অজিত ডোভালের নেতৃত্বে ভারতের নিরাপত্তা নীতি ক্রমশই আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক মাত্রায় বিস্তৃত হচ্ছে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে কলকাতা ও শিলিগুড়িকে কেন্দ্র করে নতুন পরিকল্পনা নিঃসন্দেহে একটি কৌশলগত পদক্ষেপ। তবে এর সফলতা নির্ভর করবে কূটনৈতিক সংবেদনশীলতা, প্রতিবেশী দেশের প্রতিক্রিয়া, এবং অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ভারসাম্যের উপর।অজিত ডোভালের বাংলাদেশ সংক্রান্ত নতুন মিশন কলকাতা-শিলিগুড়িকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। এই মহুর্তে ভারতের ভূ-রাজনৈতিক এবং কূটনৈতিক অস্থিরতা রয়েছে। আজ মনে হচ্ছে ভারত ভালো জায়গায় অবস্থান করছে তো আবার কাল অন্য রকম মনে হচ্ছে। তার উপর শত্রুদেশ পাকিস্তানের সঙ্গে আমেরিকার নজিরবিহীন সখ্যতা গড়ে উঠেছে। যে কারণে আমেরিকার উপর ভর করে পাকিস্তান ভারতকে বিভিন্ন ভাবে উস্কানি দিচ্ছে। তারা বাংলাদেশকে কাজে লাগিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে ১৯৭১ এর পরাজয়ের বদলা নিতে চাইছে। আর এই সব বিষয়গুলিকে গভীর পর্যবেক্ষনের মাধ্যমে, কিভাবে তা প্রতিহত করা যায় তার দায় এবং দায়িত্ব পড়েছে ভারতের জেমস বন্ড অজিত ডোভালের উপর।ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল সম্প্রতি বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে উচ্চপর্যায়ের আলোচনায় অংশ নিয়েছেন। শেখ হাসিনার সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎও হয়েছে, যা এই অঞ্চলের নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক সম্পর্কের দিক থেকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।কলকাতা ও শিলিগুড়ি—এই দুই শহরকে নজরদারির কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে কিছু রাজনৈতিক বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। যদিও সরকারি সূত্রে স্পষ্টভাবে কিছু বলা হয়নি, তবুও এই অঞ্চলের ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্বের কারণে এটি আলোচনায় এসেছে। এই বিষয়টি বেশ চাঞ্চল্যকর এবং কৌতূহল জাগানিয়া! সম্প্রতি কিছু অনলাইন সূত্রে দাবি করা হয়েছে যে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল একটি নতুন মিশনের পরিকল্পনা করছেন, যার কেন্দ্রবিন্দু হবে কলকাতা ও শিলিগুড়ি, এবং এর লক্ষ্য থাকবে বাংলাদেশ সংক্রান্ত নজরদারি।
মূল বিষয় হল বর্তমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের যে কোন ভারত বিরোধী কার্যকলাপকে প্রতিহত করা। তাই দিল্লির পরিবর্তে এবার পূর্ব ভারতের গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলো—বিশেষ করে কলকাতা ও শিলিগুড়ি—নির্বাচিত হয়েছে এই মিশনের জন্য।
এই অঞ্চলগুলোর ভৌগলিক অবস্থান এবং বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী সংযোগ এই সিদ্ধান্তের পেছনে বড় কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।
যদিও তিনি শুধু বাংলাদেশের দায়িত্বে আছেন তাই নয়।তিনি জম্মু-কাশ্মীর থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ইস্যুতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।কিন্তু বর্তমানে বাংলাদেশের পরিবর্ত পরিস্থিতিতে এবং ভৌগলিক অবস্থানের জন্য মূল চিন্তার বিষয় হয়েছে বাংলাদেশ।ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল সম্প্রতি বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে। এই বৈঠকে বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-র উপস্থিতিও ছিল, যিনি বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন ।
শেখ হাসিনা হিন্ডেন বিমানঘাঁটিতে পৌঁছেই অজিত ডোভালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা, ছাত্র আন্দোলন ও বিরোধী দলগুলোর সক্রিয়তা নিয়ে নিরাপত্তা সংক্রান্ত আলোচনা হয়।প্রধানমন্ত্রী মোদী মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা কমিটির সঙ্গে বৈঠক করেন, যেখানে প্রতিরক্ষামন্ত্রী, বিদেশমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন। এই বৈঠক ও পরিকল্পনা থেকে ধারণা করা যায়, ভারত বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আঞ্চলিক নিরাপত্তার দৃষ্টিকোণ থেকে গুরুত্ব দিয়ে দেখছে এবং অজিত ডোভাল সেই কৌশলগত পরিকল্পনার কেন্দ্রে রয়েছেন।ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল দীর্ঘদিন ধরে দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সক্রিয়ভাবে কাজ করে আসছেন। তাঁর নেতৃত্বে ভারতের নিরাপত্তা নীতি ক্রমশই আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারে মনোযোগী হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা, ছাত্র আন্দোলন, এবং বিরোধী দলগুলোর সক্রিয়তা ভারতীয় গোয়েন্দা মহলে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে কলকাতা ও শিলিগুড়িকে ঘিরে নতুন নজরদারি পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।কেন তিনি এই দুটি জায়গাকেই বেছে নিয়েছেন, সেটির কারণ সম্ভবত
কলকাতা হল বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী শহর, যেখানে বহু রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংযোগ রয়েছে। এখানে নজরদারি চালানো সহজ এবং কূটনৈতিক তৎপরতা পরিচালনার জন্য উপযুক্ত।আর শিলিগুড়ি যা “চিকেনস নেক” নামে পরিচিত এই অঞ্চলটি ভারতের উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলোর প্রবেশদ্বার। এটি কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে চীন ও বাংলাদেশ সংক্রান্ত নিরাপত্তা পরিকল্পনায়,তিনি এই দুই জায়গায় গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধিতে জোর দিয়েছেন, কলকাতা ও শিলিগুড়িতে নতুন গোয়েন্দা কেন্দ্র স্থাপন করে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ।সেই সঙ্গে সাইবার নজরদারির মাধ্যমে বাংলাদেশে অনলাইন আন্দোলন ও রাজনৈতিক প্রচারণার উপর নজর রাখতে প্রযুক্তিগত নজরদারি ব্যবস্থা।এবং কূটনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক নেতৃত্বের সঙ্গে সমন্বয় করে বাংলাদেশে ভারতের প্রভাব বাড়ানো।এই পরিকল্পনা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ হিসেবে দেখা হতে পারে, যা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে। তবে ভারত সরকারের দৃষ্টিকোণ থেকে এটি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষার কৌশল হিসেবেই বিবেচিত।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post