ভারতের কিছু নিয়ম নীতি আছে, কিছু মান্যতা আছে। ভারত অতিথি দেব ভব, এই তত্বে বিশ্বাস করে। তাই শেখ হাসিনা যে বাড়ীতে আছে সেখানে একটি দফতর আছে। এবং ভারত হাসিনাকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী হিসাবে বিশিষ্ট অতিথির আশ্রয় দিয়েছেন। এবং তিনি যত দিন চাইবেন ততদিন থাকবেন।বাংলাদেশের রাজনীতি কি এখন শোশাল মিডিয়া কেন্দ্রিক। তাদের অস্তিত্ব বলতে নিজের দেশের গনমাধ্যম এবং সমাজ মাধ্যম। কোন এক গণমাধ্যমের খবর হয়েছে যে বাংলাদেশের আওয়ামীলীগ ভারতে তাদের কার্যালয় খুলেছে, এবং তারাও অনুমান করে বলেছে, কারণ তাদের কাছেও ঐ অফিসের কোন ঠিকানা দেওয়ার ক্ষমতা নেই।তারা এটাও নিশ্চিত করে যে সেখানে কোন সাইনবোর্ড বা ব্যানারও নেই। কিনতু বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তড়িঘড়ি তাদের গণমাধ্যমকে ব্যবহার করে বিবৃতি দিয়ে দিল যে ভারত যদি এই রকম কোন পদক্ষেপ নেয় তা হলে তা দুই দেশের সম্পর্কের মধ্যে প্রভাব ফেলবে। এখন অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগতে পারে্ বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কি অন্য দেশে থাকে, না কি অন্য গ্রহে থাকে। তারা জানে না যে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বর্তমান সম্পর্ক কেমন। এর পরে খারাপ হওয়া মানে তো যুদ্ধ হওয়াকে বলে। এখন কি ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে কোন রকম পারস্পরিক আস্থা বা বিশ্বাস আছে, যে সেটি নস্ট হবে। একটি খবরের উপর ভিত্তি করে যখন কোন দেশ অন্য দেশকে কোন বার্তা পাঠায়, সেটিও আবার নিজের দেশের গনমাধ্যমের উপর ভিত্তি করে, দেশের মানুষকে এটা দেখাতে যে দেখ আমরা কি রকম ক্ষমতাধর, আমরা কত দ্রুত অন্য দেশকে ব্যবস্থা নিতে বলি, আমাদের দেশের বিরুদ্ধে কোন অনৈতিক কার্য কলাপ ঘটতে দেখলে। একটা দেশের কুটনীতি কি বলে।যখন অন্য দেশকে কোন অভিযোগ করার থাকে, তখন সেই দেশের রাষ্ট্র দূতের কাছে বার্তাটি দিতে হয় অথবা সেই ব্যাপারে তার দৃষ্টি আকর্ষন করতে হয়। আসলে বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এতটুকু ক্ষমতা নেই বা যোগাযোগ করার ব্যবস্থা নেই যে তারা সঠিক নিয়মে সেটি করে। আসলে কোন সঠিক কোন তথ্য না থাকার কারণে নিজ দেশের গণমাধ্যমের কাছে হাত তালি পাওয়ার জন্য, গণমাধ্যমে ফাঁকা আওয়াজ দিয়েছেন। যেটি ভারতের রাষ্ট্র দুতের কাছে দেওয়া উচিত, সেটি দিয়েছেন নিজের দেশের গণমাধ্যমের কাছে। অথচ ভারতে বাংলাদেশের একটি দুতাবাস আছে এবং গত মে মাসে সেখানে রাষ্ট্রদুত হিসাবে নিযুক্ত হয়েছেন রিয়াদ হামিদুল্লা। এবং তিনি ভীষন ভাবে চেষ্টা করে যাচ্ছেন যাতে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের আলাপ আলোচনা শুরু করা যায়। অনন্ত কোন ভাবে ভারতের পুশ ইন কে ঠেকানো যায়। বা এই নিয়ে কোন আলাপ আলোচনা করা যায়।কিনতু এই বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোন সাফলতা পায়নি বাংলাদেশ। তার মানে নিজের দেশের গণমাধ্যমে ভারতের উদ্দেশ্যে ফাঁকা আওয়াজ দেওয়া ছাড়া আর কোন চ্যানেল খোলা নেই। যে কারণে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেছেন, ভারত থেকে বাস্তবিক অর্থে ‘পুশ ইন’ ঠেকানো সম্ভব নয়। দুই দেশের বিদ্যমান কনস্যুলার সংলাপের মাধ্যমে এ সমস্যাকে একটা প্রক্রিয়া অনুযায়ী সুরাহা করা যায় কি না, সে বিষয়ে চেষ্টা করা হচ্ছে। কারণ তাদের চেষ্টা মানে ঐ গনমাধ্যমে বিবৃতি দেওয়া।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ভারত থেকে পুশ ইন হচ্ছে। সেটা ফিজিক্যালি ঠেকানো সম্ভব নয়। এটা নিয়ে ভারতের সঙ্গে চিঠি আদান–প্রদান হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমরা বলছি, এটি যাতে পদ্ধতি অনুযায়ী হয়। তিনি বলেন, কনস্যুলার সংলাপ ব্যবহার করে বিষয়গুলোকে নিয়মের মধ্যে নিয়ে আসতে পারি কি না– আমরা সে চেষ্টা করছি । নিয়মিত পদ্ধতিতে যাতে হয়, তার জন্য বাংলাদেশ আরকেটি চিঠি দেবে ভারতকে। প্রতিবাদ পত্র নাকি কূটনৈতিক পত্র পাঠানো হবে? উত্তরে তৌহিদ হোসেন বলেন, আমরা একটি বস্তুনিষ্ট চিছি পাঠাবো। যেটাতে পদ্ধতির কথা উল্লেখ করবো। কনস্যুলার সংলাপ ব্যবহারের চেষ্টা করবো। অনেক দিন এ সংলাপ হয়নি।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post