এক বছরের মধ্যে ইউনূস সাহেবের উপর মানুষের আস্থা এতটাই নিম্নমূখি যে আমেরিাকার কাছে দ্রুত নির্বাচন দিয়ে নতুন সরাকার গঠন করা ছাড়া আর কোন উপায় নেই। কারণ ইউনূসের সরকার এতটাই ব্যর্থ যে এই সরকারকে বেশী দিন টিকিয়ে রাখলে যে কোন সময় গৃহযুদ্ধ লেগে যেতে পারে। আর তখন সেই দায় থেকে আমেরিকা নিজেও রেহাই পাবে না। কিন্তু ভোট হলে পশ্চিমাদেশগুলি কখনই আওয়ামীলীগকে বাদ দিয়ে নির্বাচন চায়নি। তারা চেয়েছিল আওয়ামীলীগের যারা অপরাধী তাদের বিচার চলুক একদিকে। আর অন্যদিকে দলের বাকিরা নির্বাচন এবং রাজনৈতিক কার্যকলাপে যুক্ত থাকার অধিকার লাভ করুক। কিন্তু তাদের কথা না শুনেই ইউনূসের সরকার ছাত্রদের দাবী মেনে আওয়ামীলীগকে সাময়িক নিষিদ্ধ ঘোষনা করে দেন। আর সমস্যা হয় এখানেই। একটি নির্নাচনকে বৈধ নির্বাচন ঘোষনা করতে হলে সেই নির্বাচনে সব দলের অংশ গ্রহণ প্রয়োজন। যদি আওয়ামীলীগকে বাদ দিয়ে নির্বাচন হয়ও, সেখানে ক্ষমতায় আসবে বিএনপি।কিন্তু বিরোধী কারা থাকবে এনসিপি অথবা জামাত। আমেরিাক প্রথম থেকেই চায়নি যে কোন উগ্রমতবাদের দল বাংলাদেশের ক্ষমতায় থাকুক। বিএনপি ক্ষমতায় আসলেও জামাত এবং এনসিপি মিলে তাদের সরকারকে টিকতে দেবে না। আর তারা যদি অংশ গ্রহনই না করে,তাহলে তো এই নির্বাচনের কোন বৈধতাই থাকেনা। এখানেই খেলা ঘুরে গেছে আওয়ামীলীগের দিকে। এক তো বিভিন্ন সংগঠন থেকে যে সার্ভেগুলি করা হচ্ছে সেখানে দেখা যাচ্ছে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ মানুষ ঠিক করে জানাচ্ছে না তারা কাকে ভোট দেবে বা কি করবে। এই সময় যারা কিছু বলছে না, তারা যে আওয়ামীলীগকেই চাইছে তা বুঝতে পারছেন হাসিনা। তাছাড়া নির্বাচিত সরকারকে বৈধতা দিতে হলে বা পরের নির্বাচন পর্যন্ত টিকিয়ে রাখতে হলেও আওয়ামীলীগের অংশ গ্রহণ প্রয়োজন। এছাড়া বাংলাদেশে যারা নির্বাচনকেই নিজেদের ফিরে আসার একমাত্র পন্থা বলে মনে করেন,বা নির্বাচনই যাদের এক মাত্র উপায় দেশের রাজনীতিতে টিকে থাকার।কারণ একমাত্র আওয়ামীলীগই এমন দল যারা কোন সামরিক কু এর মাধ্যমে সরকারে আসেনি। যেখানে অন্য সব দলই সামরিক ক্ষমতায় সরকার গড়েছে। এছাড়া হাসিনা বুঝতে পেরেছেন যে খুব দ্রুত আর একটি আন্দোলোন হতে যাচ্ছে। সেটি হল ইউনূসের পতনের আন্দোলোন।এবং বেশ কয়েকবার নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর হাসিনা বুঝেছেন যে তার দল তৈরী আছে নির্বচনে লড়াই করার জন্য। কারণ এর আগেও জিয়ার সময়ে, যখন তাদের উপর এর থেকেও বেশী অত্যাচার এবং জেলবন্দী হওয়ার পরও, নেতৃত্বের অভাবে যখন দল দুই ভাগ হয়ে লড়াই করেছিল, তখনও আওয়ামীলীগ ২৮ শতাংশ ভোট পেয়েছিল। যেখানে প্রেসিডেন্ট জিয়ার দল ভোট পেয়েছিল ৪১ শতাংশ। ফলে হাসিনা দাবী করছেন ইউনূসের সরকার ফেলে দিয়ে একটি তত্ববধায়ক সরকারের গঠন করে। সেই সরকারের মাধ্যমে একটি সুষ্ঠ এবং অংশগ্রহণ মুলক নির্বাচন। এবং হাসিনা এও জানেন যে তার সংগঠনকে যতই ভেঙে ফেলার চেষ্টা করা হোক না কেন। নির্বাচন ঘোষনা হলে হাসিনাকে ছাড়া যে নির্বাচন হতে দেবে না তার নেতা কর্মীরা তা তিনি বুঝে ফেলেছেন। তাই তিনি ঠিক না তিনি ভুল এটা বোঝার জন্য চাইছেন দ্রুত নির্বাচন। এছাড়া আমেরিকাও বুঝতে পারছে উগ্রমৌলবাদীদের সরকারে বা মুল বিরোধী দলে রাখলে না সরকার চলবে না তাদের ব্যবসা বানিজ্য। আওয়ামীলীগ না থাকলে দেশের অস্থিরতা আরো বৃদ্ধি পাবে এবং আমেরিকাও শান্তিতে তাদের ব্যবসা বানিজ্য করতে পারবে না। ফলে হাসিনাকে ভোটে ফেরানোটা পশ্চিমাদেরও দায় হয়ে উঠেছে। আরও অনেকগুলি কারণ থেকে হাসিনা আত্মপ্রত্যয়ী যে তিনি নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করতে পারবেন।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post