অপারেশন সিন্দুরে ভারত শুধু পাকিস্তানকেই নাস্তানাবুদ করেনি, আমেরিকাও জোর ধাক্কা খেয়েছে। কারণ পাকিস্তানের অস্ত্রভান্ডারে যা কিছু অস্ত্র আছে তার বেশীর ভাগই আমেরিকার। যা ভারতের অস্ত্রের সামনে টিকতেই পারেনি। যে কারনে আমেরিকার এফ সিরজের সব অস্ত্রই বিশ্ব বাজারে মুখ থুবড়ে পড়েছে। যদিও ভারতের অপারেশন সিন্দুর নিয়ে দেশে এবং দেশের বাইরে অনেক সমালোচনা হয়েছে। অনেকেই এই মন্তব্য করেছেন যে ভারত অপারেশন সিন্দুরে বিরাট কিছু সাফল্য পায়নি। আর বাংলাদেশ থেকে বারবার বলা হয়েছে যে পাকিস্তানের কাছে ভারত মার খেয়েছে। দেশে এবং দেশের বাইরে যারা এমনটি বলেন, তাদের জন্য জৈশ মহম্মদ বলে যে জঙ্গী সংগঠনটি আছে তার নেতা মাসুদ ইলিয়াস কাশ্মিরীর এই বক্তব্য শুনা প্রয়োজন। যে নিজের মুখে স্বিকার করেছে ভারত তাদের সঙ্গে কি করেছে। অপারেশন সিন্দুরের পর থেকেই যে আমেরিকার কু-নজরে পড়েছে ভারত, এমন টি নয়। অনেক আগের থেকেই ভারত তার নিজের দেশের মানুষের স্বার্থে ডলারের সঙ্গে সরাসরি প্রতিযোগীতায় নামে।আর যখন থেকে আমেরিকা বুঝতে পারে যে ভারতে বর্তমান সরকার থাকলে অচিরেই ডলার তার ক্ষমতা হারাবে, তখন থেকে ডিপস্ট্রেটের ভারতকে নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু হয়, যদিও সেই কাজে আপতত ব্যর্থ ডিপস্ট্রেট। যুগের পর যুগ ধরে আমেরিকা ডলারকে হাতিয়ারের মত ব্যবহার করে আসছিল, কিন্তু বর্তমানে ভারত সেই হাতিয়ার কেড়ে নেওয়ার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। রুশ তো ভারতের সঙ্গে ছিলই, চিনও ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছে।
সেই সঙ্গে দক্ষিন আফ্রিকা সহ বাকি ব্রিকস-এর দেশগুলি ভারতের পাশে আছে। শুধু তাই নয় ইউরোপের কিছু দেশও ভারতীয় মুদ্রায় লেন দেন করতে আগ্রহ দেখাচ্ছে। এতদিন ডলারকে গোটা বিশ্বের লাইফ লাইন বলা হত। আর আজ সেই ডলারের জায়গা নিতে চলেছে ভারতীয় মুদ্রা। যে কারণে আমেরিকার মিডিয়াগুলি উত্তাল হয়ে উঠেছে। তারা বলছে ভারত নিশ্বব্দে আমেরিকান ডলারের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু করে দিয়েছে। আমেরিকার সব থেকে বড় মিডিয়াতে বলা হচ্ছে। ভারত বিশ্বের অর্থনীতিকেই বদলে দিয়েছে। আর হোয়াইট হাউসে প্রতিদিন জরুরি মিটিং হচ্ছে কিভাবে ভারতকে আটকানো যায়। কিন্তু ভারত নিশব্দে তার পথে এগিয়ে চলেছে। উপায় না পয়ে আমেরিকা আপতত ভারতের কাছে আত্মসমর্পন করতে বাধ্য হচ্ছে। কারণ আমেরিকার কোন হুমকি ধমকিকে পাত্তা না দিয়ে ভারত তার মত করে এগিয়ে চলেছে। এবার পাকিস্তান এবং আমেরিকার মত অবস্থা হতে চলেছে বাংলাদেশের। যদিও বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এতদিন একটি নরম মনোভাব পোষন করে চলেছে ভারত। কিন্তু পরিস্থিতিকে এমন একটি জায়গায় নিয়ে গেছে ইউনূসের সরকার, যে ভারত বাধ্য হচ্ছে বাংলাদেশকে নিয়ে আলাদা করে ভাবতে।তাই কলকাতায় হাজির দেশের সব মাথারা। কে নেই সেখানে শুধুমাত্র স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ ছাড়া সবাই হাজির,আর সেখানে আলোচনার বিষয় যে বাংলাদেশ তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। যদি ডিপ্লোমেসিতে কাজ না হয়, তাহলে ভারত যে যুদ্ধ করতেও প্রস্তুত থাকবে সেটা বুঝেছে বাংলাদেশ ।
প্রথম দিকে ইউনূস ভেবেছিলেন যে ভারত বিরোধীতা করলেই তিনি টিকে থাকতে পারবেন। তাই শুধু দেশে নয়, বিদেশেও তিনি ভারত বিরোধীতা করে গেছেন। কিন্তু যত দিন যাচ্ছে বাংলাদেশের সার্বিক পরিস্থিতি ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে। গোটা দেশটি মবতন্ত্রের সর্গ রাজ্য হয়ে উঠেছে। কিছু মানুষ সাময়িক ভাবে ধর্মবিদ্বেষ এবং মবতন্ত্রে সুখে থাকলেও, ভবিষ্যতে আরও ভয়ঙ্কর গৃহযুদ্ধের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে দেশটি। কারণ সে দেশের সাধারণ মানুষ তাদের কর্তৃত্ব মেনে নেবে না যারা ৭১ এর যুদ্ধে পরাজিত শক্তি। ফলে একদিন মুখোমুখি সংঘর্ষ হবেই। ইউনূস সরকার আম ডিপ্লোমেসির পর এবার শুরু করেছে ইলিশ ডিপ্লোমেসি। কারণ গঙ্গার জল নিয়ে চুক্তিটি নতুন করে রিনিউ করার সময় এগিয়ে আসছে। আর ভারত এই বিষয়ে কঠোর মনোভাব যে নেবে, তা বুঝেছে এই তদারকী সরকার। তাই ইলিশ পাঠিয়ে ভারতের মন জয়ের চেষ্টা করছে এই সরকার। কিন্তু ভারতে যে এসবের আর কোন প্রভাব পড়বে ন সেটি হয়তো তারা এখনও বুঝতে পারছে না। ফলে গরমে যেমন জলের অভাবে শুকাবে বাংলাদেশের মাটি। তেমন বর্ষায় প্লাবিত হবে দেশটি। ভারতকে চিকেন্স নেকের হুমকি দেওয়া দেশটি বুঝতে পারছে ভারত শুধু শিলিগুড়ি করিডরের উপর ভরসা না করে নেপাল ভুটানের মধ্য দিয়ে নতুন রেলপথের মাধ্যমে সাত রাজ্যের সঙ্গে যোগাযোগের ব্যবস্থা করে ফেলেছে। এবং শিলিগুড়ি এখন অভেদ্য মিলিট্যারি দুর্গে পরিনত হচ্ছে। উল্টে বাংলাদেশের সঙ্গে রেল চু্ক্তি বাতিল করায় বাংলাদেশকে ৫হাজার কোটি টাকার ক্ষতির মুখ দেখতে হচ্ছে।












Discussion about this post