মিথ্যাবাদী ইউনূস তার দেশকে কিভাবে ঠকাচ্ছে সেটি দেশের সাধারণ মানুষ বুঝতে না পরলেও হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে সে দেশের বেশ কিছু মানুষ। তারা বুঝতে পারছেন ইউনূসকে তারা গিলতেও পারছেন না আবার ফেলতেও পারছেন না। ফলে ইউনূস সেই অবস্থার সম্পূর্ণ সুযোগ নিচ্ছেন। তিনি তার গ্রামীন ব্যাঙ্কের অধিকাংশ কর্মচারীকে, বিভিন্ন ভাবে এই তদারকী সরকারের অংশ করে নিয়েছেন। ফলে তাদের আর তার ব্যক্তিগত কোষাগার থেকে মাইনে দিতে হচ্ছে না। তারা বাংলাদেশের জনগনের দেওয়া ট্যাক্স থেকেই তাদের মাইনেই শুধু পাচ্ছেন এমন নয়, বিদেশে বিদেশে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। ইউনূস যখন প্রথমবার জাতিসংঘের মিটিং এ গিয়েছিলেন, সংবাদ পত্রে প্রচার করিয়েছিলেন যে মাত্র সাত জনকে নিয়ে তিনি জাতিসংঘে যাচ্ছেন। যেখানে হাসিনা নাকি একশো থেকে দেড়শো লোক নিয়ে সফরে যেতেন। কিন্তু পরে জানা গেল যে ইউনূস সাহেব ২০২৪ সালেই সাত জনের কথা বলে ৮০ জনের বেশী সদস্য নিয়ে জাতিসংঘে গিয়েছিলেন। আর এবার তো তিনি প্রকাশ করেছেন যে ১০৪ জনকে সঙ্গে নিয়ে জ্যাতিসংঘে গিয়েছেন। এবং তাদের মধ্যে অধিকাংশ সদস্যকেই কখন দেখাই যায়নি। তারা কি কারণে গিয়েছে হয়তো তারাই জানে না। তবে এখানে একটি কথা না বললেই নয়, সেটি হল হাসিনার আমলে যে সমস্ত ব্যবসায়ীরা তার সঙ্গে যেত, তারা নিজেদের টাকায় প্লেন এবং হোটেল খরচ মেটাতেন। আর এখানে বিষয়টি সম্পূর্ণ বিপরীত। এখানে দেশের জনগনের টাকায় এই বিশাল প্রমোদ ভমন করছেন ইউনূসের ‘ল্যাসপেন্সার’ বাহিনী।এখন যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশকে প্রয়োজন হলেও, ইউনূসের সঙ্গে ট্রাম্পের একটি ছবিও দেখা গেল না। বাংলাদেশের সমস্ত পত্রিকা বাধ্য ছেলের মত যেটি প্রকাশ করেছে সেটি হল ইউনূসের সঙ্গে ট্রাম্পের শুভেচ্ছা বিনিময় হয়েছে এবং ইউনূস নাকি ট্রাম্পকে বাংলাদেশে আমন্ত্রন জানিয়েছেন। কিন্তু ট্রাম্পের সঙ্গে ইউনূসের কোন ছবি দেখা যায়নি। সেখানে দেখা গিয়েছে ইউনূসের সঙ্গে জাতিসংঘের মহাসচিব গুতেরাসের ছবি।ট্রাম্পের সঙ্গে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মিটিং না হওয়ার পেছনে মূল কারণ ছিল তাদের পূর্ববর্তী রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত দূরত্ব। এই সম্পর্কের জটিলতা শুরু হয় ২০১৬ সালে, যখন ট্রাম্প প্রথমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। তখন ইউনূস তার জয়কে “একটি সূর্যগ্রহণ” বলে মন্তব্য করেছিলেন, যা ট্রাম্পপন্থীদের মধ্যে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
এছাড়া ইউনূসের সঙ্গে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির নেতাদের—বিশেষ করে বিল ও হিলারি ক্লিনটনের—সম্পর্ক ছিল অত্যন্ত হৃদ্যতাপূর্ণ। এমনকি হিলারিকে তিনি ডোনেশনও দিয়েছিলেন, যা ট্রাম্পের সঙ্গে তার সম্পর্ককে আরও জটিল করে তোলে।
তবে বর্তমান পরিস্থিতি ভিন্ন। ইউনূস এখন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান, এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য তিনি আগ্রহী। ট্রাম্পের জয় পরবর্তী সময়ে ইউনূস তাকে উষ্ণ অভিনন্দন জানান এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারের আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কৌশলগত কারণে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে প্রয়োজন, এবং সেই প্রেক্ষাপটে ইউনূস-ট্রাম্প সম্পর্কের দূরত্ব দ্রুতই কমে আসতে পারে। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেল এমন কিছুই হল না। উল্টে অনেক মিডিয়াতে যেটি প্রকাশ পেল সেটি হল প্রায় ৭০০ কোটি টাকা খরচ করে ১০৪ জনের ‘ল্যাসপেন্সার’ নিয়ে গিয়েও ট্রাম্পের সঙ্গে একটি ছবিও তুলতে পারলেন না। তিনি যে লট বহর নিয়ে গিয়েছেন, তারা কোন ব্যবসা তো বাংলাদেশে আনতে পারেন নি। পিটার হাসকে পাশে বসিয়ে একটি আলোচনা সভা করার জন্য এতবড় টিম নিয়ে গিয়ে দেশের অর্থনীতিকে আরও খারাপ করেছেন তিনি।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post