বাংলাদেশ কি কোন দেশের সঙ্গে যুদ্ধ ঘোষনা করছে, অথবা অন্য কোন দেশ বাংলাদেশের সঙ্গে যু্দ্ধের কথা বলেছে। বাংলাদেশের আগামী প্রজন্মের ভবিষ্যৎ ঠিক করার দায়িত্ব বাংলাদেশের জনগনের, তাদেরই ঠিক করতে হবে তাদের ভবিষ্যত প্রজন্ম দিনের পর দিন যুদ্ধ দেখবে নাকি শিক্ষা শিল্প এবং স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে নিজেদেরকে উন্নত করে তুলবে। আর এই দায়িত্ব এই টোকাই সরকারের নয়।যদি বাংলাদেশের মানুষকে এটি বোঝানো হয় যে ভারত বাংলাদেশে আক্রমন করবে তাই আমেরিকার সঙ্গে বার বার যুদ্ধ মহড়ার নামে সৈন্য এবং যুদ্ধজাহাজ নিয়ে এসে আমেরিকা তাদের সৈন্য ঘাঁটি তৈরী করছে, এবং তারা যে বাংলাদেশে কতজন আসছে কোথায় থাকছে তার কোন সরকারী নথি পর্যন্ত থাকছে না।
আর বিএনপির মত দলগুলি যদি ভাবে যে এই সরকার যা করছে করুক, যে কোন ভাবে ভোট হলে আমরা ক্ষমতায় এসে সব ঠিক করে দেব, তাহলে ডাকসু এবং জাকসু ভোট থেকে তাদের শিক্ষা নেওয়া উচিৎ। জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামীলীগ অংশ গ্রহণ করতে না পারলে, ভোটের ফলাফল কি হবে তা আগের থেকে বলার ক্ষমতা কারো নেই। যদিও বেশীর ভাগ মানুষ মনে করে যে ইউনূসের হাতে এত প্ল্যান রেডি আছে যে, তারা কোন না কোন ভাবে এই ভোট বানঞ্চাল করে দেবেই। বাংলাদেশে এত আন্দোলোন মৃত্যু উত্তেজনা সরকার পতন-সব কিছুর লক্ষ্য কি? সব কিছুর মূল লক্ষ্য হল আমেরিকার জন্য বাংলাদেশে একটি সামরিক বেস। যেখান থেকে আমেরিকা একযোগে ভারত পাকিস্তান চীন রাশিয়া এবং মায়ানমারকে নজরদারিতে রাখতে পারবে। প্রথমে বলা হয়েছিল মানবিক করিডর দেওয়া হবে, যেখানে রোহিঙ্গাদের জন্য মেডিসিন এবং খাবার যাবে। কিন্তু যে করিডর দিয়ে গোলা কামান অস্ত্র নিয়ে যাওয়া হবে সেই করিডরকে কি মানবিক করিডর বলা যায়। তাহলে যা দাঁড়াচ্ছে, প্রাথমিকভাবে আরাকান আর্মিকে সাহায্য করার জন্য আমেরিকা বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে করিডর বানাবে। আর আরাকান আর্মি লড়াই করবে মায়ানমারের সঙ্গে।শুধু তাই নয় আমেরিকা আবার বাংলাদেশের সেন্ট মার্টিন দ্বীপে সামরিক বেস বানাবে। সেই সঙ্গে চট্টোগ্রামের বন্দর দিয়ে আমেরিকার সৈন্যদের জন্য সামুদ্রিক পথে রসদ অস্ত্র আসবে। বাংলাদেশ এর জন্য কি পাবে, সেটার একটি হিসাব তো দেশের জনগনের কাছে দেওয়া দরকার। সেটি সরকারের পক্ষ্য থেকে দেওয়াই উচিৎ ছিল। যদিও সরকারের একটি তথ্য দেওয়ার মত আছে সেটি হল ট্রারিফে ১৫ শতাংশ ছাড়। কিন্তু ঝুঁকির বিষয়গুলি কি, দেশের বড় দলগুলি বোঝে না, নাকি জানে না। বিএনপি একবার তো বলল রাখাইন করিডর দিলে বাংলাদেশ গাজায় পরিনত হবে। তার পর লন্ডনে যে কি চুক্তি হল বিএনপি চুপ হয়ে গেল। মানে বিএনপির মত বড় দলগুলিও এখন চাইছে বাংলাদেশের মানুষ গাজার মত অভিজ্ঞতা অনুভব করুক। মানে বাংলাদেশে বসে আমেরিকা আরাকান আর্মি এবং বাংলাদেশী সৈন্যদের দিয়ে মায়ানমারের সঙ্গে যুদ্ধ করবে, আর মায়ানমারের পিছনে আবার চীনের মত শক্তিধর দেশ, অর্থাৎ মায়ানমার চীন রাশিয়া এবং ভারতের সঙ্গে ছায়া যুদ্ধ করবে আমেরিকা, আর সামনে থাকবে বাংলাদেশ। আর এই রকম পরিস্থিতি তৈরী হবেই। যখন বাংলাদেশ থেকে কোন যুদ্ধ পরিচালননা করা হবে তখন চীন বা মায়ানমার কি আমেরিকায় হামলা করবে নাকি বাংলাদেশে। শুধু চীন কেন মায়ানমার ভারত এবং রাশিয়া তারা কোথায় আক্রমন করবে। আর ভারত যে আমেরিকার সৈন্যদের হঠাৎ হঠাৎ বাংলাদেশে যৌথমহড়ার নামে ঘাঁটি গাড়াটিকে একদম পছন্দ করছে না ,তার প্রমান হল, ভারতও মায়ানমারে যৌথ মহড়ার নামে ১২০ জন সৈন্য পাঠিয়ে দিয়েছে।এখন অনেকেই বলতে পারেন যে অন্যদলগুলি বাঁধা দিচ্ছে না কেন। তার কারণ হল ৫ই আগস্টের সরকার পতনের পর ৮ই আগস্ট সরকার গঠন হয়, মাঝের তিন দিন শুধু আমেরিকার সঙ্গে চু্ক্তি করা হয়, কি কি আমেরিকান প্রভুদের হাতে তুলে দিতে হবে। সেটি তো ইউনূস সাহেবও নিজ মুখে স্বীকার করেছেন। এমনকি তদারকী সরকারের সবচেয়ে বড় পৃষ্ঠপোষক বলছেন চট্টগ্রাম একটি লাভজনক বন্দর তাকে কেন অন্যকারো কাছে তুলে দিতে হবে।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post