বাংলাদেশের পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেবে? জানা যাচ্ছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভিতরেই তৈরি হয়েছে একটি গোপন সংগঠন। তাতে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের কয়েকজন কর্তা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করছে। এমনকি বিএনপি-র শীর্ষ নেতৃত্বও এই সংগঠনে সক্রিয়ভাবে জড়িত বলে দাবি সিক্রেট গোয়েন্দা রিপোর্টে। আর সেই রিপোর্ট ঘিরেই শুরু হয়েছে নানান জল্পনা-কল্পনা। ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলির দেওয়া গোপন রিপোর্ট অনুযায়ী বাংলাদেশের সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামান এই মুহূর্তে খুব একটা সুবিধাজনক অবস্থানে নেই। কারণ, মুহাম্মদ ইউনূস এবং তাঁর সহযোগীরা চাইছেন তাঁকে সেনাপ্রধানের পদ থেকে যেনতেন প্রকারেণ সরিয়ে দিতে। জানা যাচ্ছে, বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্তাদের নিয়ে একটা গোপন সংগঠন তৈরি হয়েছে। যার নাম বাংলাদেশ বিপ্লবী সৈনিক ফ্রন্ট। এই সংগঠন সেনাবাহিনীর বর্তমান আধিকারিক এবং জওয়ানদের মধ্যে যারা ওয়াকার বিরোধী শিবিরে রয়েছেন, তাঁদের একত্রিত করার কাজ করছে। এর পিছনে রয়েছে একটা গভীর চক্রান্ত। এই চক্রান্তের নেপথ্যে যেমন রয়েছে পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই তেমনই রয়েছে ইউনূসের কয়েকজন ঘনিষ্ট সহযোগী। তবে এও জানা যাচ্ছে, এই গোপন ষড়যন্ত্রে বিএনপিও যুক্ত। এর মূল কারণ হল, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরার পথ সুগম করে তোলা। জানা যায়, ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর লন্ডনের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়েন তিনি। লন্ডনযাত্রার কয়েক ঘণ্টা আগে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের পদ থেকে পদত্যাগ করেন তারেক রহমান। কিন্তু সে সময় তারেক রহমান দেশত্যাগ করার আগে তাঁর মা বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক তৎকালীন সেনা কর্মকর্তাদের কাছে একটি মুচলেকা দিয়েছিলেন। তাতে লেখা ছিল তারেক রহমান আপাতত নিজেকে রাজনীতিতে জড়াবেন না। জানা যায়, সেই সেনাকর্তাদের মধ্যে একজন বর্তমান সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জমান। তারেকের আশঙ্কা তিনি দেশে ফিরলেই সেনাবাহিনীর একটি অংশ তাঁকে হেনস্থা করতে পারে। ফলে জেনারেল ওয়াকারকে সরানোর ছকে বিএনপিও সামিল হয়েছে।
এই মুহূর্তে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের শিকড় অনেকটাই গ্রোথিত হয়েছে। এও জানা যাচ্ছে, সিলেটের মতো কয়েকটি ক্যান্টনমেন্টে সেনা ব্যারাকেই আইএসআইয়ের অফিস রয়েছে। যা জেনারেল ওয়াকার উজ জামান একেবারেই পছন্দ করছেন না। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি অংশ মনে করছে, মুহাম্মদ ইউনূসের সরকার যে ভাবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরে নাক গলাচ্ছে, তাতে একটা সামগ্রিক ঝুঁকির পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। এতে সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরে একটা অসোন্তোষের জন্ম দিয়েছে। আর সেটা আরও বাড়িয়ে তুলছে বাংলাদেশ বিপ্লবী সৈনিক ফ্রন্ট। সূত্রের খবর, সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরে ষড়যন্ত্রের আভাস পেয়ে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামান আবার ভারতমুখী হতে চাইছেন। জানা যাচ্ছে তিনি নিয়মিত ভারতীয় সেনার শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। এই আবহেই সোমবার কলকাতায় হয়ে গেল ভারতীয় সেনার ইস্টার্ণ কমান্ডের উদ্যোগে এক শীর্ষ সম্মেলন। যেখানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং ও ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল। এই বৈঠক বাংলাদেশের আবহে যথেষ্টই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post