২৮ সেপ্টেম্বর শেখ হাসিনার দল বাংলাদেশে কিছু করতে পারে, এমন খবর ছিল গোয়েন্দা পুলিশের কাছে। সেই কারণে পুলিশের যথেষ্ট তৎপরতা লক্ষ্য করা গিয়েছে। কিন্তু তেমন কোনও কর্মসূচি বা আওয়ামী লীগের কর্মকাণ্ড লক্ষ্য করা যায়নি। এর কারণ হিসাবে উঠে আসছে, সম্প্রতি যেভাবে ফার্মগেট এলাকা থেকে ২৪৪ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ, তাতে আওয়ামী লীগ তাদের পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছে বলে বলা হচ্ছে। তবে শেখ হাসিনার বিষয়টি ছাপিয়ে গিয়ে শাকিবাল হাসান আলোচনায় উঠে এলেন। অর্থাৎ খেলা ঘুরে গেল। আসলে কি ঘটছে বাংলাদেশে? চলুন আলোচনা করা যাক।
২৮ সেপ্টেম্বর ছিল শেখ হাসিনার জন্মদিন। এদিকে ওই দিনটিকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে বড় কিছু ঘটাতে পারে আওয়ামীলীগ, এমনটাই খবর ছিল বাংলাদেশ গোয়েন্দা পুলিশের কাছে। সেই কারণে বাংলাদেশ সহ বেশ কয়েকটি জেলা উপজেলাতে যথেষ্ট তৎপর ছিল বাংলাদেশ পুলিশ। জানা যাচ্ছে, আওয়ামী লীগের এই পরিকল্পনা টেলিগ্রাম গ্রুপের মাধ্যমে ফাঁস হয়ে যায়। এদিকে তৎপরতা বাড়াতে থাকে পুলিশ। কিন্তু ২৮ সেপ্টেম্বর ভিন্ন চিত্র ধরা পরল। আওয়ামী লীগ ওইদিন কোনও কর্মসূচি বা শোডাউন করেনি। বরং সোশ্যাল মিডিয়াতে দেখা গিয়েছে, শেখ হাসিনার জন্মদিনকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন জায়গাতে কেক কেটে দিনটিকে উদযাপন করছে। বিষয়টি এর মাধ্যমেই সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু এই সমস্ত কিছু ছাপিয়ে গিয়ে আলোচনায় উঠে এলেন শাকিবাল হাসান। তিনি একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট দেন। যেখানে দেখা যাচ্ছে, তার সঙ্গে শেখ হাসিনার একটি ছবি। ক্যাপশন দিয়েছেন, শুভ জন্মদিন আপা। মুহুর্তের মধ্যে সেই পোস্ট ভাইরাল হয়। আর এই পোস্টকে কেন্দ্র করে ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া একটি পোস্ট দেন। সেখানে তিনি লেখেন, একজনকে পুনর্বাসন না দেওয়ায় হাজার হাজার গালি দিয়েছেন আপনারা। বাট আই ওয়াজ রাইট। এন্ড অফ দ্যা ডিসকাশন। গত ৫ই অগাস্টের পর থেকে বাংলাদেশের জাতীয় টিম থেকে বাদ দেশে গিয়েছেন শাকিবাল হাসান। তাকে আর খেলতে দেওয়া হয়নি। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি সেই লীগের দোসর। এমনকি তিনি দেশে নেই। কারণ তাকে যে কোনও মুহূর্তে গ্রেফতার করা হতে পারে। এদিকে তাকে খেলতে না দেওয়ার পিছনে যে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া রয়েছেন, সেটা তার এদিনের পোস্ট থেকে একদম স্পষ্ট হয়ে গেল। সজীব ভূঁইয়ার পোস্টের পাল্টা পোস্ট দিয়েছেন শাকিবাল হাসান। তিনি লেখেন, যাক কেউ একজন শেষমেষ স্বীকার করে নিলেন যে তার জন্য আর বাংলাদেশের জার্সি আমার গায়ে দেওয়া হল না। বাংলাদেশের জন্য খেলতে পারলাম না। এদিনের এই পোস্ট ঘিরে চরম আলোচনার জন্ম দেয়। অনেকে বলছে, খেলোয়ারদের রাজনীতিতে ঢুকে পড়া বা তাদের নিয়ে রাজনীতি, এতে দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি অত্যন্ত খারাপের দিকে যাচ্ছে। আদতে দেশের ক্ষতি হচ্ছে। এখন দেখার, শেষমেশ বাংলাদেশে কি পরিস্থিতি তৈরি হয়।












Discussion about this post