গত বছরের অগস্টে শেখ হাসিনার ইস্তফার পর থেকে বিভিন্ন ইস্যুতে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের চাপানউতোর বেড়েছে।যদিও হাসিনার ইস্তফার বিষয়টি নিয়ে অনেক মতভেদ আছে। গত বছরের ৫ই অগস্ট প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে বাংলাদেশ ছাড়েন হাসিনা। এর তিন দিন পর মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করা হয়।তারপর থেকেই সেদেশে হিন্দু-সহ সংখ্যালঘুদের উপর হামলার নানা ছবি সামনে আসে।
বিগত কয়েকমাস ধরে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের মধ্যে টানাপোড়েন চলছে। এরই মাঝে পদ্মাপারের দেশের অন্তর্বর্তী সরকারের চিন প্রীতি আরও চাপে ফেলল বাংলাদেশকে।ভারতের সঙ্গে বাড়াবাড়ি করলে চড়া মাসুল দিতে হবে—এবার কার্যত সেই বার্তাই দিল নয়াদিল্লি। শনিবার কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রকের অধীনস্থ বৈদেশিক বাণিজ্য দফতর (DGFT)-এর জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, নির্দিষ্ট কিছু স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশ থেকে রেডিমেড পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্যসহ বেশ কিছু সামগ্রী আমদানি আর করা যাবে না।
ডিজিএফটির জারি করা নির্দেশিকায় স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা, মিজোরাম এবং পশ্চিমবঙ্গের চ্যাংড়াবান্ধা ও ফুলবাড়ি সীমান্ত চেকপোস্ট-এর মাধ্যমে এই পণ্যগুলি ভারতে প্রবেশ করতে পারবে না। তবে কলকাতা ও মুম্বইয়ের মতো সমুদ্রবন্দর ব্যবহারের অনুমতি থাকছে। অর্থাৎ সরাসরি স্থলপথে আমদানির পথ বন্ধ হল।
বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্ত কেবল বাণিজ্যিক নয়, কূটনৈতিক প্রতিক্রিয়া হিসেবেও দেখা যেতে পারে। সম্প্রতি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস চিনে এক বক্তৃতায় ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলিকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেন।(বাইট মহম্মদ ইউনূস) ভারতের তরফে ইউনূসের এই মন্তব্যকে অপমানজনক হিসেবে উল্লেখ করা হয়। পরবর্তী পর্যায়ে ভারত এই পদক্ষেপের মাধ্যমে কূটনৈতিক বার্তা দিতে চায় বলে মনে করা হচ্ছে।
সে দেশ থেকে আরও কিছু পণ্য ভারতে স্থলপথে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করল নরেন্দ্র মোদী সরকার। ভারতের এই সিদ্ধান্তে বিপাকে পড়লেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস।সোমবার কেন্দ্রের বাণিজ্য মন্ত্রকের অধীনস্থ ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফরেন ট্রেড(DGFT) একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। সেই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পাট এবং পাটজাতীয় দড়ি, বস্তা-সহ একাধিক পণ্য স্থলপথে ভারতে ঢুকতে পারবে না। শুধুমাত্র মহারাষ্ট্রের নব সেবা সমুদ্রবন্দর মারফত বাংলাদেশি পণ্য আদানপ্রদানে ছাড় দেওয়া হগত বছরের অগস্টে শেখ হাসিনার ইস্তফার পর থেকে বিভিন্ন ইস্যুতে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের চাপানউতোর বেড়েছে। গত বছরের ৫ অগস্ট প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে বাংলাদেশ ছাড়েন হাসিনা। এর তিন দিন পর মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করা হয়। সেদেশে হিন্দু-সহ সংখ্যালঘুদের উপর হামলার নানা ছবি সামনে আসে। ভারত এই নিয়ে ইউনূস প্রশাসনকে ব্যবস্থা নেওয়ার বার্তা দিলেও কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি।
আবার চলতি বছরের মার্চের শেষদিকে চিন গিয়ে ভারতের সমালোচনা করেন ইউনূস। এরপর গত এপ্রিল থেকে বাংলাদেশি পণ্য আমদানিতে লাগাতার নিষেধাজ্ঞা জারি করে ভারত। মে মাসে ট্রান্সশিপমেন্ট পরিষেবা ব্যবহার করে ইউরোপ-সহ মধ্যপ্রাচ্যে ঢাকার পণ্য রফতানির সুবিধা বন্ধ করে দেয় নয়াদিল্লি। এবার স্থলপথে বাংলাদেশের একাধিক পণ্য প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করল ভারত। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইউনূসের চিন প্রীতি ভারত যে ভাল চোখে দেখছে না, একের পর এক সিদ্ধান্তে বুঝিয়ে দিল কেন্দ্র।
ভারতের সঙ্গে বাড়াবাড়ি করলে চড়া মাসুল দিতে হবে—এবার কার্যত সেই বার্তাই দিল নয়াদিল্লি। শিলং থেকে শিলচর পর্যন্ত জাতীয় সড়ক নির্মাণ ও বন্দর নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে ইউনূসকে যোগ্য জবাব দিতে চলেছে মোদী সরকার।
বাংলাদেশ থেকে আসা তৈরি পোশাক, প্লাস্টিক ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্যদ্রব্যসহ একাধিক পণ্যের উপর আমদানি নিষেধাজ্ঞা জারি করল ভারত। বিশেষভাবে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়েছে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলির সীমান্ত চেকপোস্টগুলিতে—যেমন অসম, মেঘালয়, ত্রিপুরা, মিজোরাম এবং পশ্চিমবঙ্গের কিছু এলাকায়। ফলে এখন থেকে বাংলাদেশ এই পণ্যগুলি সরাসরি স্থল সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাঠাতে পারবে না। পরিবর্তে, তাদের কলকাতা বা মুম্বইয়ের মতো সমুদ্রবন্দর ব্যবহার করতে হবে, যার ফলে পরিবহণ খরচ এবং সময় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাবে।
পাকিস্তানের পর বাংলাদেশকেও ‘মুখতোড় জবাব’ দিল ভারত। মহম্মদ ইউনূসের দম্ভ মাটিতে মিশিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। এর আগে ইউনূস বেজিংয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বলেছিলেন, ভারতের উত্তর পূর্ব রাজ্য স্থলবেষ্টিত। বাংলাদেশ এই সমগ্র অঞ্চলের সমুদ্রের একমাত্র অভিভাবক। এবার শিলং থেকে শিলচর পর্যন্ত জাতীয় সড়ক নির্মাণ ও বন্দর নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে ইউনূসকে যোগ্য জবাব দিতে চলেছে মোদী সরকার।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post