শিরে সংক্রান্তি। সেটা এতটাই যে তদারকি সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস এখন আবোল-তাবোল বকছেন। ধুম জ্বর হলে মানুষ যেমন ভুল বকে, ইউনূস সেই রকম ভুল বকছেন। বিএনপি এবং জামাতের দ্বন্দ্ব চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। রাস্তায় দুই দলের কর্মী সমর্থক মুখোমুখি হলে তারা এড়িয়ে চলেছেন। এতে চাপ গিয়ে পড়ছে ইউনূসের ওপর। ঐকমত্য কমিশনে ইউনূস যাকে বসিয়েছেন, সেই আলি রিয়াজের এমন কোনও ক্ষমতা নেই জুলাই সনদের বিষয়ে কোনও ঐকমত্যে পৌঁছানো এবং তা চূড়ান্ত করার। ঐকমত্য কমিশনের আলি রিয়াজ ডেকে এনেছিলেন মহম্মদ ইউনূস। এদিকে, জুলাই সনদ কার্যকরার দাবিতে জামায়াতে ইসলামি সহ পাঁচটি ইসলামি দল বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর ঢাকায় বিক্ষোভ। পরের দিন সব মহানগরী বা বিভাগ, ২৬ সেপ্টম্বর জেলা-উপজেলায় বিক্ষোভ।
সোমবার দুপুরে পৃথক পৃথক সাংবাদিক সম্মেলনে এই কর্মসূচির কথা ঘোষণা করেন বাংলাদেশ জামায়েতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস। নেজামে ইসলাম মঙ্গলবার সাংবাদিক সম্মেলন করে একই কর্মসূচির কথা ঘোষণা করবে। খেলাফত আন্দোলন কর্মসূচির সঙ্গে একমত প্রকাশ করেছে। তাই, ইউনূসের আশায় জল ঢেলে দিয়েছে বিএনপি এবং জামায়াত।
আমার দেশ পত্রিকায় ইউনূস জানিয়েছে, ফেব্রুয়ারিতে ভোট হবে। এই নির্বাচন হবে মহোৎসবে। জাতির সত্যিকারের নবজন্ম হবে। অথচ ডাকসু ও জাকসুর নির্বাচন সামাল দিতে জেরবার হতে হয়েছে ইউনূসকে। নির্বাচনের পর যাতে সংঘাত না হয় তার জন্য বিএনপি এবং জামাতের শীর্ষকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন ইউনূস। জাকুসর নির্বাচন বিএনপি মেনেই নিচ্ছে না। আর ইউনূস নাকি ফেব্রুয়ারির ভোটকে জাতীয় উৎসবে পরিণত করবে।
আবার জুলাই সনদ নিয়েও মতামত দিয়েছেন ইউনূস। তিনি বলেন, জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জুলাই সনদের বাস্তবায়ন ছাড়া বিকল্প নেই। ইউনূস বলেন, ‘এই সমঝোতার পথেই আমাদের এগোতে হবে। এখান থেকে বের হওয়ার কোনও উপায় নেই। দেশ ও জাতির শান্তির জন্য এটিই একমাত্র পথ। ’
ড. ইউনূস বলেন, ‘আমরা হয়তো অনেক যুক্তি দেখাতে পারি। কিন্তু এসব যুক্তির মধ্যে থেকে বেরিয়ে সমাধানের পথেই থাকতে হবে। অনেকের কষ্ট হলেও মেনে নিতে হবে। কারণ এই কষ্টই পরে শান্তি এনে দেবে। দেশের জন্য তা হবে বড় শান্তি। ’ প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, ‘ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান আমাদের হাতে যেন এক আলাদিনের চেরাগের দৈত্য তুলে দিয়েছে। এখন আমরা চাইলে শুধু এক কাপ চা নয়, গোটা দুনিয়া পালটে দিতে পারি। স্বৈরাচার আসার সব পথ-ঘাট বন্ধ। এখানে দ্বিমতের কোনও জায়গা নেই। আমরা একমত না হলে তাহলে সমাধন অসম্ভব হয়ে পড়বে।’ তদারকি সরকার এও বলেন, ‘আমাদের ঐক্যের দরকার। কী চাই, সেটা ঠিক করতে হবে। কীভাবে হবে, সেটা দৈত্য ঠিক করে দেবে। এই একবারের জন্য আমাদের হাতে এমন সুযোগ এসেছে, যা আর আসবে না।’
ইউনূসের আশা, এই ঐকমত্য কমিশন বিশ্বের জন্য একটি দৃষ্টান্ত হবে। এমন নিখুঁত ও নির্দোষভাবে কাজটি করতে হবে যাতে সত্যিকারের অর্থে একটি নতুন জাতির জন্ম নিতে পারে।‘
তদারকি সরকারের বয়ান আপাতদৃষ্টিতে গোছালো মনে হলেও লক্ষ্য করলে দেখা যাবে তিনি কিন্তু খেই হারিয়ে ফেলেছেন। কী করবেন, ঠিক বুঝে উঠতে পারছেন না। আর এটা হওয়ারই কথা ছিল।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post