সাধ জাগে মনে পর-জীবনে (আমি) তব কপোলে যেন তিল হই।
ট্রাম্পের কপালে তিল হয়ে থাকার বড় সাধ জেগেছিল ড. মহম্মদ ইউনূসের। সেই ইচ্ছা নিয়ে প্রায় সাতশো কোটি টাকা খরচ করে, সাঙ্গোপাঙ্গোদের বিমানে উঠিয়ে আমেরিকা গিয়েছেন। ইচ্ছা ছিল ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ক্লিক ক্লিক ক্লিক….। মানে ছবি তুলবেন। সব ভোঁ ভাঁ।
একটা ছবি অনেক কথা বলে। কিন্তু তিনি কেন ট্রাম্পের সঙ্গে ছবি তুলতে চেয়েছিলেন। আসলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ছবি তুলতে পারলে একটা মাইলেজ পেতেন। গোটা বিশ্বকে তিনি দেখাতে পারতেন খোদ প্রেসিডেন্ট তাঁর পাশে রয়েছে। কিন্তু সব সে আশায় গুড়ে বালি। ছবি তোলা তো পরের কথা, হোয়াইট হাউজ ইউনূসের জন্য ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের সময় পর্যন্ত বরাদ্দ করতে রাজি হয়নি। সরকার তদারকি হলেও তাঁর প্রধানের কাছে এটা যে অত্যন্ত অসম্মানজনক সেটা বাকিরা বুঝতে পারলেও ইউনূস বুঝতে পারছেন না। অথবা বোঝার প্রয়োজন বোধ করছেন না। উলটে সেখানে গিয়ে একটি সাক্ষাৎকারে ভারতের বাপ-বাপন্ত করেছেন।
এই সফর ড. ইউনূসের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। তবে বিশ্বের কাছে জাতিসঙ্ঘ গুরুত্বহীন হয়ে পড়েছেন। কিন্তু এবারের সম্মেলনে ভারতের প্রেসিডেন্ট নরেন্দ্র মোদি, চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিংপিংয়ের মতো হেভিওয়েট নেতারা কিন্তু জাতিসঙ্ঘের সম্মেলনে হাজির হননি। ফলে, জাতিসঙ্ঘের গুরুত্ব তেমন আর নেই সেটা স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে। মঙ্গলবার ডোনাল্ড ট্রাম্প জাতিসঙ্ঘে ভাষণ দেন। সেই ভাষণে তিনি গোটা বিশ্বের সমালোচনা করেছেন। জাতিসঙ্ঘকেও তিনি রেয়াত করেনি। উলটে নিজের ঢাক পিটিয়েছেন। ক্ষমতায় আসীন হওয়ার পর তিনি কটা যুদ্ধ থামিয়েছেন, তার উল্লেখ করেছন। কেন তাঁর নোবেল প্রাপ্য সেটাও তিনি জানিয়েছেন। জাতিসঙ্ঘের মঞ্চকে তিনি প্রচারের কাজে ব্যবহার করেছেন। তা নিয়ে ইতিমধ্যে গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
আর আজ জাতিসঙ্ঘকে ঠুঁটো জগন্নাথ করে তোলার পিছনে জাতিসঙ্ঘের নিজস্ব একটা ভূমিকা রয়েছে। ট্রাম্প আসার পর থেকে জাতিসঙ্ঘের বিভিন্ন দফতরের জন্য অর্থ বরাদ্দ বন্ধ করে দিয়েছেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। জাতিসঙ্ঘের মানবাধিকার হাইকমিশন থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। জাতিসঙ্ঘের সব চেয়ে বড় অর্থদাতা কিন্তু আমেরিকা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আর জাতিসঙ্ঘকে পাত্তা দিতে রাজি নয়। জাতিসঙ্ঘের সাধারণ সভায় ভাষণ দিয়ে তিনি ফিরে গিয়েছেন। যে জাতিসঙ্ঘের গুরুত্ব ক্রমেই ক্ষীণ হয়ে আসছে, সেই জাতিসঙ্ঘে বিরাট লটবহর নিয়ে গিয়েছেন ইউনূস।
এদিকে, বলা হচ্ছে ইউনূস নাকি ট্রাম্পকে বাংলাদেশে আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। যে লোকটার সঙ্গে দেখা হল না, সেই লোকটাকে কীভাবে বাংলাদেশে আসার আমন্ত্রণ জানালেন তদারকি সরকার প্রধান। আসলে ইউনূস বুঝতে পারেননি, যে জাতিসঙ্ঘে গিয়ে তাকে এমন অপ্রীতিকর পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে হবে। মুখ বাঁচাতে এখন বাকি রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে তিনি বৈঠক করছেন। সেই বৈঠক থেকে যে কিছুই তিনি পাবেন না, তা সকলেই জানে।
এদিকে, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আমেরিকা যাওয়ারই দরকার ছিল না বলে মন্তব্য করেছেন গোলাম মাওলা রনি। তিনি বলেন, ‘এই ভ্রমণ আমার দৃষ্টিতে ছিল একেবারে অপ্রয়োজনীয়। সেখানে যাওয়ারই দরকার ছিল না। মানুষের জীবনে যখন মানুষ অহেতুক কর্ম করে, বিনা প্রয়োজনে ছোটাছুটি করে; এগুলো সবই তাদের জীবন এবং জীবিকার জন্য বুমেরাং হয়ে পড়ে।
বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বকালের শ্রেষ্ঠ নির্বাচন করানোর কথা বলেছিলেন বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি জানিয়েছিলেন, এই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ...
Read more












Discussion about this post