙ্গে বাংলাদেশ। অন্যদিকে আমেরিকাকে তুষ্ট করতে গেলে রোষানলে পড়বে ইউনূসের দেশ। পাশাপাশি ভারত বা চিন, রাশিয়ার কথা চিন্তা করতে গেলে আমেরিকা বা আরাকান আর্মিদের রোষানলে পড়তে হবে বাংলাদেশকে। ফলে চারিদিক থেকে আটকে গিয়েছে বাংলাদেশ। আর পরিস্থিতির জন্য দায়ী প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস। বলছেন সেই দেশেরই মানুষ। এখন দেখার, এই জটিলতা কাটিয়ে উঠতে পারে কিনা পদ্মাপাড়ের দেশ!












Discussion about this post